শনিবার, ২৫ মে, ২০১৯

ই-মেল কি, আপনি একটি সুন্দর ই-মেল কিভাবে লিখবেন ?.


    ই-মেল কথাটির পুরো নাম হল ইলেকট্রিক মেল । এটি এমন একটি ইলেকট্রিক নেটওয়ার্ক যার মাধ্যমে আপনার মেসেজ বা যে কোন ফাইল যেকোনো ব্যাক্তিকে আপনি সহজে পাঠাতে বা প্রাপ্ত করতে পারবেন । ই-মেল বর্তমান সময়ে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে  এর মাধ্যমে আপনি আপনার ব্যক্তিগত বা ব্যাবসায়িক কাজের জন্য তথ্য খুব সহজে আদান প্রদান করতে পারেন । যখন ইন্টারনেট চালু হয় তার প্রথম পরিষেবা গুলির মধ্যে ই-মেল একটি পরিসেবা । একটি ই-মেল মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে পৌঁছতে পারে । ইন্টারনেট ব্যবহার করলে আপনি এই সুবিধা পাবেন, এর জন্য আপনার কোন অতিরিক্ত টাকা খরচ হবেনা । 

  আপনি যখন একটি ই-মেল আপনার পরিচিত কাউকে পাঠান তখন সেটি তার সার্ভিস প্রোভাইডারেজমা হয়ে যায় । আপনি কোন টেক্সট, ডকুমেন্ট, অডিও, ভিডিও বা গ্রাফিক্স মেসেজ পাঠাতে পারেন । ই-মেল পাঠাতে হলে আগে আপনাকে একটি ই-মেল আই.ডি বানাতে হবে । ই-মেল আই.ডি কিভাবে বানাবেন তা আমাদের অন্য একটি পোষ্টে পড়তে পারেন । বিভিন্ন ই-মেল  সার্ভিস প্রোভাইডারআপনাকে ই-মেল পাঠানোর জন্য পরিষেবা বিনামূল্যে পরিষেবা প্রদান করে, যেমন – Gmail, Hotmail, Yahoo mail ইত্যাদি 

   একটি সুন্দর ই-মেল লেখার আগে আমাদের জেনে নেওয়া দরকার ই-মেলের বিভিন্ন অংশগুলি কি কি ? আপনি যখন নতুন একটি ই-মেল লিখবেন তখন মেসেজের বিভিন্ন অংশ দেখতে পাবেন যেমন – Front, To, Cc, Bcc, Subjectইত্যাদি ।
   Front – যিনি ই-মেলে মেসেজ পাঠাবেন এখানে তাঁর ই-মেল অ্যাড্রেস লিখতে হবে । আপনি যদি ই-মেলে মেসেজ পাঠান তাহলে এখানে আপনার ই-মেল অ্যাড্রেস লিখতে হবে ।
   To – এখানে আপনি যাকে ই-মেল পাঠাবেন তার ই-মেল অ্যাড্রেস লিখুন । যদি আপনি আপনার বন্ধুকে পাঠাতে চান তাহলে আপনার বন্ধুর ই-মেল অ্যাড্রেস এখানে লিখুন ।
   Cc – Cc পুরো নাম হল কার্বন কপি । আপনি এখানে এমন লোকের ই-মেল লিখতে পারেন যে কিনা সরাসরি আপনার সাথে যুক্ত নেই কিন্তু, আপনি চান যে সেও এই ই-মেলের একটি কপি পেতে পারে ।

   Bcc- Bcc পুরো নাম ব্লাইণ্ড কার্বন কপি । এমনটি তখন করা হয় যখন আপনি একসাথে অনেক জনকে ই-মেল পাঠাবেন কিন্তু, বাকিরা জানতে পারবেনা আপনি কাকে কাকে একি ই-মেল পাঠালেন । সেটি শুধু আপনি জানবেন ।   
   Subject - এখানে আপনি আপনার ই-মেল দ্বারা কি পাঠাবেন, কি লিখতে চাইছেন সেরা এখানে সংক্ষিপ্ত করে লিখুন ।
   সিগনেচার – এখানে আপনি প্রতিটি ই-মেলের শেষে আপনার নাম, প্রিয় বাক্য বা আপনার ই-মেল অ্যাড্রেস দিতে পারেন ।  
     একটি সুন্দর ই-মেল লেখার নিয়ম
১) ই-মেল পাঠানোর আগে সবার প্রথমে বানান ঠিক আছে কিনা ভাল করে দেখে নিন । কিছু ই-মেল প্রোগ্রাম বানান সঠিক হল কিনা দেখার সুবিধা দেয়, আপনি সেটা দিয়ে বানান পরীক্ষা করে নিতে পারেন । তারপর ই-মেল পাঠান ।
২) লেখাটি হবে সরল ও সাদাসিধে । আপনি কি বলতে চাইছেন সেটি যেন অবশ্যই থাকে । লেখাটি ছোট, স্পষ্ট ও সংক্ষিপ্ত করবেন । লেখা সম্পূর্ণ হলে কিছু ভুল থাকলে দেখে নিন ।

৩) বড় হাতের লেখা দিয়ে সব শব্দ লিখবেন না । শব্দের প্রথম অক্ষরটি বড় হাতের ও পরের গুলো ছোট হাতের করতে হবে । সব বড় হাতের অক্ষর হলে পড়তে সবার বিরক্ত লাগবে ।
৪) ই-মেল পাঠানোর আগে যাকে পাঠাচ্ছেন তার ই-মেল অ্যাড্রেস ঠিক লেখা হয়েছে কিনা দেখে নিন । যদি ভুল অ্যাড্রেস লেখেন তাহলে আপনার তথ্য অন্য লোকের কাছে চলে যাবে ।
৫) আপনাকে কেউ ই-মেল করলে যতটা সম্ভব তাড়াতাড়ি উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবেন । কেননা যে আপনাকে ই-মেল পাঠিয়েছে সে আপনার উত্তরের আশায় বসে থাকবে । যদি উত্তর না দেন তাহলে আপনার সম্বন্ধে খারাপ ধারনা মানুষের তৈরি হবে ।

৬) তাড়াতাড়ি করে টাইপ করবেন না, সময় দিয়ে মাথা ঠাণ্ডা করে লেখার চেষ্টা করুন । তা না করলে আপনার বানান ভুল হতে পারে । আবার তাড়াতাড়ি করতে গিয়ে এক জনকে পাঠাতে গিয়ে অন্য জনের কাছে পাঠিয়ে দিলেন, তখন কি হবে ।
৭) যখন আপনি অন্য কারোর ই-মেল ফরোয়ার্ড করে আরেক জনকে পাঠাবেন তখন সেটা পুরো দেখে নেবেন । পুরোটা না পাঠিয়ে যতটা দরকার ততটা পাঠান ।
৮) মজা করার জন্য আপনি Smileys  ব্যাবহার করবেন । এর মাধ্যমে আপনি আপনার বক্তব্যের সঠিক অর্থ বোঝাতে পারবেন । আপনারা ফোনে কথা বলার সময় কণ্ঠস্বর দিয়ে মজা করেন, ই-মেলে মজা করতে হলে Smileys ব্যবহার করুন 
৯) শেষে বলি যখন পাঠাবেন তা আগে থেকে লিখে রাখুন । ইন্টারনেট বন্ধ করে অফ লাইনে লিখে রাখবেন । ইন্টারনেট খরচ বাঁচবে । যখন ই-মেল পাঠাবেন তখন ইন্টারনেট যোগ করুন । অচেনা ই-মেল খোলার আগে সেটি ভাল করে দেখে নিন, ভাইরাস বা অন্য কিছু থাকতে পারে । সবাইকে একসাথে পাঠান, তাতে আপনার সময় খরচ কম হবে ।

   আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । ইন্টারনেট বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে ইন্টারনেট লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

ভারতের লোকসভা নির্বাচন ২০১৯ ভারত ও পশ্চিমবঙ্গের ফলাফল.


   আবার মানুষের বিপুল সমর্থন নিয়ে ভারতের প্রধাম মন্ত্রী নির্বাচিত হতে চলেছেন নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী । নিজের জনপ্রিয়তা কমার বদলে বিপুল সমর্থন পেয়ে আবার তিনি ভারতের দ্বিতীয় বারের জন্য প্রধান মন্ত্রী হতে চলেছেন । মোদী হলেন ভারতের তৃতীয় প্রধান মন্ত্রী, যিনি পর পর দুবার প্রধান মন্ত্রী হলেন, একক সংখ্যা গরিষ্ঠ নিয়ে । পাঁচ বছর আবার আমরা তাঁকে প্রধান মন্ত্রী হিসাবে দেখতে পাব ।

   গত লোকসভা নির্বাচনে মোদী ঝড় ছিল চোখে পড়ার মত, এবারে সাধারণ ভাবে সেই ঝড় চোখে না পড়লেও, বিজেপি আশা করেছিল যে তারা ৩০০ টির মত আসন পাবে । বিভিন্ন সংথ্যার যে বুথ ফেরত সমীক্ষা তা মিলে গেল বলা যায় । বিরোধী শিবির যে আশা করেছিল তাঁরা আবার ভাল ফল করবে তা আর হলনা । কয়েক মাস আগে দেশের তিনটি রাজ্য গুলিতে বিজেপি হারের সম্মুখিন হয়েছিল সেই তিন রাজ্যে বিজেপি আবার বিপুল আসন পেয়েছেন । ৩০ মে হবে মোদীর শপদ গ্রহন । বিরোধিরা মানলেন তাঁদের নিজেদের ব্যর্থতা ভারতের অধিকাংশ জায়গায় বিজেপি ভাল ফল করেছে । নোটবন্দি, গি.এস.টি, তিন তালাক বিল কোন প্রভাব ভোটের বাক্সে পড়তে দেখা গেলনা । উত্তর প্রদেশের আমেঠি কেন্দ্রে কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী পরাজিত হয়েছেন । এর পর তিনি কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ঘোষণা করবে বলে শোনা যাচ্ছে । কংগ্রেসের এই পরাজয়ের পর দলের মধ্যে থেকে অনেকে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে ধরেছেন । হারের পর রাহুল বিজেপির স্মৃতি ইরানিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ।
ভারতে মোট আসন – ৫৪২/৫৪৩ টি, এন.ডি.এ – ৩৫২, উই.পি.এ – ৯৫, অন্যান্য – ৯৫,
পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা নির্বাচনের  ৪২ টি আসনের ফলাফল  --
  পশ্চিমবঙ্গে ভোটের হাওয়া বি.জে.পির পক্ষে অনেকটা ভাল বলা যায় । যেখানে তাঁদের মাত্র ২ টি আসন ছিল তা বেড়ে হয়েছে ১৮ বাম ও কংগ্রেসের অবস্থান প্রায় মুছে গেছে । কংগ্রেস ২ টি আসন পেলেও বামফ্রন্ট কোন আসন পাইনি । মাঠে ময়দানে নেবে কাজ করার জন্য দলীয় কর্মী নেই, সেই কারনে লোকসভা ভোটে প্রায় মুছে গেছে বামফ্রন্ট । কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এমন রিপোর্ট দিতে চলেছে বামফ্রন্ট । শাসক তৃণমূলের ভোট কমার লক্ষন পরিস্কার দেখা গেছে । এখন সব জায়গায় তৃণমূলের প্রধান পতিপক্ষ হল বিজেপি ।  বিজেপির প্রাপ্ত ভোটের শতাংশ এবারে দ্বিগুণের থেকে বেশি । বাংলার মিডিয়াতে আলোচনার প্রধান বিষয় ছিল যে বিজেপি কি বাংলায় তৃণমূলে ফাটল ধরাতে পারবে ? শাসক দল যে ৪২ সে ৪২ টি আসনের কথা বলে ছিল তা আর পূরণ করা হলনা । উত্তরে বিজেপির জয় জয়োকার । ঘাসফুল রাজ্যের উত্তরে প্রায় শূন্য হয়ে গেল । আবার এদিকে কানা ঘুষো হচ্ছে যে – তৃণমূলের যে বিধায়করা বিজেপিইর সাথে যোগাযোগ রেখেছেন তারা কি বিধান সভা ভোটের আগে দলে যোগ দেবেন ? রাজ্যে যে বিধান সভার উপনির্বাচন ছিল সেখানেও তৃণমূলের খারাপ ফল । মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায় তার বক্তব্যে বলেছেন – ‘ বিজয়ীদের অভিনন্দন, সব পরাজিতরাই পরাজিত নন । পুরনাঙ্গ পর্যালোচনা করে আমাদের মতামত জানাব । আগে গননা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হোক এবং ভিভিপ্যাড মিলিয়ে দেখা হোক’ ২০২১ তে রাজ্যে বিধান সভার ভোট, তাতে বিজেপি সর্বশক্তি দিয়ে লড়ার অক্সিজেন পেয়ে গেল । নিজেদের ক্ষমতা বাংলায় কিভাবে ধরে রাখবে এখন এটাই তৃণমূলের কাছে চিন্তার কারন । যে সিঙ্গুর আন্দোলনের জন্য ক্ষমতায় আসতে পেরেছিল তৃণমূল, সেই সিঙ্গুরে শিল্পের দাবিতে মিছিল করলেন মানুষ । দল বিরোধী কথা বলার অভিযোগে তৃণমূল মুকুল রায়ের ছেলে শুভাংশু রায় কে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করেছে । ২০২০ তে রাজ্যে পৌরসভার ভোট । তৃণমূলের হেভিওয়েত নেতা দীনেশ ত্রিবেদি হারলেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া অর্জুন সিং এর কাছে । কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগ দেওয়া মৌসম বেনজির নূর বিজেপির খগেন মুরমুর কাছে পরাজিত হলেন ।  এদিকে ভোট পরবর্তী হিংসা অনেক জায়গায় দেখা গেছে । চাকদহে বিজেপি কর্মী খুনের অভিযোগে কিছুক্ষণ রেল অবরোধ করা হয় ।  গণ্ডগোল এড়াতে বাড়তি সতর্কতা নিয়েছে রাজ্য পুলিস । কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক অজয় নায়েক মনে করেন – পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন পরিচালনা বিহারের থেকেও শক্ত ।
বাংলার আসন – ৪২, তৃণমূল – ২৪, বিজেপি – ১৮, কংগ্রেস – ২ , বামফ্রন্ট – ০
  কেন্দ্র   ---     জয়ী  পার্থী   ---    দল
১) দার্জিলিং – রাজু সিং বিস্তা – বিজেপি
২) জলপাইগুড়ি – জয়ন্ত রায় – বিজেপি  
৩) কোচবিহার – নিশীথ প্রামানিক – বিজেপি  
৪) আলিপুরদুয়ার – জন বারলা – বিজেপি
৫) রায়গঞ্জ – দেবশ্রি চৌধুরী – বিজেপি
৬) বালুরঘাট – ডঃ সুকান্ত মজুমদার – বিজেপি  
৭) মালদহ উত্তর – খগেন মুরমু – বিজেপি
৮) মালদহ দক্ষিণ – আবু হাসেন খান চৌধুরী – কংগ্রেস  
৯) জঙ্গিপুর - খলিলুর রহমান - তৃণমূল কংগ্রেস
১০) মুর্শিদাবাদ - আবু তাহের খান - তৃণমূল কংগ্রেস
১১) বহরমপুর – অধির রঞ্জন চৌধুরি - কংগ্রেস
১২) কৃষ্ণনগর - মহুয়া মৈত্র - তৃণমূল কংগ্রেস
১৩) রানাঘাট – জগন্নাথ সরকার – বিজেপি
১৪) বর্ধমান পূর্ব - সুনীল মণ্ডল - তৃণমূল কংগ্রেস
১৫) বর্ধমান-দুর্গাপুর – এস.এস আলুয়ালিয়া - বিজেপি
১৬) আসানসোল – বাবুল সুপ্রিয় - বিজেপি
১৭) বোলপুর - অসিত মাল - তৃণমূল কংগ্রেস
১৮) বীরভূম - শতাব্দী রায় - তৃণমূল কংগ্রেস
১৯) বনগাঁ – শান্তনু ঠাকুর – বিজেপি
২০) ব্যারাকপুর – অর্জুন সিং  – বিজেপি
২১) হাওড়া - প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় - তৃণমূল কংগ্রেস
২২) উলুবেড়িয়া - সাজদা আহমেদ - তৃণমূল কংগ্রেস
২৩) শ্রীরামপুর - কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় - তৃণমূল কংগ্রেস
২৪) হুগলি – লকেট চ্যাটার্জি – বিজেপি
২৫) ঘাটাল - দীপক অধিকারী -  তৃণমূল কংগ্রেস
২৬) আরামবাগ - অপরূপা পোদ্দার - তৃণমূল কংগ্রেস
২৭) তমলুক - দিব্যেন্দু অধিকারী - তৃণমূল কংগ্রেস
২৮) কাঁথি - শিশির অধিকারী - তৃণমূল কংগ্রেস
২৯) ঝাড়গ্রাম – কুয়ার হেমব্রম – বিজেপি
৩০) মেদিনীপুর – দীলিপ ঘোষ – বিজেপি
৩১) পুরুলিয়া – জ্যোতির্ময় মাহাত – বিজেপি  
৩২) বাঁকুড়া – সুভাষ সরকার - বিজেপি
৩৩) বিষ্ণুপুর – সৌমিত্র খাঁ – বিজেপি
৩৪) দমদম  - সৌগত রায় - তৃণমূল কংগ্রেস
৩৫) বারাসত  - কাকলি ঘোষ দস্তিদার - তৃণমূল কংগ্রেস
৩৬) বসিরহাট - নুরসরত জাহান - তৃণমূল কংগ্রেস
৩৭) জয়নগর - প্রতিমা মণ্ডল - তৃণমূল কংগ্রেস
৩৮) মথুরাপুর  - চৌধুরী মোহন জাটুয়া - তৃণমূল কংগ্রেস
৩৯) ডায়মন্ডহারবার - অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় - তৃণমূল কংগ্রেস
৪০) যাদবপুর - মিমি চক্রবর্তী - তৃণমূল কংগ্রেস
৪১) কলকাতা দক্ষিণ - মালা রায় - তৃণমূল কংগ্রেস
৪২) কলকাতা উত্তর - সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় - তৃণমূল কংগ্রেস


 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নীচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । খবর বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে আপনার বাম পাশে সময় লেখাটির উপর ক্লিক করুন । ধন্যবাদ ।

রবিবার, ১২ মে, ২০১৯

প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের বিভিন্ন প্রশ্ন ও উত্তর গুলি কি কি ?


১) এশিয়ার আলো কাকে বলে গৌতম বুদ্ধকে ।
২) অজন্তার গুহাচিত্র কোন আমলে তৈরি গুপ্ত আমলে ।
৩) সন্ধ্যাকর নন্দী নিজেকে কি বলতেন কলি যুগের বাল্মীকি ।
৪) উত্তর ভারতে শেষ হিন্দু রাজা কে ছিলেন হর্ষবর্ধন ।
৫) গৌতম বুদ্ধ কোন গ্রামে মহাপরি নির্মাণ লাভ করেন কুশিনারা গ্রামে ।
৬) বাংলার প্রথম নির্বাচিত রাজা কে ছিলেন গোপাল ।
৭) কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রকোন বিষয় নিয়ে লেখা রাষ্ট্রবিজ্ঞান ।
৮) কোন গুপ্ত সম্রাট মহেন্দ্রদিত্যউপাধি পান কুমার গুপ্ত 
৯) ভারতে কোন সম্রাট প্রথম পশু চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন সম্রাট অশোক ।


১০) চারণ কবি মুকুন্দ দাশের আসল নাম কি মহেশ্বর দে ।
১১) মহাবীরের কোথায় মৃত্যু হয় পাবা নগরীতে ।
১২) সমুদ্র গুপ্তের আরেক নাম কি কাচ ।
১৩) কোন আমলে সতীদাহ প্রথার উদ্ভব হয় গুপ্ত যুগে ।
১৪) শিখ কথাটির অর্থ কি শিষ্য ।
১৫) লালন ফকির কে ছিলেন বাংলার একজন বাউল কবি ।
১৬) চিনে কবে মুদ্রণ শিল্পের আবিষ্কার হয় ৫৯৩ খ্রিস্টাব্দে ।

১৭) কুষাণ আমলে মুদ্রায় কোন দেবতার মূর্তি পাওয়া যায় শিব ।

১৮) গুপ্ত রাজ পরিবারের প্রতীক কি ছিল বিষ্ণুর বাহন গরুড় ।

১৯) লালন ফকিরের জীবনী প্রথম কে রচনা করেন বসন্ত কুমার পাল ।
২০) সর্ব প্রথম কে অশোকের শিলালিপি পাঠোদ্ধার করেন ঐতিহাসিক প্রিন্সেপ ।
২১) বৈদিক সমাজে ভিত্তি কি ছিল পরিবার ।

২২) মথুরার শিল্পকলা কোন সময়ে জনপ্রিয়তা লাভ করে কুষাণ

 যুগে ।
২৩) চাচানামাগ্রন্থ থেকে কোন সময়ের কথা জানা যায় সুলতানি যুগ ।
২৪) মহাকবি কালিদাস কোন সময়ের কবি গুপ্ত যুগের কবি ।
২৫) দান সাগরঅদ্ভুত সাগরবই দুটি কার রচনা সেন রাজা বল্লাল সেনের ।
২৬) কোন পল্লব রাজাদের আমলে মহাবলী পুরমের রথ মন্দির তৈরি হয় নরসিংহ বর্মণের আমলে ।
২৭) দেবী চন্দ্রগুপ্তমনাটকটি কার লেখা বিশাখ দত্তের ।
২৮) মেগাস্থিনিস কোন দেশের মানুষ ছিলেন গ্রীস ।
২৯) কোন গুপ্ত সম্রাট গ্রহণ পরিমোক্ষনীতি গ্রহণ করেছিলেন সমুদ্র গুপ্ত ।
৩০) ইতিহাসে কারা শ্রেনিককণিকনামে পরিচিত বিম্বিসার ও অজাতশত্রু ।



৩১) গুপ্ত যুগে একজন বৌদ্ধ দার্শনিকের নাম কি বসুবন্ধু ।
৩২) হাতিগুম্ফা লিপি থেকে কোন রাজার কথা জানা যায় কলিঙ্গ রাজ খারবেল ।
৩৩) জুনাগড় লিপি কার সময়ে রচিত হয় শক সম্রাট রুদ্র দামনের সময় ।
৩৪) দক্ষিণ ভারতের অধিবাসীরা কোন জাতির বংশধর দ্রাবিড় জাতির ।
৩৫) দীপবংশমহাবংশকোন ধর্মের ধর্ম গ্রন্থ বৌদ্ধ ধর্মের ।
৩৬) গুপ্ত যুগের শ্রেষ্ঠ আয়ুর্বেদিক পণ্ডিত কে চরক ।
৩৭) চালুক্যদের রাজধানী কোথায় ছিল বাতাপি ।
৩৮) শৈলেন্দ্র রাজাদের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি কি ছিল বরবুদুরের বৌদ্ধ স্তূপ ।
৩৯) সপ্তগ্রাম কীজন্য বিখ্যাত ছিল বিখ্যাত বন্দর ।
৪০) বুদ্ধদেবের প্রতিমূর্তি প্রথম কোন শিল্প শৈলীতে তৈরি হয়েছিল গান্ধার শিল্প শৈলীতে ।

আরো পড়ুন -
৪১) মৌর্য প্রাসাদ কি দিয়ে তৈরি হয়েছিল কাঠ দিয়ে ।
৪২) পাল যুগে বাংলায় কোন ধর্মের প্রাধান্য ছিল বৌদ্ধ ধর্মের ।
৪৩) গোপুরমকি চোল যুগে মন্দিরের তোরণ ।
৪৪) চর্যাপদ কোন যুগের রচনা পাল যুগের ।
৪৫) ত্রিপিটক কোন ভাষায় রচিত পালি ভাষায় ।
৪৬) নন্দ বংশ কে ধ্বংস করেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ।
৪৭) হর্ষবর্ধন কোথায় ধর্মসভা আহ্বান করেন কনৌজে ।
৪৮) আইহোলের বিষ্ণু মন্দির কোন সময়ে তৈরি চোল বংশের আমলে ।
৪৯) ভারতের ভূখণ্ডকে কারা হিন্দআখ্যা দিয়েছিলেন পারসিকরা 
৫০) গুপ্তাব্দ কে প্রচলন করেন প্রথম চন্দ্রগুপ্ত ।



৫১) সমুদ্র গুপ্তের মায়ের নাম কি কুমার দেবী ।
৫২) চন্দ্রগুপ্তের মৌর্যের মায়ের নাম কি মুরা ।
৫৩) বিন্দুসার কোন উপাধি নিয়েছিলেন অমিত্রঘাত ।
৫৪) পতঞ্জলি কে ছিলেন ব্যাকরণবিদ ।
৫৫) শিশুনাগ কাকে হত্যা করে মগধের সিংহাসনে বসেন নাগদশক কে ।
৫৬) শীলভদ্র কোন বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন নালন্দা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ।
৫৭) সঙ্গম বংশের প্রথম শাসকের নাম কি হরিহর ও বুক্কু ।
৫৮) সম্রাট অশোক কোন বৌদ্ধ ভিক্ষুকের কাছে দীক্ষানেন উপগুপ্ত ।
৫৯) চোল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজার নাম কি রাজেন্দ্র চোল ।
৬০) মৌর্য সাম্রাজ্যের পাটলিপুত্র নগরের পৌরসভা শাসনের সর্বাপেক্ষা মূল্যবান উৎস কি অর্থশাস্ত্র ।
৬১) মেহেরগড় সভ্যতা কে আবিষ্কার করেন ফরাসি প্রত্নবিদ জেন ফ্রাসোয়া জারেজ ।
৬২) মহাভাস্যের রচয়িতা কে পতঞ্জলি ।
৬৩) গৌরবাহরচয়িতা কে বাকপতিরাজ ।
৬৪) মান সিংহের বাবার নাম কি রানা ভগবান দাস ।
৬৫) ভারতে সর্বশ্রেষ্ঠ ইন্দো-গ্রীক রাজা কে ছিলেন মিনান্দার ।
৬৬) পাণ্ডু রাজার ঢিপিকোন যুগের চিহ্ন তাম্র-প্রস্তর যুগের ।
৬৭) কত সালে হরপ্পায় খনন কাজ শুরু হয় ১৯২৯ সালে ।
৬৮) কোন গ্রীক দূত বৈষ্ণব ধর্ম নেন হোলিওডরাস ।
৬৯) পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের নির্মাণ কাজ কোন রাজা শুরু করেছিলেন রাজা অনন্তবর্মন ।
৭০) সেন বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা কে লক্ষণ সেন ।


৭১) বৌদ্ধদের উপাসনা স্থলকে কি বলে মঠ বা বিহার ।
৭২) শশাঙ্কের রাজধানী কোথায় ছিল কর্ণসুবর্ণে ।
৭৩) হর্ষচরিত কে রচনা করেন বাণভট্ট ।
৭৪) বিক্রমশীলা মহাবিহার কে নির্মাণ করান ধর্মপাল ।

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।