ইন্টারনেট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইন্টারনেট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

Youtube, Facebook, Instagram থেকে ভিডিও ডাউনলোড কিভাবে করবেন ?.


Youtube, Facebook, Instagram থেকে ভিডিও ডাউনলোড কিভাবে করবেন ?.

আজ আমি আপনাদের একটা নতুন জিনিস শেখাবো। আমরা প্রতিদিন ইউটিউব, ফেসবুকে অনেক ভিডিও দেখি। সেই ভিডিও যদি আপনি আপনার মোবাইলে গ্যালারিতে সেভ করে রাখতে চান, কিন্তু কিভাবে করবেন তার উপায় আপনি জানেন না। এখন আমি আপনাদের জানাবো কিভাবে ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এর ভিডিও ডাউলোড করে আপনি আপনার ফোনে গ্যালারিতে সেভ করবেন।

 প্রথমে বলব আপনি Youtube থেকে কিভাবে ভিডিও ডাউনলোড করবেন। তার জন্য আপনাকে যেকোন ব্রাউজার থেকে Youtube খুলতে হবে। Google Chrome হল সেরা ব্রাউজার। Youtube অ্যাপ থেকে খুললে হবে না। যে ভিডিওটি ডাউলোড করতে চান সেটা বার করুন। এবার আপনাকে ওই ভিডিওর লিঙ্ক কপি করতে হবে। তার জন্য ব্রাউজারের একেবারে উপরের দিকে ক্লিক করে লিঙ্ক কপি করে নিন। কপি করার পর কি করবেন সেটা একটু পরে বলছি।

 এবারে Facebook, Instagram থেকে যদি ভিডিও ডাউনলোড করতে চান তাহলে আপনি ওই অ্যাপ গুলো ওপেন করুন। যে ভিডিও ডাউনলোড করতে চান সেটা বার করুন। এবার দেখবেন ভিডিওর ডান দিকে তিনটি ডট চিহ্ন আছে ওখানে ক্লিক করুন। বিভিন্ন অপশন আসবে আপনি সেখানে, Coppy Link' অপশনে ক্লিক করুন।

 Youtube, Facebook, Instagram থেকে লিঙ্ক কপি তো করলেন, এবার কি করবেন। আপনাকে একটা নতুন ওয়েবসাইট খুলতে হবে, তারপর সেখানে আপনার কপি লিঙ্ক পোষ্ট করতে হবে, মানে লিঙ্ক তা সেখানে দিতে হবে । সেই ওয়েবসাইট টি হল SaveFrom.Net, এখানে ক্লিক করে খুলতে পারেন। 

 এই সাইটে ভিজিট করার পর দেখতে পাবেন এই রকম একটা ঘর। আপনি ওই ঘরের ভিতর আপনার কপি করা লিঙ্ক দিয়ে দিন। তরপর ডানদিকে অপশনে ক্লিক করুন। কিছুক্ষন পর সেই ভিডিও ডাউনলোড করার অপশন আসবে। আপনি এবার ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করে ভিডিও ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

  তার আগে ফরম্যাট ঠিক করে নিতে হবে। মানে আপনি কি ধরনের ভিডিওর কোয়ালিটি চান। HD, Standard, না সাধারণ কোয়ালিটি। যে কোয়ালিটি চান সেখানে ক্লিক করে Download অপশনে ক্লিক করুন। দেখবেন কিছুক্ষন পর আপনার ভিডিও ডাউনলোড হয়ে যাবে। 

 এবার আপনি আপনার মোবাইলে গ্যালারিতে সেই ভিডিও দেখতে পারেন। আপনি যদি চান তাহলে আপনি আপনার বন্ধুদের কাছে সেই ভিডিও শেয়ার করে দিতে পারবেন । এভাবে সেভ করলে ভিডিওটি গ্যালারীতে সব সময়ের জন্য থেকে যাবে, যতদিন পর্যন্ত আপনি একে ডিলিট না করবেন ।

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব

রবিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২১

বিনা ইন্টারনেটে ইউটিউব ভিডিও দেখবেন কিভাবে ?.


বিনা ইন্টারনেটে ইউটিউব ভিডিও দেখবেন কিভাবে ?.

 বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি এক দুর্দান্ত উপায়, যায় সাহায্যে আমি বিনা ইন্টারনেটে ইউটিউব ভিডিও দেখতে পারেন। আপনার কথাটা শুনে প্রথমে অসম্ভব মনে হতে পারে, কিন্তু না, এটা সম্ভব। কিন্তু কিভাবে এটা করবেন তা জানতে হলে পুরো লেখাটা পড়তে থাকুন।

  আগে বলে রাখি যে প্রথমে আপনাদের একটু ইন্টারনেট খরচ করতে হবে । তারপর আপনি বিনা ইন্টারনেটে ইউটিউব ভিডিও আপনি আপনার ফোনে দেখতে পারবেন, যখন খুশি যেখানে খুশি । প্রক্রিয়াটা ভালো করে দেখুন।

 প্রথমে আপনি আপনার ইউটিউব অ্যাপটি খুলুন। তারপর আপনি আপনার পছন্দ মতন ভিডিও বা সিনেমা টি ওপেন করুন । তারপর নিচের দিকে দেখবেন ডাউনলোড বলে একটা অপশন আছে । যে ভিডিও আপনি দেখতে চান নিজের ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করুন। ক্লিক করার পর ভিডিও টি ডাউনলোড হয়ে যাবে।

  ডাউনলোড হয়ে যাওয়ার পরে ভিডিও টি কোথায় খুঁজে পাবেন। তার জন্য আপনাকে নিচের ডান দিকে কোনে লাইব্রেরিতে অপশনে ক্লিক করতে হবে। এখানে ক্লিক করার পর আপনি দেখতে পাবেন বিভিন্ন অপশন। সেই বিভিন্ন অপশন গুলির মধ্যে আপনাকে বেছে নিতে হবে ডাউনলোড অপশন। সেখানে ক্লিক করুন, ক্লিক করে আপনি দেখতে পাবেন যতগুলো ভিডিও ডাউনলোড করেছেন সব ভিডিও সাজানো আছে ।

  এবার আপনি যে ভিডিওটা চালাতে চাইছেন সেটি চালাতে পারেন । তার আগে আপনি এবার ডাটা বন্ধ করে দিন । দেখবেন এবার বিনা ইন্টারনেটে ইউটিউব ভিডিও চলছে।

 তাহলে দেখলেন তো কিভাবে বিনা ইন্টারনেটে ইউটিউবে ভিডিও চালানো যায়। এর ফলে আপনি আপনার অনেক মোবাইলের ইন্টারনেট ডাটা বাঁচাতে পারবেন। একটা সিনেমা বা গান আপনি যতবার দেখবেন ততবার আপনার ডাটা খরচ হতো, কিন্তু আপনি ভিডিও ডাউনলোড করে দেখার পর আপনার একবারে ডাটা খরচ হবে । বারবারা ডাটা খরচ হবে না। তবে একটা কথা বলে রাখি সব ভিডিও ডাউনলোড অপশন আসবে না । কিছুই ভিডিও প্রিমিয়াম ভিডিও যেগুলো টাকা দিয়ে ডাউনলোড করতে হয়। আপনি চাইলে টাকা দিয়ে করতে পারেন, না হলে ওগুলো প্লে করে দেখতে পারেন।

 এরকম ব্যবস্থা শুধু ইউটিউব না আরো বিভিন্ন অ্যাপ এ পাওয়া যায়। এর মধ্যে আছে Hotstar, zee5, Voot, Sony LIV, Gaana.com, MX Player ইত্যাদি অ্যাপ। যেখানে আপনাকে ভিডিও ডাউনলোড করার জন্য আগে রিচার্জ করতে হয় । তারপর আপনি সেখানে ভিডিও ডাউনলোড করে রাখতে পারবেন এবং যখন খুশি দেখতে তে পারবেন। 

  আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টে পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। বিজ্ঞান ও ইন্টারনেট বিষয়ে আরো পোষ্ট পড়তে নীচে বিজ্ঞান ইন্টারনেট লেখার উপর ক্লিক করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। 

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

রবিবার, ৭ জুন, ২০২০

Google থেকে মাসে এক লক্ষ টাকা কিভাবে আয় করবেন?.


 টাকা-পয়সা আমাদের জীবনে একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বস্তু । বর্তমান সময়ে অনেক কিছু বদল হয়েছে প্রযুক্তির সাহায্যে । এখন আপনি নিজের বাড়িতে বসে বিনা খরচে Google থেকে মাসে এক লক্ষ টাকা বা তার বেশি টাকা আয় করতে পারবেন । কথাটা শুনে অসম্ভব মনে হলেও একেবারে সত্যি । এর জন্য আপনার তেমন কোন টাকা-পয়সা খরচ করার দরকার হবে না । প্রায় বিনা খরচে আপনি টাকা আয় করতে পারবেন । ইন্টারনেট থেকে বিভিন্ন ভাবে টাকা আয় করা যায় । এখন আমি শুধু Google থেকে কিভাবে টাকা আয় করবেন সেটি জানব । তাই আমার এই লেখাটি শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে পড়ুন ।

Google থেকে টাকা আয় করার সহজ দুটি উপায় আছে, সেগুলি হল– ১. ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করে, ২. Youtube ভিডিও আপলোড করে । এর জন্য আপনার যে সমস্ত জিনিস লাগবে সেগুলি হল – ইমেল, একটি মোবাইল বা ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ, হাইস্পিড ইন্টারনেট সংযোগ, আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, শুধু এগুলি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করলে আপনার লেখার ক্ষমতা থাকতে হবে, আপনাকে লিখতে হবে । আর You tube ভিডিও আপলোড করতে চাইলে নিজের ভিডিও বানানোর দক্ষতা লাগবে । You tube ভিডিও আপলোড করতে হলে আপনাকে নিজে ভিডিও বানাতে হবে ।

 প্রথমে বলি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করে কিভাবে টাকা আয় করবেন । তাঁর আগে আপনাকে জানতে হবে ব্লগ বা ওয়েব সাইট আসলে কি ? ইন্টারনেটে আমি, আপনি যে সমস্ত লেখা পড়ি সেই লেখা গুলি যেখানে দেখা যায়, সেগুলি কে ব্লগ বা ওয়েবসাইট বলে । আপনি যে আমার লেখা এখন পড়ছেন এটি হল আমার তৈরি করা একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট । ব্লগ ও ওয়েবসাইটের মধ্যে সামান্য পার্থক্য আছে । ব্লগ কোন ওয়েবসাইট দ্বারা তৈরি করা হয় আর, ওয়েবসাইট
Computer Program ভাষা ব্যবহার করে তৈরি করা হয় ।
 আপনি আমার মত একটি ব্লগ সহজে তৈরি করতে পারবেন । তার জন্য আপনি Blogger.com বা Wordpress.com এর মত ওয়েবসাইট গিয়ে আপনার নিজের একটি ব্লগ তৈরি করতে পারেন । আপনি এখানে পয়সা দিয়েও ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন কিন্তু, আমাদের প্রথমে ফ্রি ওয়েবসাইট থেকে তৈরি করা উচিত । কারণ, প্রথমে আপনার এবিষয়ে জ্ঞান কম থাকার জন্য বিনা পয়সায় তৈরি করে ব্যবহার করা উচিত কাজ হবেপরবর্তীতে আপনি পয়সা খরচ করে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট বানাতে পারবেন । Blogger.com থেকে সম্পূর্ণ বিনা পয়সায় ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি যায় ।
 একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য আপনি প্রথমে Google গিয়ে Blogger.com বা Wordpress.com লিখে সার্চ করলে এই ওয়েবসাইট গুলি আসবে । তারপর সেখানে গিয়ে বিভিন্ন অপশন পূরণ করতে হবে । যেমন আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর নাম কি, ভাষা কি, কোন দেশ এরকম কিছু প্রশ্ন করা হবে । সঠিক জায়গায় ঠিক কথাটা দেবেন । মাত্র ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি হয়ে যাবে । এরপর ব্লগ বা ওয়েবসাইট সেটিং ঠিক ভাবে করতে হবে । তারপর ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে Google, Bing, Yahoo বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে হবে । Google, Bing, Yahoo তে সাবমিট করলে সবাই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে Google, Bing, Yahoo সার্চ করে সহজে খুঁজে পাবে ।


 ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করার পর আপনাকে বিভিন্ন লেখা লিখতে হবে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে । আপনি যে বিষয়ে বিশেষ পারদর্শী সেই বিষয় নিয়ে লিখতে পারেন । অন্য বিষয়ে লিখতে হলে ইন্টারনেট থেকে পড়ে নিয়েও লিখতে পারেন । আপনি চাইলে আপনার কোন বন্ধু বা চেনা পরিচিতের লেখা তার থেকে পয়সা দিয়ে কিনে তার নাম লিখে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে পারেন । কিন্তু মনে রাখবেন কোন কপি করা লেখা পোস্ট করা যাবেনা । যখন আপনার ৩০-৫০ টির মত লেখা প্রকাশ করা হয়ে যাবে তখন আপনি আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট বিজ্ঞাপন দেখিয়ে পয়সা আয় করতে পারবেন । বিভিন্ন কোম্পানি দ্বারা আপনি বিজ্ঞাপন দেখাতে পারেন । বিস্তারিত নিচে আলোচনা করা হল
 Youtube ভিডিও আপলোড করে আপনি পয়সা আয় করতে পারেন । এজন্য প্রথমে আপনাকে একটি Youtube চ্যানেল তৈরি করতে হবে । You tube থেকে আপনি দেখে নিতে পারেন কিভাবে একটি You tube চ্যানেল তৈরি করবেন । তার পর আপনাকে সেই চ্যানেলে আপনার নিজের বানান বিভিন্ন ভিডিও পোস্ট করতে হবে । অন্য কারোর বানানো ভিডিও ডাউনলোড করে প্রকাশ করা যাবেনা । আপনি ও আপনার বন্ধুরা মিলে ভিডিও তৈরি করুন । বন্ধুদের কিছু পয়সা দেবেন আপনাকে সাহায্য করার জন্যযখন আপনার ১০-২০ টি বা তার বেশি ভিডিও পোস্ট করা হয়ে যাবে, তারপর বিজ্ঞাপন দেখিয়ে আপনি পয়সা আয় করতে পারবেন ।


 কিভাবে বিজ্ঞাপন দেখাবেন –
 এর জন্য আপনাকে বিভিন্ন অনলাইন বিজ্ঞাপন কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করে তবে । এদের মধ্যে সবথেকে সেরা কোম্পানি হল GoogleGoogle এর একটি বিজ্ঞাপন দেখানোর বিভাগ আছে, তার নাম হল – AdSense আপনি যখন Google সার্চ করে কোন কিছু দেখেন তার পাশে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখেন বা Youtube ভিডিও দেখার সময় বিজ্ঞাপন দেখেন এগুলি হল AdSense বিজ্ঞাপন । আপনি যখন আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট, You tube চ্যানেলে এভাবে যত বেশি মানুষকে আপনার বিজ্ঞাপন দেখাবেন আপনি তত বেশি টাকা আয় করতে পারবেন । এছাড়াও আরো বিভিন্ন বিজ্ঞাপন কোম্পানি যেমন, Media.net, Infolinks ইত্যাদি কোম্পানি আছে ।
 তারপর আপনার প্রধান কাজ হল নতুন নতুন লেখা বা ভিডিও পোস্ট করা ও যত বেশি বেশি লোক সেগুলি দেখে তার জন্য Facebook, WhatsApp মাধ্যমে আপনার বন্ধুদের কাছে শেয়ার করা । তাদেরকে বলবেন তারা যেন আবার তাদের বন্ধুদের কাছে শেয়ার করে । আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট মাসে এক লক্ষ ভিউ হলে বা আপনার You tube চ্যানেলে মাসে ১০-১৫ লক্ষ ভিউ হলে আপনি মাসে প্রায় এক লক্ষ বা তার থেকে বেশি টাকা আয় করতে পারবেন ।


 টাকা কিভাবে পাবেন –
 প্রথমে আপনাকে AdSense এর কাছে বিজ্ঞাপন পাওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে । এরপর আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট, Youtube চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেখানো শুরু হলে গেলে ইমেলের মাধ্যমে আপনাকে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করার জন্য জানানো হবে । তখন আপনি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করবেন । আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করার পর আপনার আয় করা সমস্ত টাকা আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে পাঠিয়ে দেওয়া হবে । মনে রাখবেন আপনার বয়স ১৮ বছরের বেশি হতে হবে, কম হলে আপনি টাকা আয় করতে পারবেন না । এর সমাধান হল - আপনি আপনার বাড়ির কোন ১৮ বছরের বেশি বয়স এমন সদস্যের নামে এই কাজটি করতে পারেন । তখন তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যুক্ত করতে হবে ।
 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে বা আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্ট টি পৌঁছেদিতে অনুগ্রহ করে শেয়ার করুণ । ইন্টারনেট বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে ইন্টারনেট লেখাটির উপর ক্লিক করুণ । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ   
আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৯

Google সম্পর্কে বিভিন্ন জানা অজানা কথা গুলি কি কি ?.


 আপনি কি এমন কোন মানুষ খুঁজে বের করতে পরবেন  যে ইন্টারনেট ব্যবহার  করে কিন্তু Google এর নাম শোনেনি বা Google ব্যবহার করেনি এমন মানুষ বর্তমান সময়ে খুঁজে পাওয়া যাবেনা । ইন্টারনেট থেকে যেকোনো বিষয়ে সঠিক তথ্য সহজে বের করে নেয়ার জন্য এই গুগল আজ বিশ্বে সব থেকে বেশি ব্যবহার করা হয়  কিন্তু, সবার মনে Google সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন চলে আসে, সেটি হল Google কি, Google কে বানিয়েছে, Google কি কাজ করে, কবে থেকে Google আমরা ব্যবহার শুরু করি ইত্যাদি । আজ আমি আপনাদের Google সম্পর্কে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর এই লেখাটির মধ্যে দেবো । Google সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আপনি এই লেখাটি  অবশ্যই শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে পড়বেন ।


 Google এর জনক হলেন - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন ছাত্র ল্যারি পেজ ও সার্গেই ব্রিন যখন তারা, California Stanford University তে Ph.D. করছিলেন, তখন একটি  Research Project হিসেবে গুগলের ওপরে কাজ শুরু করেছিলেন ১৯৯ এ গুগল কেবল একটি research project হিসেবে চালু করা হয়েছিল, এই Research Project টির নাম ছিল BackRub ১৯৯৮ সালে ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন গুগল প্রতিষ্ঠা হয় ।  তাদের সফলতার ফল স্বরূপ আজকে আমরা এই Google কে পেয়েছি ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন হল- একটি Web Search Engine যার উদ্দেশ্য ইন্টারনেটে থাকা বিভিন্ন লক্ষ লক্ষ তথ্য আমাদের প্রয়োজন হিসেবে সহজে এবং সঠিক ভাবে প্রদান করাঅফিসিয়ালি গুগল শব্দটির কোনও ফুল ফর্ম বা সম্পূর্ণ নাম নেই সাধারণভাবে , গুগলের পুরো নাম বা ফুল ফর্ম- Global Organization of Oriented Group Language of Earth বলে মনে করা হয় ।


 গুগল তার জন্মদিন প্রত্যেক বছর ২৭ সেপ্টেম্বর তারিখে উদযাপন করে থাকে । গুগলের আসলে ৬টি জন্মদিন আছে বর্তমানে গুগল কেবল একটি সার্চ ইঞ্জিন নয়, সে হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি ‘মাল্টি-ন্যাশনাল’ কোম্পানি । সার্চ ইঞ্জিনের বাইরে এর আরও অনেক ধরণের পণ্য বা প্রোডাক্ট মার্কেটে অনেক প্রচলিত রয়েছে গুগলের প্রধান কাজ হল - সার্চ ইঞ্জিন দ্বারা সঠিক তথ্য সহজ ভাবে প্রদান করা, তাছাড়াও গুগলের আরও অনেক উদ্দেশ্য রয়েছে গুগলের উদ্দেশ্য হল, সাধারণ মানুষের জীবনধারা বিভিন্ন  ডিজিটাল প্রোডাকস, সার্ভিস, অ্যাপ, সফটওয়ার দ্বারা আরও অনেক সহজ, সরল এবং উন্নত মানের করে তোলা এখানে কোনও কিছু সার্চ করলে ফলাফল বের করতে গুগলের সময় লাগে ১ সেকেন্ডের কম জনপ্রিয়তার দিক থেকে বর্তমানে গুগলের আশেপাশেও  অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিন নেই গোটা বিশ্বে সব থেকে বেশি ভিজিট করা গুগল ওয়েবসাইট
 গুগল হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রযুক্তি কোম্পানি এবং তাদের গুগল সার্চ ইঞ্জিনের এবং অনলাইন বিজ্ঞাপন সেবার জন্য সারা পৃথিবী বিখ্যাত গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ এবং সের্গেই ব্রিন এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম নাম দিয়েছিলেন ব্যাকরাব ২০০৪ সালের ১৯ আগস্ট গুগল পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত হয় Google এর প্রধান কার্যালয় ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেইন ভিউ শহরে অবস্থিত গুগলের হেডকোয়ার্টার 'গুগলপ্লেক্স' নামে পরিচিত গুগলের এক দিনের ইনকাম প্রায় ৬ কোটি টাকা আর সেই হিসাবে, প্রত্যেক সেকেন্ডে প্রায় ৪2,০০০ টাকা আয় করছে গুগল
গুগল হচ্ছে প্রথম বড় প্রযুক্তি কোম্পানি যারা তাদের কর্মচারীদের বিনামূল্যে খাবার পরিবেশন করে থাকে  তাছাড়াও কর্মচারীদেরকে তাদের পোষা কুকুর অফিসে নিয়ে আসতে দেয়া হয়  গুগলের সদর দপ্তরের ঘাস কাটার জন্য মেশিন ব্যবহার না করে ছাগল ব্যবহার করা হয় । ২০০১ সালে চালু করা হয় গুগল ইমেজ সার্চ । গুগল সার্চ ছারাও আর যে সমস্ত পরিষেবা প্রদান করে সেগুলি হল – গুগল ড্রাইভ, গুগল ম্যাপ, গুগল প্লে স্টোর, গুগল ট্রান্সলেট, ইউ টিউব, গুগল এডসেন্স, গি-মেল, Android অপারেটিং সিস্টেম ইত্যাদি ।
মাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । ইন্টারনেট ও বিজ্ঞান বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে ইন্টারনেট ও বিজ্ঞান লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ 

আমাদের আরও পোস্ট পড়ুন - 
আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৯

ইন্টারনেট, সার্চ ইঞ্জিন, সোশাল নেটওয়ার্কিং, ওয়েবসাইট, ব্লগ ও ব্লগার এগুলি কি ?


  আমাদের বর্তমান সময়ে টেকনোলোজির যুগে যোগাযোগের জন্য এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম হল ইন্টারনেট । এখন প্রায় প্রতিটি মোবাইল ও কম্প্যুটার ব্যবহারকারী ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন । ইন্টারনেট ব্যবহারের সাথে কতগুলি শব্দ যুক্ত হয়ে আছে । আজ আমরা এরকম কতগুলি শব্দের সাথে আপনাদের পরিচয় করাবো । জানতে হলে আমাদের লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়তে থাকুন । ইন্টারনেট বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে ইন্টারনেট লেখাটির উপর ক্লিক করুন ।

১)ইন্টারনেট – ইন্টারনেট হল একটি প্রযুক্তি । এর মাধ্যমে আপনি আপনার কম্প্যুটার বা মোবাইলের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো ব্যক্তির সঙ্গে সাথে সাথে যোগাযোগ করতে পারেন । আপনার বাড়িতে বসে বিমান, রেল, জাহাজ ইত্যাদির টিকিটের আসন সংরক্ষণ করতে পারবেন । এছাড়াও আরও বিভিন্ন কাজ ইন্টারনেটের মাধ্যমে হয়ে থাকে ।  ইন্টারনেট প্রথম আবিষ্কার করেন ইউনাইটেড স্টেট অফ আমেরিকার প্রতিরক্ষা বিভাগ । তাঁরা ১৯৬৯ সালের সেপ্টেম্বরে এটি আবিষ্কার করেন । এর মাধ্যমে সৈনিক ও বিজ্ঞানীরা একে অপরকে বিনা বাধায় তথ্য পাঠাতে পারতেন । ১৯৮৪ সালে প্রায় ১০০০ এর বেশি কম্প্যুটার ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হয় । ১৯৮০ সালে সর্বসাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহার করা শুরু করেন । ভারতে ১৯৯৫ সালে ইন্টারনেটের প্রচলন হয় । বর্তমানে লক্ষ লক্ষ কম্প্যুটার এর সাথে যুক্ত রয়েছে । ইন্টারনেট কোনও সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়না । কোনও একজন ব্যক্তি, কোম্পানি, সংস্থা এর মালিক হতে পারেনা ।

২)সার্চ ইঞ্জিন – যে সফটওয়ার প্রোগ্রামের সাহায্যে ইন্টারনেটে থাকা ওয়েবসাইট, ওয়েবপেজ, বা বিভিন্ন ফাইল অনুসন্ধান করার জন্য আমাদের সাহায্য করে তাদেরকে সার্চ ইঞ্জিন বলা হয় । আপনি যখন কোনও নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের নাম না জেনে থাকেন তখন আপনাকে অনেকগুলি লিঙ্ক দেখানো হয় । আপনি সেই লিঙ্ক গুলির মাধ্যমে আপনার পছন্দের ওয়েবসাইটে যেতে পারেন । কোনও ফাইল খোঁজার জন্য আপনাকে প্রথমে সার্চ ইঞ্জিনের টেক্সট বক্সে কিছু শব্দ লিখতে হয় । সার্চ ইঞ্জিন আপনাকে আপনার টাইপ কারে শব্দের সাথে মিল রয়েছে এমন লিঙ্ক দেখায় । এভাবে আপনি আপনার দরকারি তথ্য পেয়ে যাবেন  । আমাদের মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হল Google, এছাড়া অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন হল Bing, Yahoo, Yandex, Duckduckgo ইত্যাদি ।

আমাদের আরও পোস্ট পড়ুন - 
ফেসবুকে ভুয়ো বা ফেক প্রোফাইল চেনার উপায় কি কি ?.
৩)সোশাল নেটওয়ার্কিং – সোশাল নেটওয়ার্ক হল এমন একটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম যার সাহায্যে আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে সহজে যোগাযোগ করতে পারেন । আপনার যাদের সাথে মিলিত হওয়ার সুযোগ থাকেনা, তাদের সঙ্গে সহজে যোগাযোগ করতে পারেন । আপনি এখানে আপনার ফোটো, ভিডিও, অডিও, টেক্সট ইত্যাদি বিনা খরচে আপলোড করতে পাড়বেন । আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে কথা বলতে পারেন, ভিডিও, ফোটো, টেক্সট শেয়ার করতে পারেন । বর্তমান সময়ে গোটা বিশ্বের অনেক মানুষ এই সাইটের সাথে যুক্ত হয়ে আছেন । আপনার টাইম পাস করার জন্য এগুলি হল উপযুক্ত জায়গা । সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলির মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় হল ফেসবুক । ফেসবুক ২০০৪ সালে শুরু করা হয়েছিল । এছাড়াও অন্যান্য সাইট গুলি হল – WhatsApp, Twitter, Instagram ইত্যাদি ।


৪)ওয়েবসাইট – আমরা ইন্টারনেটে যে সব তথ্য বা ডকুমেন্ট দেখি সেগুলিকে ওয়েবপেজ বলা হয় । ওয়েবপেজে টেক্সট, ফোটো, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি থাকে । এরকম বেশকিছু ওয়েবপেজ নিয়ে তৈরি হয় একটি ওয়েবসাইট । ওয়েবসাইট বিভিন্ন প্রকারের হয় যেমন – নিউজ ওয়েবসাইট, এডুকেশন ওয়েবসাইট, বিজনেস ওয়েবসাইট, সোশাল নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইট ইত্যাদি । এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়ে থাকেন যেমন – খেলার খবর, আবহাওয়া খবর, সংবাদ, কোনও কোম্পানি বা কোনও ব্যক্তি সম্পর্কে তথ্য, আরও বিভিন্ন তথ্য । এই ওয়েব সাইটগুলি কোনও ব্যক্তি, কোম্পানি, সংস্থা বা সরকার পরিচালনা করেন । আপনি যে পেজগুলি দেখেন সেগুলি বিশেষ কম্প্যুটারে জমা থাকে, তাকে সার্ভার বলা হয় । আপনি যতক্ষণ সেই সার্ভারে থাকেন ততোক্ষণ এই পেজগুলি দেখতে পান ।


৫) ব্লগ ও ব্লগার – আমার মনে হয় আপনারা এই শব্দ দুটির সাথে তেমন পরিচিত নয় । ব্লগ হল এমন একটি অনলাইন মাধ্যম যেখানে আপনি আপনার নিজের লেখা গল্প, চিন্তাধারা, পরামর্শ ইত্যাদি সহজে প্রকাশ করতে পারবেন । আপনি এখন যে আমার এই লেখাটা পড়ছেন এটি হল একটি ব্লগ । ইন্টারনেটে এরকম অনেক ব্লগ আছে । প্রতিটি ব্লগ একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় । আর ব্লগার হল গুগলের দ্বারা বিনামূল্যে ব্লগ তৈরি করার সুবিধা প্রদানকারী পরিসেবা । ১৯৯৯ সালে এটি তৈরি হয়, ২০০৩ সালে গুগল একে কিনে নেয় । এর মাধ্যমে আপনি আমার মত আপনার নিজের ব্লগ তৈরি করতে পারবেন, আর এর মাধ্যমে আপনি পয়সা উপার্জন করতে পারবেন । যেখানে আপনি বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেখিয়ে পয়সা পাবেন ।


  আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । ইন্টারনেট  বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে ইন্টারনেট লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ   

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

ইন্টারনেটে কোনও তথ্য অনুসন্ধান করবেন কিভাবে ?.


  আমাদের বর্তমান যুগ হল আধুনিক যুগ । ধীরে ধীরে তা অত্যাধুনিক যুগের দিকে অগ্রসর হচ্ছে । বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নতির ফলে আজ আর আমাদের কাছে কোনও কিছু অজানা থাকছেনা । সমস্ত কিছু আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পেয়ে যেতে পারেন । ইন্টারনেটে কোন তথ্য অনুসন্ধান করার জন্য আমাদের প্রয়োজন হয় একটি বিশেষ সফটওয়ার, যাকে বলা হয় সার্চ ইঞ্জিন । এই সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্যে আপনি কোন তথ্য অনুসন্ধান করতে পারবেন । কয়েকটি বিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিনের নাম হল –  Google, Bing, Yahoo, Ask.com, AOL.com, Baidu, DuckDuckGo ইত্যাদি

  
  ইন্টারনেটে কোন তথ্য অনুসন্ধান করার জন্য যে সফটওয়ার বা প্রোগ্রাম কোন ওয়েবসাইট, ওয়েবপেজ বা কোন ইন্টারনেটের ফাইল সন্ধান করতে সাহায্য করে তাকে বলে সার্চ ইঞ্জিন । যখন আপনি কোন ওয়েবপেজ সার্চ করবেন তখন আপনাকে প্রথমে সার্চ ইঞ্জিনের ‘টেক্স বক্সে’ যা সন্ধান করবেন তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত কোন শব্দ বা তথ্য দিতে হবে । যেটাকে বলা হয় সার্চ টেক্স বা কি-ওয়ার্ড । এটার দরকার হয় বেশি যখন আপনি কোন ওয়েব পেজ সন্ধান করার সময় কোন নির্দিষ্ট Url জানেন না ।

  Url হল কোন ওয়েব সাইটের নির্দিষ্ট ঠিকানা । আপনার যদি Url জানা থাকে তাহলে আপনি সাথে সাথে কোন ওয়েব পেজে সহজে যেতে পারবেন । আমার ওয়েবসাইটের Url হল https://janaajana24.blogspot.com । ইন্টারনেটে তথ্যগুলি যে বিশেষ কম্প্যুটারে জমা থাকে তাকে তাকে বলে ওয়েব সার্ভার । ওয়েব ব্রাউজার হল একটি বিশেষ প্রোগ্রাম যা ইন্টারনেটে থাকা তথ্যগুলিকে সার্চ ও দেখার সুবিধা প্রদান করে । ওয়েব পেজে থাকা হাইলাইটেট টেক্স বা ইমেজকে গুলিকে হাইপার লিঙ্ক বলা হয় ।  হাইপার লিঙ্ক আন্ডার লাইন ও রঙিন হয় । ইন্টারনেটে তথ্যগুলি আমরা যে পেজে দেখি তাকে ওয়েব পেজ বলে ।

  সার্চ করার পদ্ধতি - কোন তথ্য অনুসন্ধান করার জন্য আপনাকে প্রথমে যে কোন একটা সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্য নিতে হবে । তারপর সার্চ বক্সে আপনি কি জানতে চান তার সম্বন্ধে কিছু শব্দ লিখুন । ধরুন আপনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্বন্ধে সন্ধান করতে চাইছেন, তবে আপনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  লিখবেন । এরপর সার্চ ইঞ্জিন আপনাকে সার্চ লিস্ট দেখাবে । এবার আপনি আপনার পছন্দের হাইপার লিঙ্ক-এ ক্লিক করবেন । এইভাবে অনুসন্ধান করে আপনি আপনার পছন্দমত সিনেমা, বই, খেলা রান্নার রেসিপি বা অন্য কোন আলাদা বিভাগ সন্ধান করতে পারেন ।


 গুগলের সাহায্য সার্চ করার পদ্ধতি – আমরা যখন ইন্টারনেটে কোন তথ্য সার্চ করার কথা ভাবি তখন আমাদের প্রথমে গুগলের কথা মনে পড়ে । ইন্টারনেটে তথ্য সার্চ করার জন্য গুগল সবথেকে জনপ্রিয় ও সবার কাছে পরিচিত একটি কোম্পানি । গুগল আমাদের বিভিন্ন তথ্য সার্চ করার জন্য অনেক সাহায্য করে । প্রথমে আপনাকে www.google.com যেতে হবে বা গুগল অ্যাপ খুলতে হবে । তারপর আপনি গুগলের হোম পেজ দেখতে পাবেন । এবার আপনি যা জানতে যান সেই সম্বন্ধে কিছু শব্দ টাইপ করুন বা এখন ভয়েস দিয়ে বলার সুবিধা আছে, ভয়েসে বলুন  । গুগল এবার আপনাকে আপনার দেওয়া শব্দের সাথে মিল রয়েছে এমন কিছু ওয়েব পেজ দেখাবে । আপনি আপনার পছন্দমত পেজটি বেছে নিতে পারেন, যে পেজটিতে আপনার দেওয়া তথ্যের সাথে বেশি মিল আছে । ব্যাক অপশনের দ্বারা আপনি আবার অন্য পেজ বেছে নিতে পারেন ।

  গুগলের সাহায্য ফটো সার্চ করার পদ্ধতি –  গুগল শুধু ওয়েবপেজ সার্চ করেনা, গুগল এর সাথে ইমেজ, শপিং, ম্যাপ, ন্যুজ ইত্যাদি সার্চ করে । আপনি যদি গুগলের ফটো ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনি গুগলের হোম পেজে ‘ইমেজ’ ক্লিক করবেন । এরপর আপনি কি ফটো দেখতে চান সেই সম্বন্ধে কিছু টাইপ করুন । এরপর সার্চ ক্লিক এ করুন । গুগল আপনাকে আপনার দ্বারা সার্চ করা ইমেজ বা তার সাথে সম্পর্কযুক্ত ইমেজ দেখাবে । আপনি আপনার পছন্দমত ফটোটিতে ক্লিক করুন । আপনি চাইলে ফটোটি আপনার মোবাইল বা কম্প্যুটারে সেভ করে রাখতে পারেন ।


 Youtube এর সাহায্যে আপনি আপনার পছন্দের তথ্য সম্পর্কিত ভিডিও সার্চ করতে পারেন । Youtube এখন খুব একটি জনপ্রিয় মাধ্যম । যেখানে আপনি আপনার পছন্দের তথ্য পাবেন ও আপনি নিজের ভিডিও বানিয়ে ছাড়তে পারেন ।

 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । ইন্টারনেট বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে ইন্টারনেট লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

কম্প্যুটার ভাইরাস কাকে বলে, ভাইরাস প্রতিরোধের উপায় কি কি ?.


  দশ বছরের ছোট রিয়া সে আজ তাঁর বাবার সাথে ডাক্তার বাবুর কাছে এসেছে । ডাক্তার বাবু রিয়াকে দেখে বললেন – রিয়া তোমার তো ভাইরাস থেকে জ্বর হয়েছে । তখন রিয়া বলল – ডাক্তার বাবু ভাইরাস তো মোবাইল কম্প্যুটারে হয় । ডাক্তার বাবু বললেন – এখানে ভাইরাস হল এক প্রকার জীবাণু যা আমাদের শরীরের মধ্যে প্রবেশ করে বিভিন্ন ধরণের অসুখ তৈরি করে । তাহলে মোবাইল কম্প্যুটার ভাইরাস কি ?.


 মোবাইল কম্প্যুটার ভাইরাস হল এমন একটি ঘাতক কম্প্যুটার প্রোগ্রাম বা সফটওয়ার যা কিনা আমাদের কম্প্যুটারে আমাদের অজান্তে প্রবেশ করে । প্রবেশ করার পর সাধারণত ব্যবহারকারীর কম্প্যুটারে বিভিন্ন ফাইল, হার্ড ডিস্ক, ও অন্যান্য প্রোগ্রামের ক্ষতি করে । ভাইরাস গুলি ব্যবহারকারী বোঝার আগে কম্প্যুটারে ক্ষতি করে দেয় । এরফলে কম্প্যুটারের কাজ করার ক্ষমতা কমে যায় । অনেক সময় দেখা যায় এই ভাইরাস গুলির মধ্যে মজার মেসেজ বা ছবি দেখতে পাওয়া যায় । ভুল ফলাফল প্রদান করে, গড়বড় হয়ে যায় । আপনি যদি দেখেন যে আপনার কম্প্যুটার আগের মত কাজ করতে পারছেনা, কাজে দেরি হচ্ছে, তাহলে বুজতে হবে যে ভাইরাস আক্রমণ করেছে ।


  ভাইরাস গুলি বিভিন্ন প্রকারের হয় - ফাইল ইনফেক্টর ভাইরাস - বিভিন্ন প্রোগ্রামে যে সমস্ত একজিকিউটিভ ফাইল থাকে সেগুলি নষ্ট করে দেয় । এরফলে সেই প্রোগ্রাম আর কাজ করতে পারেনা । বুট ভাইরাস - কম্প্যুটার বুট হওয়ার সময় লোড হয়ে বুটিং সমস্যা তৈরি করেন । ম্যাক্রো ভাইরাস - এক্সেল, এম,এস,ওয়ার্ড ইত্যাদি প্রোগ্রামের ক্ষতি করে । কয়েকটি ভাইরাস হল – Worm.Win32.FiyStudio.co/ Pack.Win32.Black.d

  ভাইরাস কিভাবে আসে – বিভিন্ন কারণে আমাদের কম্প্যুটার ভাইরাস আসতে পারে । আপনি যদি কোন ভাইরাস যুক্ত ফাইল খোলেন, ভাইরাস যুক্ত সফটওয়ার বা প্রোগ্রাম ব্যবহার করেন । ই-মেলের সাথে যে অ্যাটাচ করা ফাইল থাকে সেগুলি ভাইরাস থাকলে । সেই ই-মেল যদি আপনি কাউকে পাঠান তবে তাঁর কম্প্যুটার ভাইরাস আক্রান্ত হতে পারে । কোন অপরিচিত ও অ্যাটাচ করা ই-মেল খুলবেন না । কারণ অপরিচিত ই-মেলের মাধ্যমে ভাইরাস আসতে পারে । সেই ই-মেল খোলার আগে ডিলিট করবেন । কোনো সিডি, ডিভিডি, বা ইন্টারনেট থেকে ফাইল ডাউনলোড করার সময়ও আসতে পারে । যেকোন সাধারণ সাইট থেকে ফাইল ডাউনলোড করবেন না ।  যেকোনো প্রোগ্রামার তাঁর মত করে ভাইরাস বানায়, তাই ভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য সবসময় খেয়াল রাখবেন ।


 ভাইরাস প্রতিরোধের উপায় – যদি আপনার কম্প্যুটারে ভাইরাস প্রবেশ করে, ফাইল গুলিকে নষ্ট করে দেয় তাহলে খুব সমস্যা । এর প্রতিকারের ব্যবস্থা করতে হবে । এই সব সমস্যা প্রতিকারের জন্য আমাদের কাছে আছে এন্টিভাইরাস । তাহলে এন্টিভাইরাস কি ? এটি হল এক প্রকারের সফটওয়ার বা প্রোগ্রাম, যে প্রোগ্রাম ভাইরাস নষ্ট করে ফাইল গুলিকে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরত আনতে পারে । যখন কম্প্যুটারে কোনো ভাইরাস দেখতে পাওয়া যায় তখন এন্টিভাইরাস ভাইরাসকে নষ্ট করে দেয় । প্রতিদিন আমাদের পৃথিবী উন্নত হচ্ছে, আবার নতুন নতুন ভাইরাস বানান হচ্ছে । এখন বাজারে বিভিন্ন প্রকারের এন্টিভাইরাস কিনতে পাওয়া যায় ।
   আপনার যেটি ভাল লাগে আপনি সেটি ব্যবহার করতে পারেন । বিনামূল্যে এন্টিভাইরাস গুলি ট্রায়াল হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন । ফ্রী এন্টিভাইরাস দিয়ে ভাইরাস ডিলিট করা যায় না । এর জন্য পেইড এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন । কম্প্যুটারে ইন্টারনেট চালানোর আগে অবশ্যই এন্টিভাইরাস ব্যবহার করবেন । ইন্টারনেট থেকে ভাইরাস আসে । আপডেট করা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করবেন, যা নতুন নতুন ভাইরাস সহজে মোকাবিলা করতে পারে । সাধারণ কথাটা মনে রাখুন এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন, এতে আপনি সুরক্ষিত থাকবেন এবং আপনার কম্পিউটার ও সুরক্ষিত থাকবে। এবার চিন্তা না করে ইন্টারনেট চালানো যেতে পারে । কয়েকটি এন্টিভাইরাস হল – Quick Heal, Norton, AVG, Nod 32, Kaspersky, McAfee.
 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । ইন্টারনেট বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে ইন্টারনেট লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।