শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

ইন্টারনেটে কোনও তথ্য অনুসন্ধান করবেন কিভাবে ?.


  আমাদের বর্তমান যুগ হল আধুনিক যুগ । ধীরে ধীরে তা অত্যাধুনিক যুগের দিকে অগ্রসর হচ্ছে । বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নতির ফলে আজ আর আমাদের কাছে কোনও কিছু অজানা থাকছেনা । সমস্ত কিছু আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে পেয়ে যেতে পারেন । ইন্টারনেটে কোন তথ্য অনুসন্ধান করার জন্য আমাদের প্রয়োজন হয় একটি বিশেষ সফটওয়ার, যাকে বলা হয় সার্চ ইঞ্জিন । এই সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্যে আপনি কোন তথ্য অনুসন্ধান করতে পারবেন । কয়েকটি বিখ্যাত সার্চ ইঞ্জিনের নাম হল –  Google, Bing, Yahoo, Ask.com, AOL.com, Baidu, DuckDuckGo ইত্যাদি

  
  ইন্টারনেটে কোন তথ্য অনুসন্ধান করার জন্য যে সফটওয়ার বা প্রোগ্রাম কোন ওয়েবসাইট, ওয়েবপেজ বা কোন ইন্টারনেটের ফাইল সন্ধান করতে সাহায্য করে তাকে বলে সার্চ ইঞ্জিন । যখন আপনি কোন ওয়েবপেজ সার্চ করবেন তখন আপনাকে প্রথমে সার্চ ইঞ্জিনের ‘টেক্স বক্সে’ যা সন্ধান করবেন তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত কোন শব্দ বা তথ্য দিতে হবে । যেটাকে বলা হয় সার্চ টেক্স বা কি-ওয়ার্ড । এটার দরকার হয় বেশি যখন আপনি কোন ওয়েব পেজ সন্ধান করার সময় কোন নির্দিষ্ট Url জানেন না ।

  Url হল কোন ওয়েব সাইটের নির্দিষ্ট ঠিকানা । আপনার যদি Url জানা থাকে তাহলে আপনি সাথে সাথে কোন ওয়েব পেজে সহজে যেতে পারবেন । আমার ওয়েবসাইটের Url হল https://janaajana24.blogspot.com । ইন্টারনেটে তথ্যগুলি যে বিশেষ কম্প্যুটারে জমা থাকে তাকে তাকে বলে ওয়েব সার্ভার । ওয়েব ব্রাউজার হল একটি বিশেষ প্রোগ্রাম যা ইন্টারনেটে থাকা তথ্যগুলিকে সার্চ ও দেখার সুবিধা প্রদান করে । ওয়েব পেজে থাকা হাইলাইটেট টেক্স বা ইমেজকে গুলিকে হাইপার লিঙ্ক বলা হয় ।  হাইপার লিঙ্ক আন্ডার লাইন ও রঙিন হয় । ইন্টারনেটে তথ্যগুলি আমরা যে পেজে দেখি তাকে ওয়েব পেজ বলে ।

  সার্চ করার পদ্ধতি - কোন তথ্য অনুসন্ধান করার জন্য আপনাকে প্রথমে যে কোন একটা সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্য নিতে হবে । তারপর সার্চ বক্সে আপনি কি জানতে চান তার সম্বন্ধে কিছু শব্দ লিখুন । ধরুন আপনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্বন্ধে সন্ধান করতে চাইছেন, তবে আপনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  লিখবেন । এরপর সার্চ ইঞ্জিন আপনাকে সার্চ লিস্ট দেখাবে । এবার আপনি আপনার পছন্দের হাইপার লিঙ্ক-এ ক্লিক করবেন । এইভাবে অনুসন্ধান করে আপনি আপনার পছন্দমত সিনেমা, বই, খেলা রান্নার রেসিপি বা অন্য কোন আলাদা বিভাগ সন্ধান করতে পারেন ।


 গুগলের সাহায্য সার্চ করার পদ্ধতি – আমরা যখন ইন্টারনেটে কোন তথ্য সার্চ করার কথা ভাবি তখন আমাদের প্রথমে গুগলের কথা মনে পড়ে । ইন্টারনেটে তথ্য সার্চ করার জন্য গুগল সবথেকে জনপ্রিয় ও সবার কাছে পরিচিত একটি কোম্পানি । গুগল আমাদের বিভিন্ন তথ্য সার্চ করার জন্য অনেক সাহায্য করে । প্রথমে আপনাকে www.google.com যেতে হবে বা গুগল অ্যাপ খুলতে হবে । তারপর আপনি গুগলের হোম পেজ দেখতে পাবেন । এবার আপনি যা জানতে যান সেই সম্বন্ধে কিছু শব্দ টাইপ করুন বা এখন ভয়েস দিয়ে বলার সুবিধা আছে, ভয়েসে বলুন  । গুগল এবার আপনাকে আপনার দেওয়া শব্দের সাথে মিল রয়েছে এমন কিছু ওয়েব পেজ দেখাবে । আপনি আপনার পছন্দমত পেজটি বেছে নিতে পারেন, যে পেজটিতে আপনার দেওয়া তথ্যের সাথে বেশি মিল আছে । ব্যাক অপশনের দ্বারা আপনি আবার অন্য পেজ বেছে নিতে পারেন ।

  গুগলের সাহায্য ফটো সার্চ করার পদ্ধতি –  গুগল শুধু ওয়েবপেজ সার্চ করেনা, গুগল এর সাথে ইমেজ, শপিং, ম্যাপ, ন্যুজ ইত্যাদি সার্চ করে । আপনি যদি গুগলের ফটো ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনি গুগলের হোম পেজে ‘ইমেজ’ ক্লিক করবেন । এরপর আপনি কি ফটো দেখতে চান সেই সম্বন্ধে কিছু টাইপ করুন । এরপর সার্চ ক্লিক এ করুন । গুগল আপনাকে আপনার দ্বারা সার্চ করা ইমেজ বা তার সাথে সম্পর্কযুক্ত ইমেজ দেখাবে । আপনি আপনার পছন্দমত ফটোটিতে ক্লিক করুন । আপনি চাইলে ফটোটি আপনার মোবাইল বা কম্প্যুটারে সেভ করে রাখতে পারেন ।


 Youtube এর সাহায্যে আপনি আপনার পছন্দের তথ্য সম্পর্কিত ভিডিও সার্চ করতে পারেন । Youtube এখন খুব একটি জনপ্রিয় মাধ্যম । যেখানে আপনি আপনার পছন্দের তথ্য পাবেন ও আপনি নিজের ভিডিও বানিয়ে ছাড়তে পারেন ।

 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । ইন্টারনেট বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে ইন্টারনেট লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

প্রাচীন বাংলার ভৌগলিক অবস্থান কেমন ছিল ?.


   আমরা বর্তমানে যে অংশে বাস করি তাঁর নাম পশ্চিমবঙ্গ বা বাংলাদেশ । এই স্থানের নাম আগে কি ছিল ? এর সীমা বিভাগ কি ছিল ? আমাদের মনে রাখা দরকার যে এটি হল প্রায় এক-দেড় হাজার বছর আগের দিনের কথা । আমাদের এই পশ্চিমবঙ্গ বা বাংলাদেশ আলাদা আলাদা সময় বিভিন্ন ভৌগলিক বিভাগের অন্তর্গত ছিল । এখন আমরা প্রাচীন বাংলার প্রধান প্রধান ভৌগলিক বিভাগ গুলি সম্বন্ধে জানবো । সেই সময় এই এলাকাগুলি আজকের তুলনায় অনেক আলাদা ছিল  । 

  বঙ্গ নামটি প্রথম আমরা উল্লেখ পাই ঋকবেদের ঐতরেয় আরণ্যকে । সেই সময় প্রাচীন বাংলা বলতে যে অঞ্চলটিকে বোঝানো হত তা  ভৌগলিক দিক দিয়ে কোন বড়ো অঞ্চল ছিলনা । প্রাচীন বাংলার জনপথ গুলির মধ্যে বঙ্গ একটি বিভাগ ছিল । মহাভারতে উল্লেখ করা হয়েছে যে বঙ্গ, পুণ্ড্র, সুহ্ম, তাম্রলিপ্ত ইত্যাদি এক একটি আলাদা রাজ্য ছিল । কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে এর উল্লেখ পাওয়া যায় । কালিদাসের রঘুবংশম কাব্যে বঙ্গ ও সুহ্ম নাম দুটির উল্লেখ আছে । খ্রিস্টীয় ত্রয়োদশ শতকের ঐতিহাসিক মিনহাজ-ই-সিরাজের লেখাতে বঙ্গ রাজ্যের কথা পাওয়া যায় । মুঘল যুগের ঐতিহাসিক আবুল ফজল ‘আইন-ই-আকবরি’তে এই এলাকাকে সুবা বাংলা বলেছেন ।


এরপর ষোড়শ, সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতকে ইউরোপের ভ্রমনকারী ও অন্যান্যরা এখানে আসেন । তাঁরা নাম দেন বেঙ্গালা । স্বাধীনতার আগে পর্যন্ত এই বিরাট অঞ্চল বাংলা বা বাংলাদেশ নামে পরিচিত ছিল । ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের সময় বাংলার পশ্চিম অংশের নাম হয় পশ্চিমবঙ্গ । আর পূর্ব ভাগ চলে যায় পাকিস্তানের অংশে । তাঁর নাম হয় পূর্ব পাকিস্তান । ১৯৭১ সালে মুক্তি যুদ্ধের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তান স্বাধীন দেশের মর্যাদা লাভ করে । তাঁর নতুন নাম হয় বাংলাদেশ ।

  প্রাচীন বাংলার সীমা তিনটি নদী ভাগীরথী, পদ্মা, মেঘনা দিয়ে তৈরি ছিল । এর এক একটি অঞ্চল দীর্ঘকাল স্বাধীন ছিল, আবার কয়েকটি অঞ্চল অন্য অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ে । যখন কোন রাজ্যের শাসন কর্তা রাজ্য বিস্তার করতেন তখন এই অঞ্চলের সীমা পরিবর্তন হয়ে যেত । প্রাচীন বাংলার প্রধান প্রধান অঞ্চল গুলি হল – পুণ্ড্রবর্ধন, বরেন্দ্র, বঙ্গ, গৌড়, সমতট, হরিকেল, রাঢ়, বঙ্গাল । এদের মধ্যে বঙ্গ, গৌড়, পুণ্ড্র ইত্যাদি হল এক একটি জনগোষ্ঠীর নাম । তাঁরা যেসব অঞ্চলে বাস করতেন সেই অঞ্চলটির নাম তাদের(জনগোষ্ঠীর) নাম অনুসারে হয় ।

  পুণ্ড্রবর্ধন ছিল প্রাচীন বাংলার বড়ো অঞ্চল । এই অঞ্চলটি বর্তমানে বগুড়া, রাজশাহী, দিনাজপুর ও পাবনা এলাকায় ছিল । গুপ্ত যুগে এই এলাকাটি একটি ভুক্তি বা শাসন এলাকা ছিল । বরেন্দ্র অঞ্চলটি ভাগীরথী ও করতোয়া নদীর মধ্যের অংশে ছিল । বঙ্গাল এলাকাটি দক্ষিণ সীমান্তবর্তী বঙ্গোপ সাগরের উপকূল অঞ্চলে ছিল ।


 প্রাচীনকালে ভাগীরথী ও পদ্মা নদীর মাঝে ত্রিভুজাকৃতি বদ্বীপ অঞ্চলকে বঙ্গ বলা হয় । মনে করা হয়- ভাগীরথীর পশ্চিমদিকের অঞ্চল এর মধ্যে ছিল । পরে ভাগীরথীর পশ্চিমদিকে রাঢ় ও সুহ্ম নামে দুটি আলাদা অঞ্চলের উৎপত্তি হলে বঙ্গের সীমানা পরিবর্তন হয়ে যায় । ঢাকা, বিক্রমপুর, বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলকে সেই সময় বঙ্গ অঞ্চল বলে মানা হয়ে থাকে ।

  প্রাচীন ও মধ্য যুগে গৌড় বাংলার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ছিল । গৌড় বলতে একটি জনগোষ্ঠীর নাম বোঝায় । মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম নিয়ে গৌড় তৈরি হয়েছিল । রাজা শশাঙ্কের আমলে গৌড়ের সীমানা বেড়ে যায় ।  মুর্শিদাবাদ ছিল গৌড়ের প্রধান এলাকা । শশাঙ্কের আমলে পুণ্ড্রবর্ধন থেকে ওড়িশার উপকূল পর্যন্ত গৌড়ের অন্তর্ভুক্ত হয় । অষ্টম ও নবম শতকে সমগ্র পাল সাম্রাজ্যকে গৌড় বলে বোঝানো হত ।

  রাঢ় অঞ্চলের দুটি ভাগ ছিল, উত্তর রাঢ় আর দক্ষিণ রাঢ় । উত্তর রাঢ় আর দক্ষিণ রাঢ়ের সীমানা অজয় নদ ছিল । উত্তর রাঢ় অঞ্চলটি ছিল মুর্শিদাবাদের পশ্চিম ভাগ, বীরভূম, সাঁওতাল পরগনার একাংশ, বর্ধমানের কাটোয়া । দক্ষিণ রাঢ় অঞ্চল ছিল হাওড়া, হুগলী, বর্ধমানের বাকি অংশ । অজয় ও দামোদরের মধ্যবর্তী এলাকা । দক্ষিণ রাঢ় বঙ্গোপ সাগরের কাছাকাছি ছিল ।


  প্রাচীন সমতট অঞ্চলটি ছিল মেঘনা নদীর পূর্ব দিকে । বাংলাদেশের নোয়াখালী, কুমিল্লা ছিল প্রাচীন সমতট অঞ্চল । মেঘনা নদীর জন্য সমতট বাকি অংশের থেকে আলাদা ছিল । তাই সমতটকে প্রাচীন বাংলায় সীমান্তবর্তী এলাকা বলে মনে করা হয় । সমতটের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে চট্টগ্রাম, উপকূল অঞ্চল প্রাচীন বাংলায় হরিকেল নামে পরিচিত ছিল ।

  আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নীচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । ইতিহাস বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে ইতিহাস লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।
আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

আধুনিক ভারতের ইতিহাসের বিভিন্ন প্রশ্ন ও উত্তর গুলি কি কি ?.


১) অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন – সাহীদ সোহরাওয়ার্দি । 
২) মেদিনীপুর বোমা ষড়যন্ত্র মামলায় প্রধান অভিযুক্ত কে ছিলেন – যোগজীবন ঘোষ ।
৩) ১৯৩০ সালে মেদিনীপুরে কোথায় প্রথম লবণ আইন অমান্য আন্দোলন হয়েছিল – কাঁথির পিছাবনিতে ।
৪) মেদিনীপুরের জেলাশাসক রবার্ট ডগলাস ১৯৯৩২ সালে কার গুলিতে নিহত হন – প্রভাংশু শেখর পাল, সহযোগী প্রদ্যোৎ কুমার ভট্টাচার্য ।
৫) ভারতের সংবাদ পত্রের স্বাধীন মত প্রকাশের ওপর নিয়ন্ত্রণ করতে কোন গভর্নর জেনারেল প্রথম আইন করেন – লর্ড ওয়েলেসলি ।
৬) ভারতে প্রকাশিত প্রথম সংবাদ পত্রের নাম কি – অগাস্টান হিকি সম্পাদিত The Bengali Gazette


৭) পাইক বিদ্রোহ কবে শুরু হয় – ১৮১৭ সালে ।
৮) এনফিল্ড রাইফেল কি – এক প্রকার রাইফেল, যার টোটায় গরু ও শূকরের চর্বি ছিল ।
৯) ভারতবর্ষে স্বায়ত্ত শাসনের দাবিতে প্রথম কোন রাজনৈতিক দল আন্দোলন করেন – হোমরুল লিগ ।
১০) কেশরী পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন – বাল গঙ্গাধর তিলক ।

১১) ‘ফরাজি’ শব্দের অর্থ কি – ইসলাম নির্দিষ্ট বাধ্যতামূলক কর্তব্য ।
১২) বঙ্গভঙ্গ বিরোধী প্রথম বিশাল সমাবেশ কবে, কোথায় হয় – ১৯০৫ সালে ৭ আগস্ট, কলকাতায় ।
১৩) ভারতে ব্রিটিশ শাসনকালে কবে বিহার ও ওড়িশা দুটি আলাদা প্রদেশ হিসাবে স্বীকৃত পায় – ১৯১২ সালে ।
১৪) বিহারের চম্পারন জেলায় মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী প্রথম কাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন – অত্যাচারিত জমির মালিক ও নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে ।
১৫) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কবে প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৮৮৫ সালে ।
১৬) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মহিলা সভাপতির নাম কি – সরোজিনী নাইডু ।
১৭) ১৯০৬ সালে কোন শহরে ‘মুসলিম লিগ’ প্রতিষ্ঠিত হয় – ঢাকা ।
১৮) প্রথম কে ভারতের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন – মাদাম ভিকাজি কামা ।
১৯) গান্ধীজী প্রথম কোন আন্দোলনের সময় অনশনকে আন্দোলনের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করেন – ১৯১৮ সালে আমেদাবাদে বস্ত্রশিল্পের শ্রমিকদের আন্দোলনের সময় ।
২০) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশন কোথায় হয় – বোম্বের গোকুলদাস তেজপাল সংস্কৃত কলেজে ।
২১) সীধু-কানু কোন বিদ্রোহে যোগ দিয়েছিলেন – সাঁওতাল বিদ্রোহে ।
২২) বাংলায় বর্গি হানা কত সালে শুরু হয় – ১৭৪২ খ্রিস্টাব্দে ।
২৩) ‘অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি’ কে প্রবর্তন করেন – লর্ড ওয়েলেসলি ।
২৪) বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন – ওয়ারেন হেস্টিং ।
২৫) ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট স্থাপিত হয় কত সালে – ১৭৭৪ সালে ।

২৬) ভারতে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা কে চালু করেন – লর্ড কর্নওয়ালিস
২৭) ‘এশিয়াটিক সোসাইটি’ কবে প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৭৮৪ খ্রিস্টাব্দে 
২৮) লাহোর চুক্তি কত সালে সাক্ষরিত হয় – ১৮৪৬ খ্রিস্টাব্দে ।
২৯) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কে চালু করেন - লর্ড কর্নওয়ালিস
৩০) ‘অব-শিল্পায়ন’ কথাটির অর্থ কি – শিল্পের অবনমন ।
৩১) সাগরে সন্তান বিসর্জন প্রথা কে বন্ধ করেন - লর্ড ওয়েলেসলি ।
৩২) বিধবা বিবাহের পক্ষে আন্দোলন কে করেছিলেন – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ।
৩৩) আত্মীয় সভা কে প্রতিষ্ঠা করেন – রাজা রামমোহন রায় ।
৩৪) সিপাহি বিদ্রোহের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন – লর্ড ক্যানিং ।
৩৫) নীল দর্পণ নাটক কে রচনা করেন – দীনবন্ধু মিত্র ।
৩৬) সতীদাহ প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন কে করেছিলেন - রাজা রামমোহন রায় ।
৩৭) হিন্দুমেলা প্রতিষ্ঠা করেন কে – নবগোপাল মিত্র ।
৩৮) বঙ্গভঙ্গ কবে রদ হয়েছিল – ১৯১১ সালে ।
৩৯) গান্ধীজী তাঁর রাজনৈতিক আন্দোলন কোথায় শুরু করেছিলেন – দক্ষিণ আফ্রিকায় ।
৪০) স্বরাজ্য দল কে তৈরি করেছিলেন – চিত্তরঞ্জন দাশ ।

৪১) ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসকে ‘ভারতের বিজাতীয় কংগ্রেস’ কে বলেছিলেন – অরবিন্দ ঘোষ ।
৪২) ‘স্বত্ত্ববিলোপ নীতি’ ভারতে কে প্রবর্তন করেন – লর্ড ডালহৌসি ।
৪৩) কলকাতা, মাদ্রাজ, মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয় কবে প্রতিষ্ঠা হয় – ১৮৫৭ সালে ।
৪৪) কংগ্রেসের কোন অধিবেশনে ‘পূর্ণ স্বরাজ’ এর দাবি গৃহীত হয় – লাহোর অধিবেশনে (১৯২৯) ।
৪৫) ‘এশিয়াটিক সোসাইটির’ প্রতিষ্ঠাতা কে – স্যার উইলিয়াম জোন্স ।
৪৬) ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়ে প্রথম কার ফাঁসি হয়েছিল – মহারাজা নন্দ কুমারের ।
৪৭) চট্টগ্রামে ব্রিটিশ অস্ত্রাগার কবে লুট হয় – ১৯৩০ সালে ।
৪৮) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কবে শুরু হয় – ১৯১৪ সালে ।
৪৯) নৌ বিদ্রোহের সূচনা কোথায় হয় – বোম্বাই/মুম্বাইতে ।
৫০) ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কবে তৈরি হয় – ১৬০০ সালে ।
৫১) আজাদ হিন্দ সরকার কোথায় স্থাপিত হয় – সিঙ্গাপুরে ।
৫২) সাময়িক আজাদ হিন্দ সরকার কবে গঠিত হয় – ১৯৪৩ সালে ২১ অক্টোবর ।
৫৩) ভারত বিভাজনের পরিকল্পনা কে করেছিলেন – লর্ড ম্যাউন্টব্যাটেন ।
৫৪) ভারতীয় গণপরিষদের সভাপতি কে ছিলেন – রাজেন্দ্র প্রসাদ ।
৫৫) ব্রিটিশরা কেন ভারতে উপনিবেশ স্থাপন করেছিলেন – ভারতের সম্পদ শোষণ করার জন্য ।
৫৬) লর্ড ওয়েলেসলির ‘অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি’ কেন সফল হয়েছিল – দেশীয় রাজ্যগুলির মধ্যে ঐক্য ছিল না বলে ।
৫৭) সিপাহি বাহিনীতে জাত ভিত্তিক মনোভাব কেন দেখা দিয়েছিল -  সিপাহিদের জাতের ভিত্তিতে ভাগ করা হয়েছিল ।
৫৮) ব্রিটিশ আমলে ভারতে প্রথম জনগণনা কবে হয় – ১৮৭২ সালে ।
৫৯) সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা কবে থেকে চালু হয় – ১৮৫৩ সালে ।
৬০) ভারতবর্ষ কবে স্বাধীন হয় – ১৯৪৭ সালে ১৫ আগস্ট ।
  আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নীচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । ইতিহাস বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে ইতিহাস লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ 


অর্ডার করতে নীচের লিঙ্কে প্লিজ ক্লিক করুন।

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

পেঁচা নিয়ে বিভিন্ন বিশ্বাস ও অবিশ্বাস গুলি কি কি ?.


 পেঁচা কথাটি শুনলে আপনার মনে ভাল ও মন্দ দুই ধরণের কথা মনে পড়ে যায় । কিছু পেঁচাকে সৌভাগ্যের চিহ্ন হিসাবে আবার কিছু পেঁচাকে দুঃখের কারণ বলে মানুষ মনে করে । লক্ষ্মী পেঁচাকে আমরা সবাই সৌভাগ্যের প্রতীক ও হুতুম পেঁচাকে অলক্ষ্মী বলে ভেবে থাকি । আদিম যুগে মানুষ পেঁচাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখেছেন ও তাঁর পুজো করেছেন । বাঙালিদের লক্ষ্মীর বাহন হিসাবে পেঁচাকে স্থান দেওয়া হয়েছে । মা লক্ষ্মীর বাহন হওয়ার আগে থেকেও পেঁচার পুজো করা হত ।


  লক্ষ্মীর বাহন হিসাবে পেঁচা এসেছে আলেকজান্ডারের পরে পশ্চিম সীমান্তবর্তী গ্রিক রাজাদের মুদ্রা থেকে । লক্ষ্মীর বাহন হিসাবে পেঁচাকে ভাবার কারণ হল যে – পেঁচা শস্যক্ষেত্রে বিভিন্ন পোকামাকড়, ইঁদুর, ব্যাঙ ও বিভিন্ন শস্য নস্টকারী প্রাণীদের খেয়ে ধ্বংস করে বলে । একজোড়া পেঁচা পাঁচ বছরে প্রায় তিন হাজার ইঁদুর হত্যা করতে পারে । প্রাচীন রোমের দেবী ‘মিনার্ভা’র হাতে পেঁচা থাকে । তাঁকে জ্ঞানের ও জাদুর প্রতীক হিসাবে মনে করা হয় । আবার পেঁচা গ্রিসের শান্তি ও জ্ঞানের দেবী এথেনার বাহন হিসাবে দেখা যায় । খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ সালে ইজিপ্টে একটি কাঠের কফিনে একটি অদ্ভুত দেখতে পেঁচার ছবি পাওয়া গিয়েছে । আবার মধ্য-পশ্চিম আমেরিকায় একটি পাহারের গুহায় প্যালিওসিন যুগের পেঁচার ফসিল পাওয়া গিয়েছে ।


  পেঁচার বয়স কত ? আপনি বলবেন আবার কত হবে । মানুষের বয়সের থেকে হয়তো একটু বেশি আবার কি । কিন্তু না, তাহলে পৃথিবীতে পেঁচা কবে থেকে এসেছে ? একদল গবেষকদের মতানুসারে – পেঁচা ডাইনোসরদের থেকে ৩৫০০ বছর আগে পৃথিবীতে জন্ম হয়েছিল । পেঁচা নাকি ডাইনোসরদের থেকেও পুরনো । প্রত্নতাত্ত্বিকরা পেঁচার জীবাশ্ম বিচার করে দাবি করেন যে – পেঁচার বয়স ৬ কোটি বা তাঁর থেকে বেশি হবে । বিশেষজ্ঞদের মতে পেঁচার বয়স আরও বেশি হতে পারে বলে তাঁর মনে করেন

  পাখিদের মধ্যে পেঁচা সবথেকে নিষ্ঠুর শিকারি পাখি । ঈগলের মত শিকারি পাখিরা এতটা নিষ্ঠুর হয়না । শিকার করার পর শিকারের হৃদপিণ্ড ও পাকস্থলী প্রথমে বার করে খায় । পেঁচারা আবার স্বজাতীয় মাংস খায় । পেঁচার যদি কোন দুর্বল সন্তান হয় তবে তাঁকে সুস্থ ও সবল সন্তানদের মধ্যে খাবার হিসাবে ভাগ করে খেতে দেয় । পেঁচারা আবার ছদ্মবেশ ধরায় পাকা ওস্তাদ । আফ্রিকার জঙ্গলে এমন এক ধরণের পেঁচার খোঁজ পাওয়া যারা নিজেদেরকে দিনের বেলায় লুকিয়ে রাখে । যাতে করে কোন শিকারি পাখি তার খোঁজ না পায় । 
   আবার গাছের ডালে গা ঢাকা দিয়ে থাকে, আবার কখন গাছের ছালের সঙ্গে মিশে যায় । গবেষকদের মতে – তাঁরা যদি আপনার চোখের সামনে থাকে, তবুও তাঁদের চেনা খুব কঠিন কাজ হবে । বিশ্বের ক্ষুদ্রতম পেঁচার উচ্চতা মাত্র ৬ ইঞ্চি ও ওজন মাত্র ৪০ গ্রাম । কানাডা ও আমেরিকার বিশেষকরে ক্যালিফোর্নিয়ার কলোরাডো নদীর ধারে এই পেঁচা বেশি দেখা যায় ।


 পেঁচা নিয়ে বিভিন্ন বিশ্বাস ও অবিশ্বাস –
  আমাদের দেশ কেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পেঁচা নিয়ে বিভিন্ন বিশ্বাস ও অবিশ্বাস প্রচলিত আছে । ভারতে কিছু বিশ্বাস ও অবিশ্বাস এমন হল যে – ভারতের কোন কোন এলাকায় মানুষ এমন বিশ্বাস করেন যে পেঁচা হল নাকি বাদুড়ের স্ত্রী । প্রাচীনকালে উত্তর ভারতের মানুষরা বিশ্বাস করতেন যে কেউ যদি পেঁচার চোখ খেয়ে নেয় তবে সে রাত্রে ভাল দেখতে পাবে । প্রাচীনকালে বাতের ব্যথা সারাতে ও হজমের ওষুধ হিসাবে পেঁচার মাংস ব্যবহার করা হয় । উত্তর ভারতে কাল পেঁচাকে মৃত্যুর প্রতীক হিসাবে ধরা হয় ।

  আফ্রিকার বিভিন্ন এলাকাতে বিভিন্ন জাতি এদের কি মনে করতেন । মধ্য আফ্রিকার বান্টু জাতির কাছে জাদুকরের প্রতীক ছিল পেঁচা । দক্ষিণ আফ্রিকার জুলুক জাতির কাছে পেঁচা হল একটি জাদুকরী পাখি । পূর্ব আফ্রিকার সোয়া-হিলি জাতির লোকেরা বিশ্বাস করতেন যে – ছোটো শিশুদের অসুস্থতার সংকেত পেঁচা বহন করে নিয়ে আসে । পশ্চিম আফ্রিকায় পেঁচাকে জাদুকরী ও পিশাচিনীর বার্তা বাহক মনে করা হত । পেঁচা তাঁদের খারাপ সময়ের আগান অবস্থা জানাত ।

  অস্ট্রেলিয়ায় আদিবাসীরা বিশ্বাস করেন যে – বাদুড় পুরুষ আত্মার বাহক আর পেঁচা নারী আত্মার বাহক । পোল্যান্ডের পোলিশ সভ্যতার মানুষদের ধারণা ছিল যে – মৃত্যুর পর অবিবাহিত নারীরা পায়রা হয় ও বিবাহিত নারীরা পেঁচা হয়ে জন্ম নেয় । ব্যাবিলনে এমন বিশ্বাস যে নারীর প্রসব হওয়ার সময় পেঁচা তাবিজ হয়ে তাঁদেরকে রক্ষা করেন । জার্মানিতে বিশ্বাস – যদি সন্তান জন্মের সময় পেঁচা ডাকে তবে সেই সন্তানের ভাগ্য ভাল হয়না । ফ্রান্সের লোকেরা বিশ্বাস করেন যে – অন্তঃসত্ত্বা মহিলা যদি পেঁচার ডাক শোনেন তাহলে তাঁর কন্যা সন্তান হবে ।


  বেলজিয়ামের মানুষরা বিশ্বাস করেন যে – গির্জায় ইঁদুরের উৎপাত বন্ধ করার জন্য পেঁচাকে গির্জায় থাকার জন্য আদেশ দিয়েছিলেন যিশুখ্রিস্টস্পেনে প্রাচীন কালে মানুষের বিশ্বাস ছিল যে – যীশুকে ক্রুশের ওপর হত্যা হওয়ার দেখার আগে পর্যন্ত পেঁচা একটি সুরেলা পাখি ছিল । কিন্তু, এই ঘটনার পর রাত্রে ডাকার সময় পেঁচার ডাক বদলে গেছে ।

 মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে যাওয়ার আগে যদি রাস্তাতে কোন পেঁচাকে দেখে যায় তবে, সেই যুদ্ধের ফল হবে রক্তাক্ত । জাপানের এইনু প্রজাতির মানুষরা যে কোন অভিযানে যাওয়ার আগে পেঁচাকে সুরা উৎসর্গ করতেন । তাঁদের বিশ্বাস ছিল এর ফলে তাঁদের কোন বিপদ হলে তাঁরা সেই বিপদ থেকে বেঁচে যাবেন । এছাড়াও বিভিন্ন দেশে পেঁচাকে নিয়ে বিভিন্ন কথা প্রচলিত রয়েছে, তাঁরা সেইসব ধারণা মেনে চলতেন ।

 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । জানা অজানা বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে জানা অজানা লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

  আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

কম্প্যুটার ভাইরাস কাকে বলে, ভাইরাস প্রতিরোধের উপায় কি কি ?.


  দশ বছরের ছোট রিয়া সে আজ তাঁর বাবার সাথে ডাক্তার বাবুর কাছে এসেছে । ডাক্তার বাবু রিয়াকে দেখে বললেন – রিয়া তোমার তো ভাইরাস থেকে জ্বর হয়েছে । তখন রিয়া বলল – ডাক্তার বাবু ভাইরাস তো মোবাইল কম্প্যুটারে হয় । ডাক্তার বাবু বললেন – এখানে ভাইরাস হল এক প্রকার জীবাণু যা আমাদের শরীরের মধ্যে প্রবেশ করে বিভিন্ন ধরণের অসুখ তৈরি করে । তাহলে মোবাইল কম্প্যুটার ভাইরাস কি ?.


 মোবাইল কম্প্যুটার ভাইরাস হল এমন একটি ঘাতক কম্প্যুটার প্রোগ্রাম বা সফটওয়ার যা কিনা আমাদের কম্প্যুটারে আমাদের অজান্তে প্রবেশ করে । প্রবেশ করার পর সাধারণত ব্যবহারকারীর কম্প্যুটারে বিভিন্ন ফাইল, হার্ড ডিস্ক, ও অন্যান্য প্রোগ্রামের ক্ষতি করে । ভাইরাস গুলি ব্যবহারকারী বোঝার আগে কম্প্যুটারে ক্ষতি করে দেয় । এরফলে কম্প্যুটারের কাজ করার ক্ষমতা কমে যায় । অনেক সময় দেখা যায় এই ভাইরাস গুলির মধ্যে মজার মেসেজ বা ছবি দেখতে পাওয়া যায় । ভুল ফলাফল প্রদান করে, গড়বড় হয়ে যায় । আপনি যদি দেখেন যে আপনার কম্প্যুটার আগের মত কাজ করতে পারছেনা, কাজে দেরি হচ্ছে, তাহলে বুজতে হবে যে ভাইরাস আক্রমণ করেছে ।


  ভাইরাস গুলি বিভিন্ন প্রকারের হয় - ফাইল ইনফেক্টর ভাইরাস - বিভিন্ন প্রোগ্রামে যে সমস্ত একজিকিউটিভ ফাইল থাকে সেগুলি নষ্ট করে দেয় । এরফলে সেই প্রোগ্রাম আর কাজ করতে পারেনা । বুট ভাইরাস - কম্প্যুটার বুট হওয়ার সময় লোড হয়ে বুটিং সমস্যা তৈরি করেন । ম্যাক্রো ভাইরাস - এক্সেল, এম,এস,ওয়ার্ড ইত্যাদি প্রোগ্রামের ক্ষতি করে । কয়েকটি ভাইরাস হল – Worm.Win32.FiyStudio.co/ Pack.Win32.Black.d

  ভাইরাস কিভাবে আসে – বিভিন্ন কারণে আমাদের কম্প্যুটার ভাইরাস আসতে পারে । আপনি যদি কোন ভাইরাস যুক্ত ফাইল খোলেন, ভাইরাস যুক্ত সফটওয়ার বা প্রোগ্রাম ব্যবহার করেন । ই-মেলের সাথে যে অ্যাটাচ করা ফাইল থাকে সেগুলি ভাইরাস থাকলে । সেই ই-মেল যদি আপনি কাউকে পাঠান তবে তাঁর কম্প্যুটার ভাইরাস আক্রান্ত হতে পারে । কোন অপরিচিত ও অ্যাটাচ করা ই-মেল খুলবেন না । কারণ অপরিচিত ই-মেলের মাধ্যমে ভাইরাস আসতে পারে । সেই ই-মেল খোলার আগে ডিলিট করবেন । কোনো সিডি, ডিভিডি, বা ইন্টারনেট থেকে ফাইল ডাউনলোড করার সময়ও আসতে পারে । যেকোন সাধারণ সাইট থেকে ফাইল ডাউনলোড করবেন না ।  যেকোনো প্রোগ্রামার তাঁর মত করে ভাইরাস বানায়, তাই ভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য সবসময় খেয়াল রাখবেন ।


 ভাইরাস প্রতিরোধের উপায় – যদি আপনার কম্প্যুটারে ভাইরাস প্রবেশ করে, ফাইল গুলিকে নষ্ট করে দেয় তাহলে খুব সমস্যা । এর প্রতিকারের ব্যবস্থা করতে হবে । এই সব সমস্যা প্রতিকারের জন্য আমাদের কাছে আছে এন্টিভাইরাস । তাহলে এন্টিভাইরাস কি ? এটি হল এক প্রকারের সফটওয়ার বা প্রোগ্রাম, যে প্রোগ্রাম ভাইরাস নষ্ট করে ফাইল গুলিকে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরত আনতে পারে । যখন কম্প্যুটারে কোনো ভাইরাস দেখতে পাওয়া যায় তখন এন্টিভাইরাস ভাইরাসকে নষ্ট করে দেয় । প্রতিদিন আমাদের পৃথিবী উন্নত হচ্ছে, আবার নতুন নতুন ভাইরাস বানান হচ্ছে । এখন বাজারে বিভিন্ন প্রকারের এন্টিভাইরাস কিনতে পাওয়া যায় ।
   আপনার যেটি ভাল লাগে আপনি সেটি ব্যবহার করতে পারেন । বিনামূল্যে এন্টিভাইরাস গুলি ট্রায়াল হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন । ফ্রী এন্টিভাইরাস দিয়ে ভাইরাস ডিলিট করা যায় না । এর জন্য পেইড এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন । কম্প্যুটারে ইন্টারনেট চালানোর আগে অবশ্যই এন্টিভাইরাস ব্যবহার করবেন । ইন্টারনেট থেকে ভাইরাস আসে । আপডেট করা এন্টিভাইরাস ব্যবহার করবেন, যা নতুন নতুন ভাইরাস সহজে মোকাবিলা করতে পারে । সাধারণ কথাটা মনে রাখুন এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন, এতে আপনি সুরক্ষিত থাকবেন এবং আপনার কম্পিউটার ও সুরক্ষিত থাকবে। এবার চিন্তা না করে ইন্টারনেট চালানো যেতে পারে । কয়েকটি এন্টিভাইরাস হল – Quick Heal, Norton, AVG, Nod 32, Kaspersky, McAfee.
 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । ইন্টারনেট বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে ইন্টারনেট লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

সুস্থ নীরোগ সন্তান লাভ করবেন কিভাবে ?.


  আমরা সব মানুষ আশা করি যে আমাদের সন্তান যেন পৃথিবীতে ভালভাবে জন্ম নিয়ে সুস্থ, নীরোগ ও দীর্ঘ জীবী হয় । তাঁর জন্য আমাদের বিশেষ করনীয় কাজ আছে । তাঁর মাধ্যমে আমারা সুস্থ, নীরোগ সন্তান পেতে পারি । সেই করনীয় কথা গুলি জানতে আমাদের লেখাটি শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে পড়ুন ।

১) প্রথমে আমাদের সব থেকে দরকারি কথা হল যে – সন্তান ধারণকারী মা ও বাবার শরীর যেন সুস্থ থাকে । কারণ তাঁদের শরীরে যদি কোন রোগ হয়ে থাকে । কারণ মা বাবার শরীরে যদি কোনও রোগ থাকে তাহলে তা হতে যাওয়া সন্তানের হওয়ার সম্ভাবনা থাকে । অবশ্যই দুজনের ডাক্তারি পরীক্ষা করে নেবেন । এইডস, থ্যালাসেমিয়া,  প্রভৃতি রোগ আপনার থেকে আপনার সন্তানের হতে পারে । আপনাদের কোন সময় শরীর একদম সম্পূর্ণ সুস্থ থাকে সেই সময় সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করবেন । অসুস্থ অবস্থায় সন্তান নেওয়া ঠিক নয় ।


২) গর্ভধারণের জন্য প্রহর খুব গুরুত্বপূর্ণ । রাত্রির প্রথম প্রহরে গর্ভধারণ হলে সন্তান অল্পায়ু, রুগ্ন, দুর্বল হয় । দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রহর উপযুক্ত নয় । যদি চতুর্থ প্রহরে গর্ভধারণ করেন সন্তান নীরোগ ও দীর্ঘায়ু হয় । ঋতুর প্রথম দিন থেকে ১৬ দিন পর্যন্ত গর্ভধারণের সময় । সুসন্তান পাওয়ার জন্য ঋতুর প্রথম প্রথম চার দিন, এগারো দিন, তেরতম দিন বাদ দিয়ে সহবাস করুন । সংক্রান্তি, চতুর্দশী, অষ্টমী, অমাবস্যা ও পূর্ণিমার দিন বাদ দিয়ে সহবাস করুন । চতুর্থ, ষষ্ঠ, অষ্টম, দশম, দ্বাদশ রাত্রে সহবাস করলে পুত্র সন্তান আর পঞ্চম, সপ্তম, নবম, একাদশ রাত্রে সহবাস করলে কন্যা সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে । সোমবার, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সহবাস করার জন্য আদর্শ বার । সকালে ও দ্বিপহরে সহবাস করবেন না । পায়খানা, পিপাসা, খিদে, প্রস্রাব ইত্যাদির সময় সহবাস করবেন না ।

৩) গর্ভাস্থায় দুঃখ, শোক, রাতজাগা, উপবাস, সহবাস এগুলি করবেন না । গর্ভাস্থায় সৎ ও ধর্ম চিন্তা করলে আপনার সন্তান সুখী ও ধার্মিক হবে । গর্ভাস্থায় নারী যদি মিথ্যা কথা বলা, অন্যায় কাজ করা, হিংসা করা ইত্যাদি করে তবে, সন্তানের সেই গুন প্রাপ্ত হয় । মনে কোনও খারাপ চিন্তা থাকবেনা । দুজনের শরীর সম্পূর্ণ সুস্থ থাকবে, পেত সম্পূর্ণ খালি বা পূর্ণ নয়, এমন অবস্থায় সহবাস করুন । গর্ভ ধারণের তৃতীয় মাসে একটি কাঁচা পলাশ পাতা বেটে দুধের সাথে খাওয়ালে বীর্যবান পুত্র সন্তান লাভ হয় । চতুর্থ মাসে যা খেতে ইচ্ছা হবে তাই খেতে দিতে হবে । চতুর্থ মাসে মা যেসব বিদ্যাচর্চা করবেন সন্তান সেই গুন লাভ করে । সামান্য কাজকর্ম করা ভাল, অত্যধিক পরিশ্রমের কাজ করবেন না ।



৪) যদি বন্ধ্যাত্ব দেখা যায় তবে তাঁর প্রতিকার করুন । স্ত্রী জননের গঠনগত সমস্যা বা ক্ষুদ্রতা, ডিম্বাশয়, জরায়ু, শ্বেত প্রদর, ডিম্ববাহী নালী ইত্যাদি সমস্যার জন্য বন্ধ্যাত্ব দেখা যায় । আমার স্বামীর যদি কোনও সমস্যা থাকে তাহলে বন্ধ্যাত্ব দেখা দিতে পারে । পুরুষদের ধ্বজভঙ্গের কারণ – অতিরিক্ত স্ত্রীসঙ্গম, আঘাত লাগা, অতি শুক্রক্ষরন, হস্ত মৈথুন ইত্যাদি ।

৫) গর্ভ হলে জানবেন কিভাবে – মুখ শুখনো দেখা যাবে । মুখ থেকে থুতু বের হবে । আলস্য ভাব দেখা যাবে । শরীর ভারী ভারী মনে হবে । স্তনের মুখ কালো হবে । গর্ভবতী স্ত্রীর দুধ নিয়ে যদি পরীক্ষা করে দেখেন, তাহলে দেখবেন যে – দুধ কে যদি আয়নায় রাখা হয় রৌদ্রে মতির মত বিন্দু দেখা দিয়েছে, তবে পুত্র সন্তান আর যদি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে যায় তবে কন্যা সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে । প্রতিদিন নিয়মিত স্নান করবেন, শরীর মন পরিষ্কার রাখবেন ।

  আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নীচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে স্বাস্থ্য লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ 

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।


সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

বিয়ে করার জন্য সঠিক ছেলে বা মেয়ে কিভাবে নির্বাচন করবেন ?.


  আমাদের সবার জীবনে বিয়েটা একবার আসে । তাই এক বারের বেশি তাঁর সুযোগ আপনি পাবেন না । যদি ভুল নির্বাচন করেন তাহলে সারাজীবন কষ্টের শেষ থাকবেনা । আর যদি সঠিক নির্বাচন করেন তাহলে আপনার জীবন হবে সুন্দর ও সুখময় । এখন আমি আপনাদের বিয়ে করার জন্য ছেলের বা মেয়ের কি কি গুন বা বৈশিষ্ট্য দেখে বিয়ে করবেন তাঁর কিছু পদ্ধতি এখানে বলা হল । আশা করি আপনি এর মাধ্যমে আপনার সঠিক জীবন সাথী নির্বাচন করতে পারবেন । তাহলে চলুন জেনে নিন সঠিক জীবন সাথী নির্বাচনের বিভিন্ন পদ্ধতি


১) আপনি যাকে বিয়ে করতে চলেছেন বা যে আপনাকে বিয়ে করবেন – একটা জিনিস আপনি অবশ্যই খোঁজ নেবেন যে, সে আপনাকে ভালবেসে বিয়ে করছে না আপনার টাকা-পয়সা বা আপনার চেহারা দেখে বিয়ে করছে । কিছু কিছু এমন মানুষ আছে যারা – মানুষের কোন গুন আছে কিনা না দেখে তাঁর টাকা-পয়সা বা চেহারা দেখে বিয়ে করেন । এমন যদি কোন সম্পর্ক হয় তাহলে সে সম্পর্কের কোনও ভবিষ্যৎ থাকেনা । এমন অনেক ছেলে আছে যারা – কোন সুন্দরি মেয়ে দেখলেই বিয়ে করে নেয় । আবার কিছু মেয়ে আছে যারা – কোন ছেলের টাকা বা সুন্দর চেহারা দেখে বিয়ে করে । বাকি অন্য দরকারি জিনিস গুলি তাঁরা লক্ষ করে না । তাই আপনি যাকে বিয়ে করতে চলেছেন এই বিষয় গুলো ভাল করে খেয়াল রাখবেন । তাই জীবন সাথী নির্বাচন করার সময় দেখুন যে – সে আপনার টাকা-পয়সা বা চেহারা নয়, আপনাকে ভালোবেসে বিয়ে করছে ।

২) আপনি যদি ভালোবেসে বিয়ে করতে চান তাহলে আপনাকে লক্ষ রাখতে হবে যে – সে আর আপনি যেন নিজেদেরকে মানিয়ে চলতে পারেন । এমন যেন না হয় – আপনারা বিয়ে করতে চলেছেন, অথচ কেউ কাউকে মানিয়ে নিতে পারছেন না । এরকম হলে জীবনের অনেক ক্ষতি হবে । নিজেদের মধ্যে এরকম ভুল বোঝাবুঝি যেন না হয় । যাতে বোঝাবুঝি না হয় সে দিকে খেয়াল রাখবেন ।

৩) আপনি যাকে বিয়ে করবেন এটি লক্ষ করবেন যে – সে তাঁর পরিবারের সঙ্গে কতটা ভাল সম্পর্ক রাখে, বা তাঁর পরিবারের খেয়াল রাখে । কারণ, সে যদি তাঁর পরিবারের খেয়াল রাখে তাহলে সে আপনাকে ও আপনার পরিবারের সদস্যদের ও খেয়াল রাখবে । যদি সে নিজের পরিবারের খেয়াল না রাখে তবে, সে আপনার পরিবারের খেয়াল রাখবেনা । কারণ, অন্যদের খেয়াল রাখা তাঁর স্বভাবে নেই । 


৪) আপনি যাকে বিয়ে করতে চলেছেন এটা দেখে নিন যে – তাঁর জীবনে আগে থেকে অন্য কোন মানুষ আছে না নেই । সে হয়তো  আগে কাউকে ভালোবাসতো, সেই সম্পর্ক কোন কারনে ভেঙ্গে গেছে । তাঁর সাথে আগে যা হওয়ার হয়েছে, বর্তমানে তাঁর সাথে এখন কোন সম্পর্ক নেই । তাহলে আপনি তাঁকে না করবেন কিভাবে । কিন্তু, যদি দেখেন যে সে এখনও কারোর সাথে তাঁর সম্পর্ক রয়েছে তবে তাঁকে বিয়ে করার জন্য নির্বাচন করবেন না । কারণ, যার মনে অন্য কারোর জন্য জায়গা আছে সে আপনাকে তাঁর মনে জায়গা কিভাবে দেবে ।

৫) যে মানুষ নিজের সমস্যার সমাধান করতে পারে, এমন মানুষ জীবনে অনেক কিছু করতে পারে । আপনি যাকে বিয়ে করার জন্য নির্বাচন করবেন তাঁর মধ্যে এই গুনটি আছে নাকি দেখে নেবেন । এই সমস্ত মানুষ জীবনে যা চায় তা পাওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে । আমাদের জীবনে অনেক সময় নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয় । এই সমস্ত মানুষ নিজের সমস্যা সমাধানের পরে আপনার ও আপনার পরিবারের সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করবে । যদি তাঁর কাছে এই সব সমস্যার সমাধান সহজে পেয়ে যান তাহলে, আপনার কোন সমস্যা আপনাকে ক্ষতি করতে পারবেনা ।
৬) কোন মানুষের মধ্যে ব্যক্তিত্ব থাকা ভাল, তবে তাঁর ব্যক্তিত্ব যেন এমন না হয় যে সেটা অহংকারে পর্যবসিত হয় । অহংকারী মানুষ কোনটা সঠিক কোনটা ভুল সহজে বুজতে পারেনা । সে ভাবে যে তাঁর মত আর কেউ নেই, সে সবার সেরা । মনে অহংকার থাকা ভাল স্বভাব নয় । তাই যাকে বিয়ে করবেন তাঁর এই দোষটি আছে কিনা লক্ষ করুন ।

৭) এমন অনেক মানুষ আছেন যাদের সম্পর্ক নিয়ে তেমন কোনও আগ্রহ দেখা যায় না । এরকম সম্পর্ক বেশি দিন টিকে না, সহজে ভেঙ্গে যায় । যদি সম্পর্কে দুজনের কোন আগ্রহ না থাকে তাহলে সেটা টিকিয়ে রাখা কঠিন । এরকম সম্পর্কের কোন মূল্য থাকেনা ।

৮) সবার শেষে বলবো বিয়ে করুন তাঁকে যার বংশ ভাল । কারণ ভাল বংশের মানুষরা তাঁদের পূর্বপুরুষদের নানা গুনের অধিকারী হয় । তাঁরা তাঁদের বংশের মানুষদের মত হয়ে থাকে । তাই আমরা চাকরি করা বাড়ির লোকেদের চাকরি করতে দেখি, শ্রমিক মজুর বাড়ির লোকেরা শ্রমিক মজুর হয় ।
আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । সম্পর্ক বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে সম্পর্ক লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।