সম্পর্ক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সম্পর্ক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২০

কখন সহবাস করবেন, কখন করবেন না এবং অধিক সহবাসে কি ক্ষতি হয় ?.


দাম্পত্যে জীবনে সহবাস বা যৌন মিলনের গুরুত্ব অপরিসীম বিয়ের পর সম্পর্ককে আরও জোরদার করে তুলতে এ ব্যাপারে দুজনের বোঝাপড়াটা ঠিকঠাক হওয়া খুব দরকার সহবাসের (সেক্স) মূল উদ্দেশ্য বংশবৃদ্ধি নারী ও পুরুষের মধ্যকার নিয়মতান্ত্রিক শারীরিক মিলন সম্পর্কের মধ্যে সীমিত নারী ও পুরুষ কেবল রীতিসিদ্ধ উপায়ে বিয়ের মাধ্যমে সহবাসের অধিকার অর্জন করে ধর্মীয় দৃষ্টিতে বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক মিলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ । যে সকল নর-নারী বিবাহপূর্ব শারীরিক মিলন করেছেন তারা বিবাহ পরবর্তী যৌন জীবনে অসুখী যে সকল নর-নারী বিবাহপূর্ব শারীরিক মিলনে লিপ্ত হননি - তারা বিবাহ পরবর্তী সুখী জীবন যাপন করেন
সহবাসের আগে কি খাবেন, কি খাবেন না –
আপনি যৌন মিলনের মুডে আছেন কিনা তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করে আপনার খাদ্য শরীরের বিভিন্ন পুষ্টি পূরণে আমরা প্রতিদিন অনেক ধরনের খাবার খেয়ে থাকি এমন কয়েকটি দৈনন্দিন খাদ্য আছে যা আপনার শরীরে সেক্স পাওয়ার বাড়িয়ে দেবে বহুগুণ ব্রকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি নয়, গ্রিন  স্যালাড, শসা, মাশরুম বা টমাটো খান ডিমের সাদা অংশ চলতে পারে পিজ্জা নয়, পাস্তা খান মাংস খেলে একেবারে হালকা করে খান সহবাসের  আগে পপকর্ন খাওয়া ভাল ফ্রেঞ্চ ফ্রাই নয়,  আলু খেতে হলে সিদ্ধ খাওয়া ভাল কফি ভুলে খাবেন না, লিকার চা কে আপনার  সঙ্গী করুন আইসক্রিম খেতে পারেন, তবে তা লো ফ্যাটের হতে হবে শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান, তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার

   কখন সহবাস করবেন ও করবেন না –
প্রাপ্ত বয়স্ক একজন পুরুষ ও নারী যে কোন দিন, দিন বা রাত যে কোন মুহূর্তে সহবাস করতে পারেন । পুরুষরা সাধারণত রাতের বেলায় সেক্স এড়িয়ে চলতে চায় এ ক্ষেত্রে সকালের দিকটাকেই তারা বেছে নেয় নারীরা রাতের বেলায় সেক্স করতে আগ্রহী সহবাস করার জন্য স্বামী-স্ত্রী দুজনকে সমান আগ্রহী হতে হবে দেখা যায় যে স্বামীর সহবাসের চাহিদা আছে কিন্তু, স্ত্রীর নেই, সে সময় সহবাস করবেন না । মহিলাদের মাসিক বা ঋতুস্রাব অবস্থায় কখনোই স্ত্রী সহবাস করা উচিত না ঋতুস্রাব পবিত্র হয়ে স্নান করার আগে পর্যন্ত মহিলাদের সাথে সহবাস করবেন না  
  রক্তস্রাবের সময় মহিলাদের সর্বক্ষণ রক্ত নির্গত হওয়ার কারণে কারো কারো যৌনাঙ্গটি এক প্রকার ফোলা ও উষ্ণ থাকে কাজের ব্যস্ততা বেশি থাকলে সে সময় সহবাস করা উচিত না মাতাল অবস্থায় সহবাস না করা ভাল চিন্তা-ভাবনা ও বিচলিত থাকলে সহবাস করা উচিত না একেবারে খালি পেটে অথবা ভরপেটেও সহবাস না করা এ অবস্থায় সহবাসে পেটের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে এরফলে আপনার  টিবি, ভীতিপ্রদ রোগ, চোখের দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে চোখের দৃষ্টির রোগ , শারীরিক দুর্বলতা, কলিজা, পাকস্থলী দুর্বল তাদের জন্যও সহবাস করা ক্ষতিকর

 কতদিন পর পর সহবাস করা ভালো-
একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী যখন শারীরিক ও মানসিক দিক থেকে ফুরফুরে অবস্থায় থাকেন তখনই তাঁদের মধ্যে শারীরিক মিলন হতে পারে । মাত্রাতিরিক্ত সহবাস যেমন ক্ষতিকর আবার কম সহবাসও শরীর ও মনের পক্ষে ততটাই ক্ষতিকারক ।  প্রতিদিন সহবাস করা যাবে কিনা, করলে কি আমাদের শারীরিক কোন ক্ষতি হয় ? নতুন যারা বিয়ে করেছেন তাঁরা সুযোগ পেলেই মিলিত হতে চান । গবেষণায় উঠে এসেছে - সদ্য বিবাহিত দম্পতিরা সাধারণত মাসে ৩ থেকে ৪ বার মিলিত হন কিন্তু, যদি অন্তত পক্ষে ১১ বার মিলিত হওয়া যায় এক মাসে, তবে সদ্য বিয়ে করা দম্পতি মানসিক ভাবে অনেক বেশি সুস্থ থাকেন যে সব দম্পতি সপ্তাহে অন্তত দুবার সহবাস করেছেন তাঁদের হৃদপিণ্ড অনেক ভালো থাকে যাঁদের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছর, তাঁরা সপ্তাহে ৩ বার সহবাস করতে পারেন । যাঁদের বয়স ৩০-৪০ বছর তাঁরা সপ্তাহে ২ বার সহবাস করতে পারেন । পুরুষ ও নারীর যৌনমিলনের হার বয়সের উপর নির্ভর করে । বয়স যত বাড়ে যৌনমিলনের হার তত কমে যায় ।

সহবাসে কি উপকার –
মানসিক উৎকণ্ঠা বা স্ট্রেস থেকে আসে উচ্চ রক্তচাপ, যা হৃদপিণ্ডের পক্ষে চরম ক্ষতিকর ৷ যারা নিয়মিত সহবাস করেন, তাঁদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে । হৃদরোগের সম্ভাবনা অনেকটা কম থাকে ৷ নিয়মিত সহবাস করলে শরীরকে ফিট করে তোলে, ত্বক উজ্জ্বল করে, ওজন কমায়, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, বার্ধক্য পিছিয়ে দেয় । সেক্স করা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে, মিলিত হওয়ার বাসনা কমে যায় শরীরে উত্তেজনা লোপ পেতে শুরু করে একটা সময়ের পর আর কাম ইচ্ছা জাগে না নিয়মিত সেক্স করা শুরু করে, সেটা যদি হঠাৎ বন্ধ হয় যায়, তবে বুদ্ধি লোপ পেতে পারে সবকিছু ভুলে যাওয়ার সমস্যা তৈরি হতে থাকে মানসিক সমস্যা তৈরি হতে পারে মন খারাপ, কিছু ভালো না লাগা, অকারণে অতিরিক্ত রাগ জন্মাতে শুরু হতে পারে সেক্স করলে হৃদয় ভালো থাকে হরমোনের নিঃসরণ যথাযথ পরিমাণে হতে থাকে সেক্স করলে শরীরে রোগ-জীবাণু সহজে  প্রবেশ করতে পারেনা । শরীরে রোগপ্রতিরোধ শক্তি গড়ে ওঠে রাতের প্রথমাংশে সহবাসের দ্বারা সন্তান জন্ম গ্রহণ করলে সে সন্তান অল্প বয়সে মৃত্যুবরণ করে । রাতের শেষ প্রহরে সহবাস করার দ্বারা সন্তান জন্মগ্রহণ করলে সন্তান সুস্থ সবল ও  ধর্মভীরু হয়ে থাকে ।
 অধিক সহবাসে কি ক্ষতি হয়  -
মাত্রাতিরিক্ত কোনও জিনিসই ভালো না সুস্বাদু ও মজাদার বস্তু খাওয়ার মাঝে কখনোই অতিরিক্ত করা ঠিক নয় অধিক সহবাসে পুরুষ ও মহিলা যুবক-যুবতীরা তাদের যৌবন কালে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ না করে সহবাসের মাধ্যমে কিংবা অন্য কোনও উপায়ে অমূল্য সম্পদ নষ্ট করে ফেলে । অধিক সহবাস করলে যৌন মিলনের ক্ষমতা কমে যায় । অধিক সহবাসের কারণে গর্ভধারণের শক্তিও হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে । মাত্রাতিরিক্ত সহবাস জীবন নষ্ট করে দেয় এক সময় তাদের অবস্থা এমন হয় যে, মাথায় হাত দিয়ে কাঁদতে হয় শেষে কোনোভাবে সহবাসের জন্য বিভিন্ন ডাক্তারদের শরণাপন্ন হয়ে ওষুধের মাধ্যমে সহবাস করতে হয় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রেখে সহবাস করা উচিত, না হলে পরবর্তী জীবনে আপনি আরও বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে পারেন ।

 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে বা আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্ট টি পৌঁছেদিতে অনুগ্রহ করে শেয়ার করুণ । স্বাস্থ্য ও সম্পর্ক বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে স্বাস্থ্য ও সম্পর্ক লেখাটির উপর ক্লিক করুণ । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপনার ইমেল দিয়ে আমাদের ওয়েবসাইট টি সাবস্ক্রাইব করুন । 

অর্ডার করতে নীচের লিঙ্কে প্লিজ ক্লিক করুন।

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২০

আপনি একটি কেমন মেয়েকে বিবাহ করবেন ?.


 বিয়ে মানুষের জীবনের অন্যতম প্রধান এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ বিয়ের করার জন্য পাত্র পাত্রী নির্বাচন নিঃসন্দেহে একটি খুব কঠিন কাজ । সারা জীবনের জন্য জাকে জড়ানো হবে আপনার জীবনে তাকে নির্বাচন করাটা আর যাই হো কোন সহজ ব্যাপার নয় । খুব অল্প সময়ের মধ্যে আপনাকে জীবনের অন্যতম কঠিন সিদ্ধান্তটি নিতে হ এবং সেখানে কোন ভুল হোক এটা কোন ভাবেই কাম্য নয় বিয়ের পর নানা ধরণের অশান্তি লেগেই থাকে, এই রকম দৃশ্য আমরা অনেকের সংসারে দেখতে পাই । তখন তো আর কিছু করার উপায় থাকে না  তাই এখন আমি আপনাদের এমন কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা বলব যা সাধারণত মেয়েদের বিয়ে করার জন্য ছেলেদের কাজে লাগবে । 


) পাত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে যে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে তা হল ধার্মিকতা একটু সরল ও ধার্মিক প্রকৃতির মেয়েকে বিয়ে করুন বিবাহের ক্ষেত্রে এমন নারী নির্বাচন করবে যার মধ্যে ধার্মিকতা থাকে স্বামীর চেয়ে বেশি কারণ ধর্ম গুণ যার মধ্যে নেই সে কখনো আপনাকে সুখী করতে পারবে না সকল পুরুষের উচিৎ একটি হিন্দু বা ইসলামিক পরিবারের ধা‌‌‌র্মিক মেয়ে কে বিয়ে করা । কারণ, একটি ধার্মিক মেয়ে পারে একটি পুরুষ এর জীবনে পরিপূর্ণ শান্তি এনে দিতে ।
২) সবাই চায় যে তাঁর বউ যাতে সুন্দর এবং ভদ্র প্রকৃতির হয় । যে সব মেয়েদের মধ্যে নীরবতা এবং কোমলতা থাকে, যারা বেশিরভাগ সময় নীরব ও চুপচাপ থাকে, আস্তে আস্তে কথা বলে, অনেক নরম স্বভাবের হয় এমন মেয়েকে পছন্দ করুন আপনার খুব খুব খেয়াল রাখবে এমন একজন মেয়ে বউ হিসেবে উপযুক্ত । এমন একজনকে বউ করবেন, যে আপনাকে বুঝবে, আপনার উপর অকারণে রাগ করবে না । বউ হিসাবে সেই মেয়েই সবচেয়ে উপযুক্ত যে মেয়ে স্বামীর সঠিক সিদ্ধান্তে তার আনুগত্য প্রকাশ করে কিন্তু, স্বামী ভুল করলে তার ভুল ধরিয়ে দেয় । আপনার ভবিষ্যৎ জীবন সঙ্গীর মানবিক অনুভূতি গুলো কেমন সেটাও যাচাই করে নিতে হবে যেন তার সকল কথা আপনাকে বলতে কোন দ্বিধা না করে
) পাত্রী পছন্দের ক্ষেত্রে যে বিষয় গুলো দেখা জরুরী তার মধ্যে অন্যতম একটি মেয়ের শিক্ষা জীবন দেখা আমার মতে সর্ব প্রথম দেখতে হবে মেয়েটি সু-শিক্ষিত কিনা । সুশিক্ষায় যে মেয়ে শিক্ষিত তাকে বিয়ে করুন । তাহলে আপনার সংসার সুখের হবে । কারণ বিয়ের পর আপনার যখন সন্তান হবে, তাদের কে শিক্ষার বেপারে কিন্তু একজন মায়ের ভূমিকা সবথেকে বেশি থাকে । কারণ বাবারা সব সময় তাদের বিভিন্ন কাজ কর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকে । মা সু-শিক্ষিত হলে, তার সন্তান কেও সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারবেন । আপনি যাকে বিয়ে করে বউ করবেন, তাকে নিয়ে সারাটি-জীবন সুখে-শান্তিতে থাকবেন । আপাদের সন্তান অনেক বড় হবে, এই দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে । একেবারে মূর্খ অশিক্ষিত নারী বিবাহ না করাই উত্তম । 
 ) সুন্দর চেহারার চেয়ে সুন্দর মন আর সৎ চরিত্র বেশি জরুরি । সৎ এবং চরিত্রবান মেয়েকে বিয়ে করুন এই রূপ মানুষকে বিয়ে করলে সুখী হওয়ার সম্ভাবনা শতভাগ । যে সকল মেয়ে তাদের কথায় কাজে সৎ এবং কথা দিয়ে কথা রাখে এই রূপ মেয়েকে বিয়ের জন্য নির্বাচন করুন যে মেয়ে আপনাকে পুরাপুরি বুঝতে পারবে এবং আপনার ভালবাসার প্রতি বিশ্বস্ত থাকবে সেই মেয়ে বউ হিসেবে ভাল হবে । যে মেয়ের মা ভালো গুনের অধিকারী হয় সে মেয়ে ভাল বউ হয় ।
) দায়িত্ববান মেয়েকে বিয়ে করুন কারণ - আপনি যদি প্রেমের মাধ্যমে আপনার সঙ্গী নির্বাচন করে থাকেন, তাহলে মনে রাখবেন, বিয়ে হচ্ছে ভালোবাসার একটি সুন্দর পরিণতি । কিন্তু শুধুমাত্র ভালোবাসার সম্পর্কের কারণেই বিয়ে করা ঠিক নয় । বাস্তবতা বুঝে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে শুধু মাত্র আবেগের বশবর্তী হয়ে যদি আপনি কিছু করেন এবং তার ফলাফল যদি ভালো না হয় তাহলে তার দায়ভার শুধু মাত্রই আপনার  মনে রাখবেন, ভালোবাসার মানুষের সাথে কয়েক ঘণ্টা কাটানো আর এক ছাদের নিচে সারা জীবন কাটানো এক বিষয় নয় ভালোবাসায় বিশ্বাস আমাদের থাকতে হবে । কারণ বিশ্বাস হল ভালোবাসার মূলমন্ত্র  কারো সাথে ভালোবাসার সম্পর্ক থাকলে তাকে আগে যাচাই করে নিনবিয়ের আগে প্রেমিকার পরিবার পরিজন, তাদের পারিবারিক অবস্থা, সামাজিক অবস্থা, ইত্যাদি অবশ্যই জেনে নেবেন
) বার আসা যাক, চেহারা বা সৌন্দর্যের ব্যাপারে সুন্দর চেহারার চেয়ে সুন্দর মন আর সৎ চরিত্র বেশি জরুরি ।  মনে রাখবেন, একজন মানুষকে যদি শুধু মাত্র তার বাইরের সৌন্দর্য দিয়ে বিবেচনা করেন তাহলে আপনি মানুষ হিসেবে নিজেকে এবং সেই মানুষটিকে অসম্মান করছেন । আধুনিক সমাজে সুন্দর বলতে শিক্ষা, স্মার্টনেস, বাচনভঙ্গি, মন, মানসিকতা ইত্যাদিকে বোঝায় । তবে তার সাথে সুন্দর চেহারা হলে সোনায় সোহাগা । বিবাহের পূর্বে এ বিষয়টি খেয়াল করতে হবে যে, যাকে বিবাহ করা হচ্ছে, সে নারী বাড়ি—ঘরের কাজ, রান্না—বান্নার কাজ, ও ঘরের রক্ষণাবেক্ষণের কাজে কতটুকু করতে পারে । বিবাহের পর ঘরের যাবতীয় কাজের দায়-দায়িত্ব তাকেই নিতে হবে

৭) একইসাথে সৎ বংশের হওয়াটা খুব জরুরি । আপনি যদি সত্যি বিয়ে করতে চান - তাহলে মেয়ে দেখার পূর্বে তার জীবন বৃত্তান্ত আগে দেখুন শিক্ষাগত জীবন ও পারিবারিক জীবন দেখার পাশাপাশি সামাজিক জীবন দেখাটি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় আপনার দেখা উচিত অন্য মানুষের সাথে তার আঁচার আচরণ কেমন, বিশেষ করে ভাইবোন, বাবা মা, এবং একেবারে অপরিচিত মানুষের সাথে । কারণ পাবলিক কমিউনিকেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার তাই পাত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে পারিবারিক জীবনের বিভিন্ন বিষয় গুলো দেখা আপনার জন্য অত্যন্ত জরুরী এর সাথে তার পারিবারিক, সামাজিক এবং শিক্ষার ব্যাপারটি জড়িত থাকে কারন, তার এই আচরণ গুলি আপনার পরিবারের সদস্যদের সাথে তাকে শেয়ার করতে হবে স্ত্রী দূরের বংশের হওয়াটা বেশি উপকারী । কারণ নিকটাত্মীয় বা আপন আত্মীয়ের মধ্যে থেকে যে সন্তান জন্মগ্রহণ করে সাধারণত তারা মেধা শক্তি ও জ্ঞান গরিমায় দুর্বল হয়ে থাকে । কখনও বা বিকলাঙ্গ, বিভিন্ন জটিল রোগের শিকার হয়ে থাকে

৮) নারী অর্থ সম্পদের ক্ষেত্রে তাঁর স্বামী সমতুল্য না হোক তাতে কিছু যায় আসেনাসংসারে সুখী হতে হলে মেয়ের পরিবার কে হতে হবে ছেলের পরিবার হতে আর্থিকভাবে দুর্বল । যে মহিলা অসুস্থ থাকে, এসব মেয়েদের কে বিবাহ করলে সাংসারিক জীবনে কোনো সুখ পাওয়া যায়নাযেসব মহিলা সর্বক্ষণ সাজগোজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে বা সবসময় অশ্লীল ভাষায় কথা বলে সেই সব মহিলাকে বিবাহ করবেনা
 ৯) অপরিচিত বা অল্প পরিচিত মেয়ে বাদ দিয়ে পরিচিত মেয়ে কেই পাত্রী হিসেবে বেচে নিতে পারেন এতে আপনি বিয়ের মাধ্যমে সুখী পরিবার গঠনে অন্যদের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে থাকবেন । আপনি এটা দেখুন যে মেয়েটি সখ বসত কোন প্রাণী পুষেছে কিনা । এতে আপনি বুজতে পারবেন যে - সে আপনার পরিবারকে কতটা ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখতে পারবে
আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে বা আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্ট টি পৌঁছেদিতে অনুগ্রহ করে শেয়ার করুণ । সম্পর্ক বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে সম্পর্ক লেখাটির উপর ক্লিক করুণ । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ । আপনার ইমেল দিয়ে আমাদের ওয়েবসাইট টি সাবস্ক্রাইব করুন ।


আমাদের আর পোস্ট -
ফেসবুকে ভুয়ো বা ফেক প্রোফাইল চেনার উপায় গুলি কি কি ?.
আপনি জীবনে সাফল্য লাভ করবেন কিভাবে ?.
দেহের গঠন অনুসারে মানুষ কেমন প্রকৃতির হয় ?.
আপনি জীবনে যে ৫ টি কারনে সুখী হতে পারেন না ?
আপনার ভালোবাসার মানুষ আপনাকে সত্যি ভালোবাসে কিনা বুঝবেন কিভাবে ?.

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২০

মেয়েদের মন জয় করার বিভিন্ন উপায় কি কি ?.


 মানুষকে আপন করে নেওয়ার কলা কৌশল পৃথিবীর খুব কম মানুষই জানে ।  আমরা অনেক সময় এমন মানুষ দেখি যে – তিনি কোন একটি মেয়েকে পছন্দ করেন কিন্তু, কিভাবে তাঁর সাথে বন্ধুত্ব করবেন বা তাঁর মন জয় করবেন, সে সম্পর্কে বিশেষ কোন ধারণা তাঁর থাকেনা । দেখা যায় সে নতুন কোন মানুষের সাথে কথা বলতে ভয় পাচ্ছে, অথবা লজ্জা পাচ্ছে । তখন তিনি কোন বন্ধু বা কাছের মানুষের কাছ থেকে কিছু উপদেশ নেন । পরবর্তীতে দেখা যায় সেগুলি ফেল করে । জীবনে যে কোন কাজ করার জন্য একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতির প্রয়োজন হয় । এখন আমি আপনাদের বলবো – কিভাবে মেয়েদের মন আপনি সহজে জয় করতে পারবেন । সেই উপায় গুলি জানতে আমাদের লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন । 
 

 ১) আপনি যে মেয়ের মন জয় করতে চাইছেন প্রথমে আপনাকে আগে থেকে তাঁর সম্পর্কে ভাল করে সবকিছু জেনে নিতে হবে । পরে আপনার কোন সমস্যা না হয় তাঁর জন্য । তাঁর স্বভাব, চরিত্র কেমন । তাঁর কি কি পছন্দ, তাঁর কি ভাল লাগে, কাদের সাথে সে সময় কাটায় ইত্যাদি । যদি ভাল মেয়ে নির্বাচন করেন তাহলে আপনার জীবন সুন্দর হবে । যদি দেখেন তাঁর স্বভাব, চরিত্র ভাল না তাহলে সেদিকে না যাওয়ায় ভাল । কারণ – বিয়ের পর আপনার সারা জীবন তাঁর সাথে কাটাতে হবে । 

২) এবার আপনি যে মেয়ের মন জয় করতে চাইছেন তাঁর জন্য আপনাকে কিছু সময় খরচ করতে হবে । আপনাকে তাঁর সাথে সব সময় যোগাযোগ রাখতে হবে । সে যদি আপনার বাড়ির কাছে থাকে তাহলে তাঁর বাড়ির সামনে ঘুরতে জেতে পারেন । সে যেন তখন আপনাকে দেখতে পায় । সে বাড়ির বাইরে কোথায় গেলে আপনি তাঁর সাথে যাওয়ার চেষ্টা করুন । প্রথম কয়েক দিন এমন করবেন, তারপর দেখুন সে দিক থেকে কিছু খবর আসে কিনা ।
৩) প্রতিটি মানুষ চায় যে তাঁর ভালবাসার মানুষটি দেখতে সুন্দর হবে । আপনি যখন তাঁর সামনে যাবেন তখন সুন্দর একটি পোশাক পরবেন । সাধারণ সাজবেন, বেশি সাজার কোন দরকার নেই । যে পোশাকে আপনাকে দেখতে সুন্দর লাগবে সেই পোশাকটি পরবেন ।
৪) মেয়েদের মন জয় করার জন্য ঝগড়া, মারামারি এধরনের কাজ করবেন না । কারণ মেয়েরা এমন ছেলে পছন্দ করে না । আবার কোন একটি সম্পর্কে থাকা অবস্থায় নতুন কোন সম্পর্ক তৈরি করবেন না ।  এমন করলে মেয়েরা সে ছেলে সহ্য করতে পারেনা । কোনো মেয়ে যদি কোনো ছেলেকে পছন্দ করে থাকেন তবে তিনি তার কথায় এবং কাজে তার পছন্দ প্রকাশ করেন
৫) কথা বলার সময় তাঁর প্রশংসা করবেন । তবে মিথ্যা কথা বলে আবার প্রশংসা করবেন না । মেয়েরা মিথ্যা কথা বলা ছেলেদের কে পছন্দ করেনা । কথা বলার সময় চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন । এতে আপনি যে তার কথা মনোযোগ সহকারে শুনছেন, সেটা সে পছন্দ করবে যত বেশি সময় পাবেন তাঁর সাথে কথা বলার চেষ্টা করবেন । মানুষকে আপন করে নেয়ার আরেকটি কৌশল হচ্ছে কথা কম বলুন আর শুনুন বেশি । দুজনে এক সাথে থাকার সময় আপনাদের পছন্দের রোমান্টিক গান শুনতে পারেন । যদি তাঁর মন খারাপ থাকে তাহলে আপনি তাঁর মন ভাল করার জন্য কিছু হাসি, মজার কথা বলতে পারেন । মুড অফ, রাগ, দুঃখ, অভিমান যে ধরণের অনুভূতিই আপনার প্রেমিকা মধ্যে কাজ করুক না কেন একটু মিষ্টি সুরে আদুরে গলায় কথা বলুন এবং তাকে হাসানোর চেষ্টা করুন আপনি যদি আপনার প্রেমিকা কাছে কোনও ব্যাপারে পরামর্শ চান তবে তিনি অনেক বেশি খুশি থাকবেন

৬) কথা বলার সময় সব সময় হাসি মুখে কথা বলবেন । নরম সুরে ও সুন্দর ভাবে কথা বলবেন । নেতিবাচক বা খারাপ কোন কথা বলবেন না । মেয়েদের সামনে অন্য কোন মেয়ের কথা বলবেন না । আপনি যদি আপনার পুরনো প্রেমিকাকে ভুলতে না পারেন তবে কোনও মেয়েরই আপনাকে পছন্দ করবেন না । কখনোই এবং কোনও মতেই নিজের প্রেমিকা অন্য একজন নারীর সাথে তুলনা করবেন না আপনি তাঁকে কিছু উপহার দিতে পারেন বা বাইরে কথায়ও ঘুরতে নিয়ে জেতে পারেন । মেয়েরা সারপ্রাইজ এবং উপহার পেতে খুব বেশি পছন্দ করেন  
৭) যদি কোন মেয়ে আপনার সমান ক্লাসে পড়ে ও আপনি তাঁর মন জয় করতে চান তাহলে – আপনি তাঁকে তাঁর পড়ার জন্য সাহায্য করতে পারেন । পড়ার জন্য নোট দিয়ে, বই দিয়ে, কোন বিষয় বুঝতে অসুবিধা হলে বুঝিয়ে সাহায্য করুন । মেয়েরা রোমান্টিক কবিতা খুব পছন্দ করে । আপনি পারলে প্রতিদিন তাঁর মোবাইলে একটি করে রোমান্টিক কবিতা পাঠাতে পারেন ।

৮) মেয়েদের মন জয় করার জন্য আপনি মেয়েটির পরিবারের সদস্যদের সাহায্য করুন । আপনি যদি কোন মানুষকে সাহায্য করেন তাহলে, সে আপনার কথা অনেক দিন মনে রাখবে । তাঁর পরিবারকে সাহায্য করলে আপনি তাঁর মন সহজে জয় করতে পারবেন । মেয়েরা সেই সমস্ত ছেলেদের পছন্দ করে - যারা কোন মানুষকে সাহায্যের জন্য সহজে হাত বাড়িয়ে দেয় । যারা দু হাত ভরে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়,  মানুষ তাদের ভালোবাসে ।

 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে বা আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্ট টি পৌঁছেদিতে অনুগ্রহ করে শেয়ার করুণ । সম্পর্ক বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে সম্পর্ক লেখাটির উপর ক্লিক করুণ । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ । 
আমাদের আরও পোস্ট -
 
আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।