সোমবার, ২ মার্চ, ২০২০

দয়ার সাগর ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বাংলা জীবনী .


  ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বর্তমান মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে ১৮২০ খ্রিস্টাব্দে ২৬ শে সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন । তাঁর পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, মাতার নাম ভগবতী দেবী । ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আসল নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, বিদ্যাসাগর হল তাঁর উপাধি ঊন বিংশ শতকের এক বিরাট পণ্ডিত মহান সমাজ-সংস্কারক ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর  শৈশব কাল থেকে তিনি ছিলেন খুব মেধাবী । পাঁচ বছর বয়সে ঈশ্বরচন্দ্রকে গ্রামের পাঠশালায় পাঠানো হয় মাত্র নয় বছর বয়সে পথের ধারে মাইল স্টোনে ইংরেজি সংখ্যা দেখে তিনি চিনে নিতে শিখেছিলেন । এই ঘটনা তাঁর অসাধারণ স্মৃতিশক্তি ও প্রতিভার পরিচয় প্রদান করে ।

 বিদ্যাসাগর মশাই অল্প বয়সে বাবার সাথে কলকাতায় চলে আসেন অনেক কষ্টের মধ্য দিয়ে তিনি কলকাতায় লেখাপড়া শিখেছিলেন । ১৮২৮ সালের ডিসেম্বর মাসে তাঁকে কলকাতার একটি পাঠশালায় এবং ১৮২৯ সালের জুন মাসে সংস্কৃত কলেজে ভর্তি করানো হয়  কলকাতার সংস্কৃত কলেজে তিনি পড়াশুনা করেনতিনি দু-বছর ওই কলেজে ব্যাকরণ, সাহিত্য, অলঙ্কার, বেদান্ত, ন্যায়, তর্ক, জ্যোতির্বিজ্ঞান, হিন্দু আইন এবং ইংরেজি বিষয়ে অধ্যয়ন করেন তেলের অভাবে রাতে রাস্তার আলোর নিচে তিনি পড়াশোনা করতেন । দিনের বেলা বিভিন্ন কাজ যেমন – বাজার করা, রান্না করা, বাসন মাজা ইত্যাদি করতে হত । এতো কিছু কাজ করার পরে তিনি কলেজে পড়তে যেতেন । এতো কষ্টের পরে তিনি পরীক্ষায় ভাল ফল করতেন । শিক্ষায় উল্লেখযোগ্য সাফল্যের জন্য স্কলারশিপ অর্জন করেছিলেন ১৮৪১ সালে তিনি সংস্কৃত নিয়ে পাস করেন মাত্র একুশ বছর বয়সে তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন ।

 ১৮৪১ সালের ডিসেম্বর মাসে সংস্কৃত কলেজ ত্যাগ করার অল্প পরেই তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা ভাষার প্রধান পণ্ডিতের পদ লাভ করেন ১৮৫০ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি সংস্কৃত কলেজের সাহিত্যের অধ্যাপক পদ লাভ করেন এবং পরের মাসে ওই কলেজের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন অধ্যক্ষ হিসেবে তিনি কলেজের অনেক সংস্কার করেন তিনি কলেজে পড়ার জন্যে নামেমাত্র বেতন চালু করেন এবং প্রতিপদ ও অষ্টমীর বদলে রবিবার সাপ্তাহিক ছুটি চালু করেন ইংরেজি ভাষা শেখাকে তিনি বাধ্যতামূলক করেন এবং ইংরেজি বিভাগকে উন্নত করেন বাংলা শিক্ষার ওপরও তিনি জোরসংস্কৃত-শিক্ষার প্রসারের জন্য তিনি সংস্কৃত কলেজে -ব্রাহ্মণ শ্রেণির ছাত্রদের ভর্তির ব্যবস্থা করেন
 বিদ্যাসাগর ছিলেন সাহসী, ধার্মিক ও সত্যবাদী । সমাজের সমস্ত স্তরের মানুষ তাঁকে সম্মান করতেন ।  ভারতের বড়লাট ও ছোটলাট তাঁকে রাজার মত সম্মান করতেন । তিনি এতো বড় পণ্ডিত হলেও তাঁর পোশাক ছিল নিতান্ত সাধারণ । একটি চাদর, পায়ে বিদ্যাসাগরী চটি, এই ছিল তাঁর পোশাক শিক্ষা সংস্কার, আধুনিক শিক্ষার প্রচলন, নারী শিশুশিক্ষার বিস্তার ইংরেজি শিক্ষার প্রসারে বিদ্যাসাগরের সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন । স্ত্রীশিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে তিনি রাম গোপাল ঘোষ, রাধাকান্ত দেব প্রমুখ ব্যক্তিদের সাহায্য সহযোগিতা পানতিনি বুঝেছিলেন, নারী জাতি অনগ্রসর কুসংস্কারাচ্ছন্ন হয়ে থাকলে সমাজ পিছিয়ে থাকবে   তাঁর উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব হল ১৮৪৯ সালে বেথুন সাহেবের সহযোগিতায় হিন্দু বালিকা বিদ্যালয় ’ (বর্তমান বেথুন স্কুল) স্থাপন করা
 বিদ্যাসাগর ছিলেন একজন শিক্ষাব্রতী সমাজসংস্কারক ব্যক্তি বাংলার সংস্কার আন্দোলন, বিশেষত নারী কল্যাণের ক্ষেত্রে বিদ্যাসাগরের অবদান চির স্বীকার্য  বহুবিবাহ, বাল্য-বিবাহ প্রভৃতি কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তিনি প্রবল জনমত গড়ে তোলেন বিধবাবিবাহ প্রচলন এবং বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ ছিল তার বিশেষ কীর্তি সেই সময় মেয়েদের অল্প বয়সে বিয়ে দেওয়া হত । এইসব মেয়েদের মধ্যে অনেকের উপযুক্ত বয়স হওয়ার আগে স্বামীর মৃত্যু হত । এরফলে তারা অল্প বয়সে বিধবা হয়ে যেত । এইসব অল্প বয়সী মেয়েদের জন্য বিদ্যাসাগর মশাইয়ের প্রাণ কাঁদত । প্রচলিত সামাজিক কুসংস্কার গোঁড়ামির অপসারণ করে তিনি সমাজ জীবনকে কলুষমুক্ত করতে চেয়ে ছিলেন সারাজীবন ধরে তিনি সমাজ-সংস্কারে ব্রতী থাকেন

 তিনি বিভিন্ন বাধা বিপত্তির সম্মুখীন হয়ে শাস্ত্রমতে প্রমাণ করলেন যে – হিন্দু শাস্ত্রে বিধবা বিবাহে কোন বাধা নেই ।  হিন্দুশাস্ত্র উদ্ধৃত করে বিদ্যাসাগর বিধবা-বিবাহের স্বপক্ষে জোর বক্তব্য রাখেন  সমাজের ধনী, প্রতিপত্তিশালী, গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিরোধিতা সত্ত্বেও হিন্দু বিধবা বিবাহ চালু করেন । তাঁর প্রচেষ্টায় গভর্নর জেনারেল লর্ড ডালহৌসি ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দে এক আইন প্রণয়ন করে বিধবা বিবাহকে আইন সিদ্ধ বলে ঘোষণা করেন১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন চালু করে সাফল্যে লাভ করেছিলেন বরাবর মানুষের দুর্দশায় ঝাঁপিয়ে পড়েছেন বিদ্যাসাগরের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে সরকারি আইন প্রণয়ন করে কন্যার বিবাহের বয়স সর্বনিম্ন দশ বছর নির্ধারিত করা হয়

 বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের শব্দ-সাযুজ্য আবিষ্কার, বাক্য-কাঠামো সংস্কার, কর্তা ও ক্রিয়াপদ এবং ক্রিয়া ও কর্মের মধ্যে যথাযথ অন্বয় স্থাপন করে বাংলা গদ্যকে মাধুর্য দান করেন  ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরই প্রথম বাংলা গদ্যকে সরস মধুর করে সাধারণের হৃদয় বেদ্য করে তুলেছিলেন এজন্য তিনি 'বাংলা গদ্যের জনক' নামে খ্যাত অবশ্য তিনি একই গদ্যরীতিতে তাঁর সব রচনা লেখেননি, তিনি পাঠ্যপুস্তক যে-রীতিতে লিখেছেন, সাহিত্য রচনা করেছেন তা থেকে ভিন্ন ভঙ্গিতে তিনি কেবল পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে নয়, বরং তাঁর অন্যান্য রচনা দিয়েও বাংলা গদ্যের সংস্কার এবং তার মান উন্নত করতে সমর্থ হয়েছিলেন

 সে যুগে বাঙালি ছাত্রদের উপযোগী কোনও পাঠ্যপুস্তক ছিল না শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হল পাঠ্যপুস্তক রচনা ও প্রকাশ করা শিক্ষাবিস্তারের জন্য তিনি বর্ণপরিচয়, কথামালা, ঋজু পাঠ, আখ্যান মঞ্জরী, বোধোদয় প্রভৃতি পুস্তক লেখেন তাঁর বর্ণপরিচয়ের মান এতো উন্নত ছিল যে, প্রকাশের পর থেকে অর্ধ শতাব্দী পর্যন্ত এই গ্রন্থ বঙ্গদেশের সবার জন্যে পাঠ্য ছিল দেড়শ বছর পরেও এখনও এ গ্রন্থ মুদ্রিত হয় তাঁর পাঠ্যপুস্তকগুলি বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায় যে, তিনি কেবল লেখাপড়া শেখানোর কৌশল হিসেবে এগুলি লেখেননি, বরং ছাত্রদের নীতি বোধ উন্নত করা এবং আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদানও তাঁর লক্ষ্য ছিল অন্যান্য সাহিত্য গ্রন্থের মধ্যে 'বেতাল পঞ্চ বিংশতি', 'শকুন্তলা',  'সীতার বনবাস', 'ভ্রান্তিবিলাস', প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য  
 বিদ্যাসাগর মশাই সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ হয়েছিলেন । বঙ্গদেশে কয়েকটি জেলার স্কুল পরিদর্শনের ভার ছিল তাঁর উপর । ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর গ্রাম বীরসিংহে একটি অবৈতনিক 'ইঙ্গ সংস্কৃত বিদ্যালয়' স্থাপন করেন  বিদ্যালয় পরিদর্শকের পদে থাকার সুযোগে তিনি ৩৫ টি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন তিনি বহু গরীব মানুষের অন্ন বস্ত্রের ব্যবস্থা করে দিতেন । বহু গরীব ছাত্রদের নিয়মিত পড়ার খরচ দিতেন । দরিদ্র শিক্ষার্থীদের ব্যয় বহন করার জন্য তিনি তার বেশিরভাগ বেতন ব্যয় করেন দেশের ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া করার জন্য স্কুল, গরীব লোকদের চিকিৎসার জন্য দাতব্য চিকিৎসালয়, গরীব ছেলে মেয়েদের  থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করেন । শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের চেষ্টার ত্রুটি ছিল নাতিনি স্কুল স্থাপনের জন্যে ধনী জমিদারদের উৎসাহ প্রদান করেন তিনি তাঁর সমগ্র জীবনব্যাপী দৃঢ় ও অক্লান্ত পরিশ্রম করে কাজ করে গিয়েছেন ।
 প্রাতঃস্মরণীয় এই মনীষী ১৮৯১ সালের ২৯ শে জুলাই দেহ ত্যাগ করেন । তার মহাপ্রয়াণ ঘটেছে ঠিকই কিন্তু মানুষের মনে আজও তিনি অমর হয়ে আছেন
  আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে বা আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্ট টি পৌঁছেদিতে অনুগ্রহ করে শেয়ার করুণ । জীবনী বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে জীবনী  লেখাটির উপর ক্লিক করুণ । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।
 

ত্বকের যত্ন নেওয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপায় কি কি ?.


  আমরা সবাই চাই আমার ত্বকটা একটু ফর্সা আর উজ্জ্বল হোক । মনে মনে সবারই এই ইচ্ছাটা থাকে । তবে অনেক সময় ব্যস্ততার কারণে আমাদের ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময় হয়ে উঠে না । তরুণ বয়সে প্রত্যেক নারী ও পুরুষ কোমল এবং উজ্জ্বল ত্বকের অধিকারী হন । কিন্তু, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বক খুব নিস্তেজ এবং কালো হতে থাকে । 
  ত্বক উজ্জ্বল, মোলায়েম এবং কোমল রাখতে ঘরোয়া কিছু উপায় রয়েছে । এই উপায়ে আপনি বিভিন্ন উপাদান নিয়ে খুব সহজেই আপনার ত্বকের যত্ন নিতে পারবেন । আপনি চাইলে বাড়িতেই অল্প সময়েই সঠিক পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনি হয়ে উঠবেন আরও ফর্সা । আসুন জেনে নেই কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে আপনি পাবেন ফর্সা ত্বক ।

১) ধুলো, ময়লা, দূষণ এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক জিনিসের থেকে ত্বককে রক্ষা করার জন্য দিনে দুবার সকালে এবং রাত্রে ভালো করে মুখ ধুয়ে পরিষ্কার করা জরুরি । মুখ ধোবার পর তোয়ালে দিয়ে রগড়ে রগড়ে না মুছে একটা নরম তোয়ালে বা টিস্যু দিয়ে আসতে আসতে চেপে চেপে মুখের জলটা মুছে নিন । মেকআপ তোলার জন্য অলিভ অয়েল কিম্বা খুব মাইল্ড কোন মেকআপ রিমুভার ব্যবহার করুন । যতটা সম্ভব ক্লোরিন যুক্ত জলের থেকে দূরে থাকুন, সুইমিং পুল কিম্বা ওয়াটার পার্কের জলে কিন্তু ক্লোরিন মেশানো থাকে যা আপনার ত্বকের পক্ষে খুব খারাপ ।

২) শসা কয়েক টুকরো করে তা মুখে ১৫ মিনিট ধরে রাখুন, তারপর ধুয়ে ফেলুন । শসাতে বিদ্যমান অ্যাস্ট্রিনজেন্ট ত্বককে উজ্জ্বল রাখে এবং ভিটামিন ত্বকের মেলানিন উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে । এক মাস নিয়মিত রূপচর্চায় শসার ব্যবহার নিস্তেজ ত্বকে এনে দেবে প্রখর উজ্জ্বলতা ।

৩) লেবুর রসের মত আলুর খোসায় ব্লিচিং উপাদান পাওয়া যায় । আলুর খোসার পেস্ট নিয়মিত আপনার ত্বকে লাগাতে হবে । আপনি যদি নিয়মিত এই পেস্ট ব্যবহার করেন তাহলে আপনার ত্বক উজ্জ্বল ও ফ্রেশ হবে । একটি পাত্রে ১ চা চামচ গুঁড়া দুধ, ২ চা চামচ লেবুর রস আর ১/২ চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে নি। এবার পুরো মুখে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন । ত্বক পরিষ্কার হওয়ার সাথে সাথে আগের তুলনায় আপনার ত্বক অনেক উজ্জ্বল হয়ে উঠবে
৪) প্রাকৃতিক ভাবে উজ্জ্বল ত্বক পাবার জন্য অনেকেই মধু ব্যবহার করেন । দই আর মধু তো আমাদের সবার বাড়িতেই থাকে। দই আর মধুর সাথে কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার অয়েল (এসেনশিয়াল অয়েল নেবেন,) মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে মুখে লাগিয়ে নিন । দশ মিনিট পরে ভালো করে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন । এতে আপনার স্কিনের শুষ্ক ভাব দূর হবে । একটা কাঁচের বা চিনামাটির বাটিতে দুই টেবিল চামচ মধু আর দুই চা চামচ দারচিনি পাউডার ভালো করে মিশিয়ে মুখে আর গলায় লাগিয়ে নিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন । পরে শুধু জল দিয়ে ধুয়ে নিন । এই মিশ্রণ সেনসিটিভ ত্বককে নরম এবং কমনীয় রাখতে সাহায্য করে ।

৫) হলুদ অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে খুব ব্যবহৃত হয় । ব্রণ ফুসকুড়ি এবং ত্বকের অন্যান্য ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে । খুব সহজেই আপনি এই প্যাকটি বানাতে পারবেন । উজ্জ্বল ত্বক পেতে এক চিমটি হলুদ, ১ চা চামচ টমেটো বা লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে মুখের ত্বকে লাগান নিয়মিত । অবশ্যই আপনার ত্বক ফর্সা হবে টমেটোর ব্লিচিং উপাদান আর হলুদের ভেষজ উপাদান ত্বক ফর্সা করতে একসাথে কাজ করে
৬) কলা খাওয়া যে স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো, সেটা তো আমরা সবাই জানি একটি পাত্রে পরিমাণ মতো কলা, ১ চা চামচ মধু আর ১ টেবিল চামচ টক দই মিশিয়ে নিয়মিত ত্বকে লাগান ৭ থেকে ১০ মিনিট এই প্যাক রেখে ধুয়ে ফেলুন । এই প্যাকটি সান ট্যাং দূর করে ত্বক ফর্সা করে তুলবে
৭) কেমিক্যাল যুক্ত যে কোন প্রোডাক্ট থেকে দূরে থাকাটাই শ্রেয়, বিশেষ করে যে সব প্রডাক্টে অ্যালকোহল, অ্যালফা হাইড্রক্সি, ইউরিয়া কিম্বা রেটিনালের মতো রাসায়নিক রয়েছে । এতে রাসায়নিক পদার্থ বেশি পরিমাণে থাকে যা আপনার ত্বককে র‍্যাশ, চুলকানি কিম্বা ব্রণর মতো নানা ধরনের ত্বকের সমস্যা দেখা দিতে পারে । এখন নানারকম হারবাল বিউটি প্রোডাক্ট আর মেকআপ পাওয়া যায়, দরকার হলে সেগুলো ব্যবহার করুন ।
৮) গোলাপ জলে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা আপনার ত্বককে ভিতর থেকে পরিষ্কার করে । এরফলে আপনার স্কিন সুন্দর এবং তুলতুলে হয়ে ওঠে । এক্ষেত্রে সমপরিমাণে গোলাপ জল এবং কাঁচা দুধ মিশিয়ে নিন ।  তারপর সেই মিশ্রণ রাতে শুতে যাওয়ার আগে মুখে লাগিয়ে নিন । সারা রাত রেখে সকালে মুখটা ধুয়ে নিন । এমনটা মাত্র দু দিন করলেই ত্বক উজ্জ্বল এবং ফর্সা হয়ে উঠেছে ।
 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে বা আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্ট টি পৌঁছেদিতে অনুগ্রহ করে শেয়ার করুণ । স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে স্বাস্থ্য লেখাটির উপর ক্লিক করুণ । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

আপনি বিবাহের পর সুখী দাম্পত্য জীবন কিভাবে কাটাবেন ?


 বিবাহ হল এমন একটি সম্পর্ক, যেখানে একজন পুরুষ ও নারী একে অপরের সাথে সারা জীবন থাকার অঙ্গীকার বদ্ধ হয়ে থাকেন । বিয়ে করলে যে দাম্পত্য জীবন সুখের হবে তেমনটা ভাবা সহজ নয় । বিয়ের পর দুইজন মানুষের একসাথে নতুন জীবনের পথ চলা শুরু হয় । শুধু ভালোবাসা ও যৌন সম্পর্কের মধ্য দিয়ে এই সম্পর্ক সুখী রাখা যায় না । নতুন জীবন নির্ভর করে পারস্পরিক ভালোবাসা, সততা ও সমঝোতার উপর । একটি ভালো সম্পর্কে প্রয়োজন হয় দুইজনের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও যত্নের, শ্রদ্ধা ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার । কিন্তু, অনেক মানুষের জীবন বিয়ের পর অসহ্য, দুঃখ জনক, ক্লান্তিকর হয়ে যায় ।  আপনি আপনার বিবাহের পর সুখী দাম্পত্য জীবন কিভাবে কাটাবেন তার কিছু পদ্ধতি নিচে দেয়া হল ।
 
 
১) আপনি যাকে বিয়ে করেছেন তার সাথে আপনাকে সারা জীবন কাটাতে হবে । সুখী দাম্পত্য জীবন পেতে পরিবারের দায়িত্ব দুজন মিলেই ভাগ করে নিন । স্বামী-স্ত্রী দুজনেই যদি চাকরিজীবী হয় , তাহলে ঘরের সব কাজ স্ত্রীর উপর চাপিয়ে না দিয়ে আপনি বাড়ির কাজে আপনার স্ত্রীর সাথে হাত বাড়িয়ে দিন । এরফলে আপনাদের সম্পর্ক মজবুত হবে ।



২) বিশ্বাস কথাটা ছোট হলেও এর গুরুত্ব অনেক বেশি । যে কোনও সম্পর্কে বিশ্বাসই হল মূল ভিত্তি এর মাধ্যমেই সম্পর্ক আরও মজবুত হয় । আপনি আপনার স্ত্রীকে সব সময় বিশ্বাস করুন । দুজনের মধ্যে কোনও বিষয় গোপন রাখবেন না । একজন আরেকজনের কাছে স্বচ্ছ থাকুন । আপনার সততা, খোলাখুলি কথা আপনার সঙ্গীর বিশ্বাস অটুট রাখতে সাহায্য করবে । আপনি যদি কিছু গোপন করেন, পরবর্তী কালে সেটি প্রকাশ হলে আপনাদের সম্পর্কে খারাপ প্রভাব পড়তে পারে । আপনি আপনার সঙ্গীকে মন দিয়ে বিশ্বাস করুন, শ্রদ্ধা করুন । এতে সম্পর্কে গভীরতা বাড়ে ও সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয় । 
আরো পড়ুন -বিয়ের আগে নারীদের যে বিষয়গুলো জানা জরুরি?
৩) আপনারা বছরের পর বছর একসাথে আছেন । মাঝেমধ্যে নিজেরাই দেখা করুন বাইরে গিয়ে । দুজন মিলে বাইরে খেতে যেতে পারেন । সারাদিনে একবারের জন্য হলেও দুজন দুজনের সাথে সময় কাটান অন্তত ১০মিনিট । মাসে অন্তত একটি সন্ধ্যাকে নিজেদের মতো উপভোগ করুন । আপনি আপনার জীবনের বিশেষ দিনগুলো মনে রাখুন । সেই দিনগুলি পালন করুন ও একে অপরকে উপহার দিতে পারেন ।

৪) জীবন সবসময় একই রকম যাবে এমন মনে করার কারণ নেই ।  দাম্পত্য জীবনে এক সঙ্গে থাকতে গেলে সামান্য কারণে ভুল বোঝাবুঝি হতেই পারে অনেক সময় তা সম্পর্ক ভাঙা পর্যন্তও গড়ায়  দিনের ঝগড়া নিয়ে রাতে ঘুমোতে যাবেন না । ধীরে সুস্থে আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান করুন । এতে একে অপরের সম্পর্কে শুধু ভালো ধারণাই তৈরি হবে না, বরং সম্পর্কেও মধুরতা আসবে তাকে বোঝাবেন যে – আপনি তাকে সবথেকে বেশি ভালবাসেন ।


৫) সুখী দাম্পত্য জীবন পেতে প্রতিদিন একে-অপরের প্রশংসা করুন । ছোটখাটো বিষয়ে তার প্রশংসা করেও সম্পর্কে মধুরতা ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনার সঙ্গীর ভালো দিকগুলো প্রকাশ করে তাঁর প্রশংসা করুন । তবেই সম্পর্ক সফল দীর্ঘস্থায়ী হবে ছোট একটি ধন্যবাদ কিংবা এক মুহূর্তের প্রশংসা আপনার সঙ্গীর মন ভালো করে দিতে পারে নিমিষেই । ভালোবাসার মানুষের কাছ থেকে প্রশংসা শুনতে কার না ভালো লাগে ।

৬) কথায় আছে মানুষ মাত্র ভুল করে । ভুল হলে অভিমান করবেন না । কারণ সে আপনার পরিবারের একজন সদস্য । অভিমানের সময় চুপ করে বসে না থেকে কিংবা কথা কাটাকাটি না করে সুন্দর কিছু একটা করার চেষ্টা করুন । নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নিন । নিজের দোষের জন্য অপরজনকে দায়ী না করে নিজেই নিজের দায়িত্ব নিতে শিখুন ।  একজন ভালো শ্রোতা হওয়াও বড় গুণ । চুপ থাকুন এবং তার কথা শুনুন । রাগের সময় উঁচু স্বরে কথা না বলে নিচু স্বরে কথা বলুন । কথা বলার সময় খারাপ শব্দ ব্যবহার করবেন না ।

৭) কোন গুরুত্বপূর্ণ কিংবা যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় একবারের জন্য হলেও আপনার সঙ্গীকে জিজ্ঞেস করুন । পছন্দ না হলে ভদ্র ভাবে আপনার মতামত জানিয়ে দিন । নিজের সিদ্ধান্ত জোর করে কারোর উপর চাপিয়ে দেবেন না । একে অপরের স্থান দিতে শিখুন, স্বাধীনতা দিতে শিখুন ।


৮) আপনার সঙ্গীর যদি পড়াশোনা, ব্যবসা বা চাকরি করার জন্য উৎসাহ থাকে তাহলে তাকে সাফল্য পেতে সাহায্য করুন । এরফলে আপনাদের ভালোবাসা হবে আরও শক্তিশালী ।

৯) দিনক্ষণ না গুণে প্রতিদিন ভালোবাসার চর্চা করুন একে অপরের মতামত ইচ্ছা অনিচ্ছার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে এতে একে অপরের সম্পর্কে শুধু ভালো ধারণাই তৈরি হবে না, বরং সম্পর্কেও মধুরতা আসবে

১০) জীবন সবসময় একই রকম যাবে এমন মনে করার কারণ নেই। জীবনের খারাপ সময়েও স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করুন । মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা করে রাখুন, পরে এটি আপনার জীবনে খুব কাজে লাগবে । 

 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে বা আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্ট টি পৌঁছেদিতে অনুগ্রহ করে শেয়ার করুণ । সম্পর্ক বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে সম্পর্ক লেখাটির উপর ক্লিক করুণ । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।
 আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

 

শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

আপনি আপনার ভালোবাসার সম্পর্ক সুন্দর ও মজবুত বানাবেন কিভাবে ?.


  সম্পর্ক শব্দটি এতটাই মধুর যা একে অপরকে অবিচ্ছেদ্য বন্ধনে আবদ্ধ করে রাখে । সম্পর্ক সারা পৃথিবীতে বিরাজমান । সমস্ত প্রাণীর মধ্যে এটা লক্ষ্য করা যায় । নিজের সবকিছু উজাড় করে দিয়ে একে অপরের চরণে প্রাণ নিবেদন হল প্রেমের সম্পর্ক , সেই ভালোবাসার মানুষটির নাম নিভৃত যতনে লিখে রাখার নাম-ই হল প্রেম । কিন্তু কেন এই  সম্পর্ক গুলির মধ্যে ছেদ ঘটে অকারণে ? তার কারণগুলি কি হতে পারে । আমরা অনেক সময় ছোট ছোট জিনিসগুলি অগ্রাহ্য করে থাকি , ফলে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সুমধুর সম্পর্কগুলি ভেঙে যাওয়ার দিকে এগোতে থাকে । আমারা যদি কয়েকটি বিশেষ দিকের প্রতি নজর দেই , তাহলে হয়তো সম্পর্কের ভীত মজবুত হবে ।
 
 
 আমাদের কোন মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি করার থেকে বড় সমস্যা হল সেই সম্পর্ক দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখা । অনেক মানুষ সহজে সম্পর্ক তৈরি করে ফেলেন কিন্তু, সেই সম্পর্ক দীর্ঘদিন টিকিয়ে রাখতে পারেনা । এখন আমি আপনাদের জানাবো যে - আপনার ভালোবাসার সম্পর্ক সুন্দর ও মজবুত বানাবেন কিভাবে ?



১) বিশ্বাস – সম্পর্ক টিকে থাকে বিশ্বাসের বুনন এর ওপর বিশ্বাস এর সুতো টান লেগে ছিঁড়ে গেলে সম্পর্কের ভাঙন অনিবার্য । আপনাকে আপনার ভালোবাসার মানুষটির উপর বিশ্বাস রাখতে হবে । এমন কথা ভাববেন না যে – সে আপনাকে সত্যি ভালোবাসে কিনা । বিশ্বাসের সত্যিই অসীম ক্ষমতা রয়েছে , বিশ্বাস-ই পারে মধুর সম্পর্ক স্থাপন করতে । এরকম কোন আচরণ করবেন না – যাতে সে আপনাকে অবিশ্বাস করতে শুরু করে সম্পর্ক রক্ষা ও সুন্দর করতে একে অপরকে কেয়ার বা যত্ন করা প্রয়োজন । সবার ভালোবাসা প্রকাশ করার পদ্ধতি আলাদা রকম হয় । সে তার সেই পদ্ধতির দ্বারা আপনাকে বুঝিয়ে দেবে সে আপনাকে কতটা ভালোবাসে । জোর করে নিজের মতামত চাপিয়ে দেবেন না ।
আরো পড়ুন -বিয়ের আগে নারীদের যে বিষয়গুলো জানা জরুরি?
২) সময় – প্রতিটা সম্পর্কের মধ্যেই একসঙ্গে সুন্দর মুহূর্ত কাটানো খুবই প্রয়োজন । অথচ আমাদের প্রিয়জনরা যারা সর্বদা আমাদের পাশে রয়েছে , তাদের জন্য সময় বের করার কথা আমরা অনেক সময় ভাবতে ভুলে যাই । আপনি যদি কারোর সাথে সম্পর্ক আবদ্ধ হয়ে থাকেন তবে, আপনি যত বেশি সময় পারেন তার সাথে কাটানোর চেষ্টা করুণ । নিজের কাজের পর আপনি বাকি যে সময় হাতে পাবেন সেই সময় তাকে দিন । অতীতের কোন এক ভুল কে সামনে রেখে বর্তমানের সুন্দর মুহূর্তগুলোকে নষ্ট করবেন না । কারণ – সবাই চায় তার ভালোবাসার মানুষের সাথে সুন্দর সময় কাটাতে । মাসে একদিন বাইরে ঘুরতে বা সিনেমা দেখতে পারেন । প্রতিদিন সকালে ও রাতে একবার করে ফোন করবেন । তার মোবাইলে সুন্দর সুন্দর মেসেজ পাঠাতে ভুলবেন না ।

৩) মনের কথা – আমরা প্রত্যেকেই চাই আমাদের মনের অবস্থা আমাদের প্রিয়জনেরা বুঝুক । কথা বলার সময় আপনারা আপনাদের মনের কথা খুলে বলবেন । কোন কিছু মনের মধ্যে চেপে রাখবেন না । ভাল ভাল কথা বলবেন । এমন কোন কথা বলবেন না যাতে তার মনে কষ্ট পায় বা দুঃখ পায় । নিজেকে বড় মনে করা, আর সে ছোটো এমন ভাবে কথা বলবেন না । ফোনে কথা বলার সময় অন্য দিকে মন দেবেন না । আপনার ফোন তখন যেন ব্যস্ত না থাকে ।


৪) হাসি – হাসি মানুষের জীবনে সব থেকে বেশি আনন্দের প্রকাশ ঘটায় । তাই আমাদের উচিৎ নিজেকে সব সময় হাসি খুশি রাখা ও ভালোবাসার মানুষটি যেন সেরকম থাকে তার খেয়াল রাখা । এর জন্য আপনি শুধু ফোনে হাশির জোকস বা মেসেজ পাঠাতে পারেন । যদি পারেন হাসির ভিডিও বা ভিডিও লিঙ্ক পাঠাতে পারেন ।

৫) উপহার – ছোট থেকে বড় কে না ভালোবাসে উপহার পেতে । সব মানুষ উপহার পেতে ভালোবাসেন । তাই আপনি আপনার ভালোবাসার মানুষকে কিছু উপহার দিতে পারেন । সেটি অবশ্যই আপনার বাজেটের বা পকেটের মধ্যে হতে হবে । বেশি দামি উপহার দেওয়ার কোন দরকার নেই । আপনি উপহার হিসাবে – মজার কার্ড, ফ্রেমে বাধানো আপনাদের ফোটো, বই, জামা, কাপড় ইত্যাদি দিতে পারেন ।

৬) ভিডিও কল- ইন্টারনেট ব্যবহার বর্তমান সময়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে । তাই শুধু ফোনে কথা বলার পরিবর্তে  আপনি ভিডিও কলে কথা বলতে পারেন । এরফলে আপনারা একে অপরকে সরাসরি দেখা ও কথা বলা দুটোই সুবিধা পাবেন । সে এই সময় কোথায় আছে, কি করছে তা আপনি স্পষ্ট বুঝতে পাড়বেন ।


৭) ভুল বোঝা – সম্পর্কের উন্নতকরণের আরেকটি ধাপ হল একে অপরকে গুরুত্ব দেওয়া । তার কথা মনোযোগ সহকারে শুনে তার আত্মবিশ্বাস ও সক্ষমতাকে গুরুত্ব দেওয়া জরুরী । আপনারা কখন নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবোঝি করবেন না । এরফলে একটি সুন্দর সম্পর্ক সহজে নষ্ট হয়ে যায় । আপনাদের মধ্যে ভুল বোঝাবোঝি হলে দুজনে আলোচনার মাধ্যমে তাড়াতাড়ি মিটিয়ে নিন । বন্ধু বান্ধবদের সাথে এই নিয়ে বেশি কথা বলবেন না, হিতে বিপরীত সমস্যা দেখা দিতে পারে । আপনি নিজের সিদ্ধান্ত নিজে বিচার করে স্থির করবেন । কারোর কথায় আপনার মাথার ভার বাড়াবেন না ।

৮) প্রশংসা ও ক্ষমা - আমরা সকলেই নিজের প্রশংসা শুনতে ভালোবাসি । আপনি আপনার প্রিয়জনের করা কোন কাজের প্রশংসা করতে পারেন । মানুষ জীবনের সবচেয়ে বড় ধর্ম হল ক্ষমার ধর্ম । তাই আপনারা একে অপরকে  ক্ষমা করে আবার নতুন ভাবে জীবনে পথ চলা  শুরু করুন ।

৯) সেক্স – অনেক মানুষ মনে করেন যে সম্পর্ক সুন্দর করার জন্য সেক্স জরুরি । আমার মতে – আপনাদের যদি পরে বিয়ে না হয় তাহলে এই কাজ করার আগে ১০০ বার ভাবুন । সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য এটি খুব দরকারি নয় । যদি আপনাদের এটা মনে হয় যে - পরে আপনাদের কোন সমস্যা আসবেনা, তাহলে আপনারা স্থির করুণ যে আপনারা কি করবেন । আমার মতে বিয়ের আগে সেক্স না করাই ভালো ।


 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে বা আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্ট টি পৌঁছেদিতে অনুগ্রহ করে শেয়ার করুণ । সম্পর্ক বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে সম্পর্ক লেখাটির উপর ক্লিক করুণ । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

আরও পোস্ট পড়ুন -

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।