শনিবার, ১১ মে, ২০১৯

তুলসী পাতার বিভিন্ন উপকারিতা কি কি ?


   তুলসী একটি আমাদের খুব পরিচিত গাছ । আমাদের বাড়ির আশে পাশে সব জায়গায় আমরা তুলসী গাছ দেখতে পাই । এই তুলসী গাছের উপকারিতা বলে শেষ করা যাবেনা । তুলসী পাতা খাওয়ার কোন নিয়ম নেই, আপনার যখন ইচ্ছা হবে খেতে পারেন । আয়ুর্বেদিক মতে তুলসী পাতা অনেক রোগ, ব্যাধি প্রতিরোধে সাহায্য করে । এখন আমরা জানবো যে - আপনি ঘরোয়া ভাবে তুলসী পাতার সাহায্যে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ কিভাবে করবেন ? সব কিছু জানতে হলে পুরো লেখাটি শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে পড়ুন ।

১) কোষ্ঠ কাঠিন্য – পেট পরিষ্কার বা পায়খানা যদি আপনার ঠিক মত না হয়, অনিদ্রা, পরিশ্রম না করা, তবে আপনার কোষ্ঠ কাঠিন্য হয়ে থাকে । খাওয়ার খাওয়ার ফলে আপনার সমস্যা দেখা যায়, মাথা ভার হয়, অম্ল ইত্যাদি রোগ দেখা যায় । ২০ গ্রাম তুলসী পাতার রসের সাথে ৫০ গ্রাম গোলাপি ফিটকিরি গুঁড়ো করে ট্যাবলেট তৈরি করবেন । ট্যাবলেট গুলি রোদে শুকিয়ে নেবেন । সেই ট্যাবলেট গুলি সকালে ও সন্ধ্যায় একটি করে খাবেন । লঘু ও পুষ্টিকর খাবার খাবেন, গুরুপাক খাবার বেশি খাবেন না ।

২) চোখ ওঠা - চোখ ওঠা একটি সংক্রামক রোগ । ঠাণ্ডা, গরমে ঘোরা, ধোঁয়া লাগা, চোখে ধুলো বালি পড়া নানা কারনে এই সমস্যা হয় । তুলসী পাতার রসে সামান্য মধু মিশিয়ে চোখে ফোটা ফোটা করে দেওয়া যায় । তুলসী পাতার রস চোখে যদি আপনি কাজলের মত করে লাগান চোখ ওঠা ও চোখে জল পড়া ভাল হয় ।

৩) চুল পড়া ও টাক – আপনার চুল ওঠতে থাকলে তুলসী গাছের ২১ টি পাতার নেবেন, আর নেবেন আমলকী ১০ গ্রাম । ১৫-২০ মিনিট জলে ভিজিয়ে রাখুন । তারপর সেই জল চুলের গোঁড়া থেকে সারা চুলে ভাল করে লাগান । মাথা যখন নিজে থেকে শুকনো হয়ে যাবে তখন মাথা ধুয়ে নারকেল তেল লাগান । আপনার টাক পড়লে পিপুল গাছের কলি ও তুলসী পাতা একসাথে বেটে মাথায় লাগান ।

৪) দাঁতের সমস্যা – আপনার দাঁতে যদি যন্ত্রণা হয় তবে কাল মরিচ ও তুলসী পাতা বেটে ট্যাবলেট তৈরি করে যেখানে যন্ত্রণা করছে সেখানে চেপে ধরে রাখুন । দাঁতে দুর্গন্ধ হলে খাওয়ার পর ১-২ টি তুলসী পাতা চিবিয়ে খাবেন  দাঁতে পোকা হলে তুলসী পাতার রসের সঙ্গে কর্পূর মিশিয়ে তুল দিয়ে দাঁতের গোঁড়ায় লাগান।

৫) জন্ডিস – সারা দেহ হলুদ বর্ণ হয়ে যায়, দেহে রক্ত কমে গেলে এই রোগ হয় । ১০ গ্রাম তুলসী পাতার রসের সাথে ৫০ গ্রাম মুলোর রস নিন, এরপর কিছুটা গুড় মিশিয়ে খাবেন । প্রতিদিন তিনবার করে এক মাস খাবেন ।

৬) রাতকানা – তুলসী পাতার রস এক ফোটা করে চোখে নিতে পারেন  একমাস তুলসী পাতার রস খেতে হবে । মরিচ ভিজে কাপড়ে রেখে যখন দেখবেন দানা ফুলে উঠবে মরিচের ছাল তুলে নিন । দানা গুলি বেটে তুলসীর রস দিয়ে ট্যাবলেট তৈরি করে চোখে সকাল সন্ধ্যায় ঘসতে হবে । সাবধানে করবেন, চোখে জ্বালা করতে পারে ।

৭) কুষ্ঠ রোগ – কুষ্ঠ হলে তুলসীর রস অনেকদিন পর্যন্ত খান । আপনার যদি শ্বেত কুষ্ঠ হয় তাহলে, পাঁচটি তুলসীর পাতা নিয়ে প্রতিদিন সকাল, দুপুর, সন্ধ্যার আগে বেশ অনেকদিন খান । তুলসির রস ও মধু মিশিয়ে চেটে চেটে খেতে পারেন ।
৮) স্তনদুগ্ধ বৃদ্ধি – শিশুদের জন্য মায়েদের বুকে অনেক দুধের দরকা হয় । অনেক মায়েদের বুকে দুধ আসেনা বা কম আসে । এমন অবস্থায় তুলসী পাতার রস ও মকাই ১০ মিলিমিটার, অশ্বগন্ধার রস এবং শাঁস ৫ মিলিমিটার নিতে হবে । মধু মিশিয়ে এক সপ্তাহ খেতে হবে । স্তনে দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে ।   

৯) শীঘ্র পতন ও স্বপ্নদোষ – অনেক সময় দেখা যায় যে রতি মিলন কালে অনেকের তাড়াতাড়ি বীর্যপাত হয়ে যায় । এরকম দেখা গেলে তুলসী গাছের মূল সুপারির বদলে পানে দিয়ে খেতে পারেন । স্বপ্নদোষের কারনে আবার অনেকের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাত হয়ে যায় । তুলসী পাতার মূল বেটে খেলে উপকার পাবেন ।

১০) অন্যান্য – তুলসী পাতা স্নান করার আগে জলে দিয়ে রাখুন, আপনার তাহলে চর্মরোগ হবেনা । খাওয়ার জলের সাথে তুলসী পাতার রস খেলে পেটের সমস্যা হবেনা । আপনি তুলসী পাতা চিবিয়ে খেলে আপনার দাঁতের আয়ু বাড়বে, দাঁত মজবুত ও উজ্জ্বল হবে, পোকা হবেনা । তুলসী পাতার রস মালিশ করলে হাড় শক্ত হয় ।


  আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নীচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে স্বাস্থ্য লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ 

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।


বৃহস্পতিবার, ৯ মে, ২০১৯

ফুটবল ও অন্যান্য খেলার বিভিন্ন প্রশ্ন ও উত্তর গুলি কি কি ?


১) আধুনিক ফুটবল খেলার জন্ম কোথায় হয় ?
উঃ ইংল্যান্ডে ।
২) বর্তমান বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ফুটবল প্রতিযোগিতা কোনটি ?
উঃ বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা ।
৩) বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা প্রথম কবে শুরু হয় ?
উঃ ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে, উরুগুয়ে ।
৪) প্রথম কবে ১১ জন নিয়ে দল গঠন শুরু হয় ?
উঃ ১৮৭০ খ্রিস্টাব্দে ।
৫) বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা কত বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হয় ?
উঃ চার বছর অন্তর ।
৬) বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা কাদের জন্য শুরু হয় ?

উঃ দুই ফরাসি, জুলে রিমে ও হেনরি দেলনে ।


৭) ফুটবল খেলা কত সময় ধরে হয় ?
উঃ ৪৫ মিনিট করে মোট ৯০ মিনিট । ১০ মিনিট হাফ টাইম ।
৮) বিশ্বকাপ ফুটবলে পেনাল্টি স্যুট-আউট কবে থেকে চালু হয় ?
উঃ ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দে ।
৯) ভারতের ফুটবলের জনক কাকে বলে ?
উঃ নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারী ।
১০) ভারতে ফুটবল কবে চালু হয় ?
উঃ ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে ।
১১) ফিফা (FIFA )কি ?
উঃ ফেডারেশন অফ ইন্টারন্যাশনাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ।
১২) এই. এফ এ (IFA) পুরো নাম কি ?
উঃ ইণ্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ।
১৩) বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় সবথেকে বেশি গোল দাতাকে কি পুরস্কার দেওয়া হয় ?
উঃ সোনার বুট পুরস্কার দেওয়া হয় ।
১৪) ফুটবল খেলার মাঠের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কত ?
উঃ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ১০০-১১০ মিটার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ৬৪-৭৫ মিটার ।
১৫) মাটি থেকে গোল পোস্টের উচ্চতা কত ?
উঃ ৮ ফুট ।
১৬) পৃথিবীর সবথেকে বড়ো ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম কি ?
উঃ অলিম্পিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ।
১৭) প্রথম কোন দেশে অলিম্পিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয় ?
উঃ গ্রিস দেশে প্রথম অলিম্পিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয় ।
১৮) অলিম্পিকের প্রতীক কি ?
উঃ নীল, হলুদ, কালো, সবুজ, লাল এই পাঁচ রঙের তৈরি বলয় ।
১৯) অলিম্পিকের মেয়েরা কবে প্রথম অংশ গ্রহণ করেন ?
উঃ ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে, প্যারিস অলিম্পিকে ।
২০) অলিম্পিক হকিতে ভারত কোন দেশকে হারিয়ে প্রথম সোনা পায় ।
উঃ ইংল্যান্ড কে, ৩-০ গোলে হারিয়ে ।
২১) কোন অলিম্পিকে ভারতীয় ফুটবল দল সেমি ফাইনালে ওঠেছিল ?
উঃ ১৯৫৬ সালে, মেলবোর্ন অলিম্পিক ।
২২) হকির যাদুকর কাকে বলে ?
উঃ ভারতের ধ্যানচাঁদ কে ।
২৩) ভারত প্রথম কবে অলিম্পিক হকিতে সোনা পায় ?
উঃ ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে ।
২৪) বেসবল কোন দেশের জাতীয় খেলা ?
উঃ আমেরিকার ।
২৫) কোন মহিলা ক্রীড়াবিদকে পায়োলি এক্সপ্রেসবলা হয় ?
উঃ ভারতের পি. টি ঊষাকে ।
২৬) কোন খেলার পিচকে ডায়মন্ডবলে ?
উঃ বেসবল ।
২৭) দাবা খেলার বোর্ডে মোট কতগুলি বর্গক্ষেত্রকার ঘর থাকে ?
উঃ ৬৪ টি ।
২৮) একটি অলিম্পিকে সাঁতার প্রতিযোগিতায় এ পর্যন্ত ব্যক্তিগত ভাবে সর্বাধিক স্বর্ণপদক কে পান ?
উঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাইকেল ফেলপস, ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকে ১০ টি স্বর্ণপদক পান ।
২৯) প্রকৃত কমনওয়েলথ গেমস কবে শুরু হয় ?
উঃ ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে প্রকৃত কমনওয়েলথ গেমস শুরু হয় ।
৩০) ভারতে হকির শ্রেষ্ঠ প্রতিযোগিতামূলক খেলা কোনটি ?
উঃ বেটন কাপ ।
৩১) প্রথম এশিয়ান গেমস কবে, কথায় অনুষ্ঠিত হয় ?
উঃ ১৯৫১ সালে দিল্লীতে ।
৩২) ষাঁড়ের লড়াই কোন দেশের জাতীয় খেলা ?
উঃ স্পেন দেশের জাতীয় খেলা ।
৩৩) টেবল টেনিস কোন দেশের জাতীয় খেলা ?
উঃ চীন দেশের জাতীয় খেলা ।
৩৪) ভারতের সেরা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় কে ?
উঃ প্রকাশ পাডুকন ।
৩৫) গ্র্যান্ডস্লাম বিজয়ী প্রথম ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড় কে ?
উঃ মহেশ ভূপতি ।
৩৬) উড়ন্ত শিখ কাকে বলা হয় ?
উঃ ভারতের মিলখা সিং কে ।
৩৭) বিশ্বের দ্রুততম মানুষ কে ?
উঃ জামাইকার উসেন বল্ট ।
৩৮) ডেভিস কাপ প্রতিযোগিতা কোন খেলায় হয় ?
উঃ টেনিস খেলায় ।
৩৯) সবথেকে বেশিবার বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা বিজয়ী কোন দেশ ?
উঃ ব্রাজিল, মোট ৫ বার ।
৪০) ভারতের সেরা দাবা খেলোয়াড় কে ?
উঃ বিশ্বনাথন আনন্দ ।
৪১) ২০০৮ অলিম্পিকে কোন ভারতীয় খেলোয়াড় স্বর্ণ পদক পান ?
উঃ অভিনব বিন্দ্রা ।
৪২) ভারতীয় টেনিসের ম্যাজিক গার্ল কাকে বলে ?
উঃ সানিয়া মির্জাকে ।
৪৩) এশিয়ার সবথেকে বড় স্টেডিয়ামের নাম কি ?
উঃ কলকাতার যুবভারতি স্টেডিয়াম ।
৪৪) দাবা খেলার জন্ম কোথায় হয় ?
উঃ ভারতে হয় ।
৪৫) উইম্ববলডন প্রতিযোগিতা কি ?
উঃ লন টেনিস খেলার বিশেষ সন্মান জনক প্রতিযোগিতা ।
৪৬) ভারতের বর্তমানে সেরা মহিলা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় কে ?
উঃ সাইনা নেহওয়াল ।
৪৭) কলকাতা ফুটবল লিগ কবে শুরু হয় ?
উঃ ১৮৯৮ সালে ।
৪৮) প্রথম কোন ভারতীয় ইংলিশ চ্যানেল পার হন ?
উঃ মিহির সেন ।
৪৯) মাদার অফ অল গেমসকাকে বলে ?
উঃ জিমন্যাস্টিকস ।
৫০) পরবর্তী বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা কবে হবে ?
উঃ ২০২২ সালে ।
  আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । খেলা বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে খেলা লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

আমাদের আরও পোস্ট পড়ুন -
ক্রিকেট খেলার বিভিন্ন প্রশ্ন ও উত্তর গুলি কি কি ?
অলিম্পিক প্রতিযোগিতার ইতিহাস ও বিভিন্ন প্রশ্ন ও উত্তর গুলি কি কি ?.

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

বুধবার, ১ মে, ২০১৯

সুলক্ষণা নারীদের দেহের লক্ষণ ও গঠন কেমন হয় ?


  প্রতিটি পুরুষ মানুষ আশা করে যে তাঁর জীবন সাথী হবে মনের মত । অনেকে এখন বিয়ে করে নিজেরা দেখে শুনে । আজকাল প্রায় বিয়ে হয় প্রেমের কারনে । বাকি যারা বিয়ে করেন তাঁদের অভিবাভক বিয়ের দায়িত্ব নেয় । বিবাহের পর নানা কারনে সংসারে ঝগড়া, অশান্তি দেখা যায় । এখন ছেলেরা বন্ধু বান্ধব নিয়ে মেয়ে দেখতে যায় । কিন্তু আগে আগে বাড়ির বয়স্করা সাথে যেতেন । এখনকার ছেলেরা সুন্দরী মেয়ে দেখলে তাঁকে পছন্দ করে নেয়, কিন্তু বাড়ির বয়স্করা জানেন যে কোন মেয়েকে বাড়ির বৌ হিসাবে নির্বাচন করা ঠিক হবে । কারন তাঁরা জানতেন যে কোন কোন লক্ষণ দেখে মেয়ে বাছতে হয় । যদি সুলক্ষণা মেয়ে চিনতে চান তো নীচে কতগুলি লক্ষণ আলোচনা করা হল । জানতে হলে লেখাটি পুরটা শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে পড়ুন ।
  
১) প্রথমে হাঁটা চলার কথা বলি । যে মেয়েরা হেলে দুলে হাঁটে তাঁরা অহংকারী হয় । নেচে নেচে হাঁটা যাদের স্বভাব দেখবেন তাঁদের লক্ষণ ভালো হয়না । যারা পিছন দিক বাঁকিয়ে বাঁকিয়ে চলে তাঁরা নিজেদের কে সবার থেকে বড় মনে করে । হাঁটার সময় যে মেয়েদের স্তন বেশি দুলে দুলে যায় তাঁরা অসৎ প্রকৃতির হয় । হাঁটার সময় যাদের মাটিতে আওয়াজ হয় তাঁরা অল্প বয়সে বিধবা হয় ।

২) মানুষের কণ্ঠস্বরের দ্বারা আমারা তাঁর সম্বন্ধে ধারনা করতে পারি । কোকিলের মত কণ্ঠস্বর যাদের তাঁরা খুব ভালো হয় । যে মেয়েদের মোটা কণ্ঠস্বর তাঁরা অপরকে সহজে বস করতে পারে । যে মেয়েদের কণ্ঠ চার আঙুলের মত ও মাংসল হয় তাঁরা সুলক্ষণা ও সুখী হয় । বড়ো গলা ও ছোটো গলা মেয়েরা যথাক্রমে দরিদ্র ও দুঃখী হয় । যাদের গলা খুব সরু সেই সব মেয়েদের জীবনে বৈধব্য দেখা যায় ।

৩) যে সমস্ত মেয়েদের কপাল উঁচু ও ঝিনুকের মত তাঁরা খ্যাতি লাভ করে । অর্ধচাঁদ ও ছোটো কপাল যাদের সেই মেয়েরা সুলক্ষণা । বড় মাথা যে সব মেয়ের তাঁরা ঝগারাটে হয় । যাদের মাথা খুব বেশি বড় তাঁর স্বামী বা স্বামীর ভাই মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে । উঁচু ও লোম যে মেয়েদের কপালে থাকে তাঁরা অশুভ লক্ষণের হয় ।


৪) যে সব মেয়েদের মাথার চুল সামান্য কুঁচকানো ও কাল হয় তাঁরা সৌভাগ্যবতী হয় । যে সব মেয়েদের সুন্দর ও ছোটো চুল তাঁরা অনেক পুত্রের জন্ম দেয় । যে মেয়েদের শরীরে লোম থাকে তাঁরা মুখরা ও অসুখী হয় । ছোটো ছোটো লোম যাদের থাকে তাঁরা কামুক প্রকৃতির হয় ।

৫) যে সব মেয়েদের বুক বড় তাঁরা অসৎ চরিত্রের হয় । যাদের বুক নিচু ও বুকে লোম থাকে তাঁরা যথাক্রমে নির্ধন ও বিধবা হয় । যে সব মেয়েদের স্তন দুটি ঘন, সুগোল, সমান, স্থূল, উন্নত হয় তাঁরা অবশ্যই সুলক্ষণা হবে । যাদের স্তনের বোঁটা উন্নত নয় তাঁরা ভাগ্যবতী, যাদের স্তনের বোঁটা দীর্ঘ হয় তাঁরা দরিদ্র হয় । যে মেয়ের ডান স্তন উন্নত হয় সে পুত্র সন্তান ও যার বাম স্তন উন্নত সে কন্যা সন্তান জন্ম দেয় । যে মেয়ের স্তন দুটির মাঝে ফাঁক বেশি হয় তাঁরা দুঃখী হয় ।


৬) হরিণীর মতো যে সব মেয়েদের চোখ তাঁরা মনের মতো স্বামী পায় । গোল গোল চোখ যাদের তাঁরা অসৎ চরিত্রের হয় । যে সব মেয়েদের চোখ পটল চেরা তাঁরা ভাল হয় । যে সব মেয়েদের সরু ধনুকের মত ভ্রু, মাঝখানে সামান্য ফাঁকা থাকে তাঁরা সুলক্ষণা । যাদের ভ্রু অসমান তাঁরা গরিব হয় ।

৭) যে সব মেয়েদের নাক বড় বা ছোটো হয় তাঁরা ঝগড়া করতে পারে । যাদের নাক খুব সুন্দর তাঁরা সুলক্ষণা হয় । যাদের কান দুটো সমান হয় বা খুব বড় নয় আবার খুব ছোটো নয় তাঁরা সুলক্ষণা হয় । যাদের কান সোজা হয় তাঁরা খুব সচেতন মানুষ হয় । শিরা দেখা যায় যাদের কানে তাঁদের ভাগ্য ভাল হয় না ।

৮) যে সব মেয়েদের ঠোঁট দুটো সমান, পাতলা, মসৃণ, ছোটো হয় তাঁরা সুলক্ষণা । ঠোঁট যদি মোটা ও কাল হয় তাঁরা বিধবা হতে পারে । যাদের ঠোঁট দুটি সমান তাঁরা সুলক্ষণা । যাদের ঠোঁট অমসৃণ ও মাঝখানে নিচু তাঁরা দুঃখী হয় । যে সব মেয়েদের জিভ লাল তাঁরা মিষ্টি খাবার খেতে ভালবাসে ।
৯) যে সব মেয়েদের হাত গোল, সুন্দর, মাংসল হয়ে থাকে তাঁরা সুলক্ষণা হয় । যাদের হাতে লোম ও শিরা দেখা যায় তাঁরা অসুখী হয় । যাদের আঙুল বড়ো গোল গোল হয়, আগার দিকে সরু হয় তাঁরা সুলক্ষণা হয় । যাদের আঙুল রোগা তাঁরা দরিদ্র ও বিজয়ী হয় ।

১০) যে সব মেয়েদের দাঁত দেখলে মনে হয় যেন বাঁধানো দাঁত, তাঁরা সুলক্ষণা হয় । অসমান দাঁত যে সব মেয়েদের তাঁরা ভিতু প্রকৃতির হয় । সাদা ও সুন্দর দাঁত যাদের তাঁরা ভাল মেয়ে হয় । যে সব মেয়েদের পায়ের সামনের অংশ সমান, গোল তাঁরা সুখী হয় । যাদের পায়ের বুড়ো আঙুলের পাশের আঙুল বড়ো হয় তাঁরা ভাগ্যবতী মেয়ে ।

 ১১) যে সব মেয়েদের ছোটো নখ তাঁরা  সকলকে মানিয়ে নিয়ে চলে । যাদের নখ সামান্য চওড়া তাঁরা সংসারী হয় । যাদের নখ সরু তাঁদের স্বাস্থ্যের অবস্থা ভাল নয়, ভয়ে ভয়ে থাকে । 

১২) সবার শেষে বলছি মেয়েদের মুখ কেমন হবে । যে সব মেয়েদের মুখ তাঁর বাবার মতো হয় তাঁরা সুলক্ষণা ও সুখী হয় । যাদের হাসির সময় শরীর, মাথা কাপেনা । গালে টোল পরেনা, তাঁরাই সুলক্ষণা হয় । যে সব মেয়েরা কথায় কথায় হাসে তাঁরা অসৎ প্রকৃতির হয় ।

  আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । সম্পর্ক বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে সম্পর্ক লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ 

আমাদের আরও পোস্ট পড়ুন - 
আপনার ভালোবাসার মানুষ আপনাকে সত্যি ভালোবাসে কিনা বুঝবেন কিভাবে ?.
ফেসবুকে মেয়েদের মন জয় করার উপায় গুলি কি কি ?.
বিয়ে করার জন্য সঠিক ছেলে বা মেয়ে কিভাবে নির্বাচন করবেন ?.
জীবনে ধনী মানুষ হওয়ার বিভিন্ন উপায় কি কি ?.

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।