বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ, ২০১৯

আপনি একটি ভাল মেয়ে চিনবেন কিভাবে, ভাল মেয়ে চেনার উপায় কি ?


  সকল মানুষ জীবনে আশা করে যে তার জীবনে একটা ভাল মেয়ে আসবে তাই আমরা সবাই ভাল মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব করতে চাই । কিন্তুআমাদের প্রধান সমস্যা হয় যে আমরা কে ভালকে খারাপ সহজে চিনতে পারিনা । প্রথম প্রথম ভাল মনে হলেও কয়েক দিন বা মাস পর আমরা তাঁর বিভিন্ন দোষগুনভাল দিক,খারাপ দিক ইত্যাদি দেখতে পাই । এখন আপনি সহজে জানতে পারবেন যে একটি মেয়ে ভাল কি খারাপ তাঁর জন্য আপনাকে কয়েকটি কথা মনে রাখতে হবে । যার সাহায্যে আপনি একটি ভাল মেয়েকে সহজে চিনতে পারবেন ।তাই জানতে আমাদের লেখাটা শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে পড়বেন।


১) যে মেয়েরা সবাইকে সম্মান করে । বাড়িতে বাবা, কাকা, দাদা আরও অনেক মানুষ থাকে । তাদের কথা শুনে বা তাদেরকে গুরুত্ব দেয় কিনা । আর এক ধরনের মেয়ে আছে যারা বাড়ির কারোর কথা শুনেনা । বাড়িতে কে কি বলল তাঁর কোন গুরুত্ব দেয় না । সব সময় নিজেকে নিয়ে থাকে, নিজের মত করে সময় কাটায়। যে মেয়েরা বাড়ির লোকের কথা শোনেনা সেকি আপনার কথা শুনবে, নাকি সে মেয়ে ভাল হবে ।


২) যে সব মেয়েদের কথা বলার ধরন এবং গলার স্বর সুন্দর হয় তাঁরা ভাল হয় । অনেকে আছে যারা কথা ঠিক ভাবে গুছিয়ে বলতে পারেনা । সে কি বলতে চাইছে তা বোঝা যায় না । যে কথা ভাল করে গুছিয়ে বলতে পারে তাঁর মধ্যে অনেক গুন থাকে । সবার মধ্যে সুন্দর ভাবে কথা বলার ক্ষমতা থাকেনা ।গলার স্বর একটি ভাল মেয়ে চেনার সহজ উপায় ।যাদের গলার স্বর নরম, হালকা, সুন্দর হয় তাঁরা ভাল মনের মানুষ হয় । অনেকে আছে যারা অকারনে মানুষের সাথে ঝামেলা করে ।সামান্য কথাকে বড় করে ভাবে, অযথা গণ্ডগোল করে ।

৩) মানুষ জীবনে ভুল করে কেউ জেনে ভুল করেনা । ভুল করার পর যদি আপনি তাঁর ভুল ধরিয়ে দেন, সে যদি আপনার কাছে তাঁর ভুল স্বীকার করে তবে জানবেন সে ভাল । তাঁরা জীবনে ভুল করার পর নিজে অনুশোচনা করে, কেন সে এমন ভুল করল । আবার এক ধরনের মানুষ আছে যারা কোন ভুল করার পর অনুশোচনা করা তো দূরের কথা, সে মানতে পারবেনা যে সে কোন ভুল করেছে । যে তাঁর ভুল ধরিয়ে দেয় তাঁর উপর রাগ করে । তাকে ভাবে এর জন্য তাঁর আজ এই অবস্থা হয়েছে । এরকম মানুষ কখন ভাল হয় না ।


৪) যারা বন্ধু বান্ধবদের সাহায্য করে তাঁরা ভাল মনের মানুষ হয় । আমাদের সমাজে সবার বন্ধু বান্ধব থাকে । কোন সময় তাঁদের আমাদের সাহায্য করতে বা সাহায্য দিতে হয় । যদি তাঁদের সঠিক সময় সাহায্য করেন তবে তাঁদের অনেক উপকার হয় । অনেকে আছে ভাবে যে তাকে সাহায্য করবো কেন, আমার কি লাভ হবে ইত্যাদি । আপনি যদি অপর কে সাহায্য করেন সেও কদিন আপনাকে সাহায্য করবে । যারা অপরের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় , তাঁরা প্রকৃত মানুষের পরিচয় দেয় । যে মেয়ের মধ্যে এই গুন রয়েছে সে সত্যি ভাল মানুষ হয় ।

৫) যে মেয়ে নিজেকে কখন বড় ভাবেনা । সমাজে এমন মানুষ দেখা যায় যে সে ভাবে যে সে সবার থেকে বেশি জানে, বাকি মানুষ কিছু জানেনা । যারা এমন ভাবে তাঁরা অহংকারি হয় ।আবার আনেক মেয়ে আছে যারা বাবার টাকা আছে বলে আপনার বা আমাদের মত সাধারন মানুষকে কোন গুরুত্ব দেয় না । তাঁরা এটা ভাবেনা যে টাকা থাকলে সব পাওয়া গেলেও মানুষের বন্ধুত্ব, ভালবাসা টাকা দিয়ে পাওয়া যায়না ।

৬) অনেক মেয়েকে দেখবেন কথায় কথায় মিথ্যা বলে । তাঁদের মিথ্যা বলতে কোন লজ্জা করেনা । আমাদের বিশেষ প্রয়োজনে দু একটা মিথ্যা বলার দরকার হয় । কিন্তু যারা কথায় কথায় মিথ্যা বলে তাঁরা কখন ভাল মেয়ে হতে পারেনা । একটা মিথ্যা চাপা দিতে গিয়ে হাজার হাজার মিথ্যার আশ্রয় নেয়।


৭) অনেক মানুষ মেয়েদের কাপড়-জামা দেখে তাঁদের বিচার করেন । যদি কেউ শাড়ি পরে সে ভাল মেয়ে, আর যারা জিন্স, টিশার্ট পরে সে খারাপ ।আমি বলবো এটা আপনার ভুল ধারনা । কারন যে মেয়ের যে পোশাক পরা অভ্যাস সে সেই পোশাক ব্যবহার করবে । আমাদের সমাজে মেয়েদের সাধারন পোশাক হল শাড়ি । যদি কেউ অন্য পোশাক পরে সে ভালনা এমন মনে করার কোন কারন নেই । কিন্তু, বর্তমানে সমাজে মেয়েরা এমন পোশাক পরছে যে আমাদের সমাজে সেগুলি মানান সই নয় ।  এমন পোশাক পড়া উচিৎ যা মানুষকে সুন্দর দেখায় ।  কোন কিছু অতিরিক্ত ভাল হয় না ।

আমাদের আরও পোস্ট পড়ুন - 


   আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নীচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । সম্পর্ক বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে সম্পর্ক লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ । 

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

সুস্থ ও নীরোগ থাকার ১০ টি উপায় কি কি ?


 স্বাস্থ্য শুধুমাত্র রোগ থেকে মুক্তি বা নীরোগ দেহ বা শারীরিক সুস্থতা নয়স্বাস্থ্য হল ব্যক্তির সামাজিকমানসিকও শারীরিক গুণাবলির এমন একটি সমন্বয়যা তাকে পরিপূর্ণ জীবন যাপনে সহায়তা করে - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  স্বাস্থ্য মানুষের জীবনের সবথেকে বড় সম্পদ। আমরা সবাই চাই সুস্থ নীরোগ সুন্দর জীবন । তাই আমাদের খাদ্যপানীয়আলো-বাতাসস্নানপোশাকসুনিদ্রাবিশ্রাম ইত্যাদির দিকে খেয়াল রাখা দরকার ।


 এখন আমরা জানব যে আমাদের শরীর সুস্থনীরোগ রাখার উপায় গুলি কি কিসব সময় এগুলি মেনে চলার চেষ্টা করবেনতাঁর ফলে আপনি পাবেন সুস্থনীরোগপৃথিবীতে বাঁচার জন্য দীর্ঘ জীবন।

১) খাদ্য – খাদ্য হল আমাদের শরীরের প্রধান শক্তির উৎস। আমাদের বয়স ও শরীরের ক্ষমতা অনুসারে সহজপাচ্যপুষ্টিকরলঘু খাদ্য গ্রহণ করা দরকার। শিশুদের ও বয়স্কদের পরিমাণ অনুসারে খাবার খাওয়া উচিত। আমরা যে সমস্ত খাবার খাই তাহলোক) প্রোটিন – শরীরের তাপ উৎপাদনক্ষয়পুরনশরীরের উপাদান নির্মাণ করে। সিমডালকাঁঠালবাদামতিলমাশরুম প্রভৃতি থেকে প্রোটিন পাই। খ) ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় – শরীরে মেদ বা চর্বি তৈরি করে । মাছমাংসডিমদুধঘিছানাইত্যাদি থেকে ফ্যাট পাওয়া যায়। গ) কার্বোহাইড্রেট – শরীরের কাজ করার ক্ষমতাতাপ উৎপাদনদেহে তেজ তৈরি করে। আলুভুট্টাগমআপেলমসুরআখমধুডিমেতে পাওয়া যায়। ঘ) ভিটামিন – ভিটামিনের আরেক নাম খাদ্যপ্রাণ। এর ওভাবে শরীর দুর্বল হয়ে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমে যায়। বিভিন্ন রোগ আক্রমণ করে। ভিটামিন পাওয়া যায় আমগাজরডালসবুজ শাকসবজিসয়াবিনকলাদৈমাখনডিমমাংসতে। ঙ) লবণ – লবণ আমাদের দেহের জন্য দরকারি উপাদান। আমরা শাকসবজিফলমূল এবং আরও নানা খাবার থেকে লবণ পাই। আমাদের এই খাবার গুলি খেতে হবে।

 ২) স্নান করা – শরীর সুস্থ রাখার জন্য আমাদের প্রতিদিন নিয়মিত স্নান করা উচিৎ। স্নান করার জন্য পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ জল ব্যবহার করবেন। খারাপপচা জল ব্যবহার করবেন না। যদি করেন তাহলে আপনার বিভিন্ন চর্ম রোগ হবে। ঠাণ্ডাপরিষ্কারনিরাপদজল ব্যবহার করবেন। যদি পারেন একটু সকাল সকাল স্নান করবেন। সকালে স্নান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। ঠাণ্ডা জলের সাথে কিছুটা গরম জল ব্যবহার করতে পারেন। খুব বেশি সময় জলে থাকবেন না। স্নানের আগে ভাল করে সর্ষের তেল মেখে নেবেন। স্নানের সময় জীবাণু নাশক সাবান মাখুন।

৩) পরিষ্কার পোশাক – আমরা প্রতিদিন যে জামা কাপড় ব্যবহার করি তা নিয়মিত পরিষ্কার করা দরকার। জামা কাপড়ের মাধ্যমে বিভিন্ন চামড়া বা ত্বকের রোগ ছড়ায়। একই পোশাক পর পর কয়েক দিন ব্যবহার করবেন না। পরের বার ব্যবহার করার আগে ধুয়ে নেবেন। না ধুলে আগের ঘামদুর্গন্ধ থেকে চামড়ার সমস্যা দেখা যাবে। বেশি পুরনো জামা কাপড় ব্যবহার করবেন না। যদি পারেন ৬ থেকে ৯ মাসের মধ্যে পুরনো জামা কাপড় বদলে ফেলুন। পুরনো কাপড় ব্যবহার করলে আপনার পুরনো চামড়ার সমস্যা ফিরে আসবে।

৪) জলআলোবাতাস – জল আমাদের খাদ্য পরিপাকঅন্যান্য কাজে সাহায্য করে। জল খেতে হলে বিশুদ্ধ জল খান। জল ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে খাওয়া সবথেকে ভাল।খাবার খাওয়ার আধঘণ্টা পরে ঠাণ্ডা জল খান। জাদের পেতের সমস্যা আছে তারা সামান্য গরম জল খাবেন। জলের বিকল্প হিসাবে বিভিন্ন ফলের রসআখের রসডাবের জল খেতে পারেন। যে ঘরে সহজে আলো ও বাতাস প্রবেশ করতে পারে সে ঘরে থাকবেন। উপযুক্ত আলো স্বাস্থ্যকরশরীরের সুস্থতার জন্য রদের দরকার। সেকারণে ছোট শিশুদের সকালের রোদে রাখা হয়। কম বা বেশি আলো দৃষ্টিশক্তি খারাপ করে দেয়। উপযুক্ত আলো আমাদের দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে। জীবন ধারণ ও শ্বাস গ্রহণ করার জন্য আমরা বাতাসের উপর নির্ভর করি। নির্মল ও বিশুদ্ধ বাতাস মানুষকে সুন্দর ও স্বাস্থ্যবান করে। বিশুদ্ধ বায়ুতে  উপযুক্ত পরিমাণ অক্সিজেন থাকে।

৫) শরীরচর্চা – বর্তমান জীবনে কারোর কাছে অতিরিক্ত সময় থাকেনা। সবাই নিজের কাজ নিয়ে থাকেন। শরীরের গঠন তাই ঠিকভাবে হয়না। শরীর ঠিক রাখতে প্রতিদিন শরীরচর্চা করা দরকার। প্রতিদিন সকালে বা সন্ধ্যায় কম করে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট হাঁটতে পারেন। হাঁটা হল সবথেকে সেরা ব্যায়াম। কিছু সময় সাঁতার কাটতে পারেন। বিভিন্ন যোগ ব্যায়াম করবেন ।


৬) মানসিক চিন্তা – আমরা অনেক সময় মানসিক চিন্তার কাড়নে অসুস্থ হয়ে পড়ি। আমদের জীবনে অনেক রকম ঘটনা ঘটে থাকে। মনে রাখবেন অতীতে যা হয়েছে সেটা আপনার হাতে আর নেই। সেটাকে আপনি আর পালটাতে পারবেন না। তাই এমন ঘটনা বেশি দিন মনে রাখবেন না। একটা লক্ষ নিয়ে সেদিকে আগিয়ে যান। অতিরিক্ত চিন্তা করলে আপনার মাথার বুদ্ধিস্মৃতিকমে যায়। তখন কোন কাজ করতে মন চায়না। কখন কি কাজ করতে হবে তা ভুলে যান। এরকম হলে কাজের কথা একটা ডাইরিতে লিখে রাখবেন। চিন্তা হল পৃথিবীতে সব থেকে বড় অসুখ। আজ থেকে চিন্তা ছেড়ে সুখী ভাবে বাঁচুন 

৭) শরীরের যত্ন – সুস্থনীরোগ থাকার জন্য আমাদের শরীরের যত্ন নেওয়া একান্ত দরকার। প্রতিদিন মিয়মিত স্নান করাদাঁত মাজাচোখ-মুখ পরিষ্কার রাখতে হবে। খাবার পর দাঁত ব্রাশ করবেন। শিশুরা অতিরিক্ত চকলেট বা মিষ্টি খাবার খেলে দাঁতের সমস্যা হতে পারে। কান পরিষ্কার রাখবেকানে ঠাণ্ডা লাগাবেন ন। ঠাণ্ডা  পরিষ্কার জল দিয়ে চোখ পরিষ্কার করবেন। ভিটামিন এ চোখের জন্য উপকারী হাতের নখের দ্বারা জীবাণু আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। তাই নিয়মিত হাত ও পায়ের নখ কাটবেন।

৮) সুঅভ্যাস গঠন – আমাদের উচিত কুঅভ্যাস ত্যাগ করাসুঅভ্যাস গঠন করা। সুঅভ্যাস গুলি হল – নিজের কাজ নিজে করাছবি আঁকাগান করাভোরে ঘুম থেকে ওঠাখেলাধুলা করাদেহ পরিষ্কার রাখা। সমাজ ও পরিবার থেকে মানুষ এগুলো পায়।

৯) রোগের ধারনা – আমরা যখন সুস্থ থাকি তখন কাজে উৎসাহ থাকেকিন্তু যদি আমরা অসুস্থ হই তখন কাজে উৎসাহ  থাকেনা। প্রধানত দুটি কারণের ফলে আমাদের রোগ সংক্রমণ হয়। ক) সংক্রমিত – আন্ত্রিককলেরাএইডস ইত্যাদি। এই রোগগুলি এক জীব থেকে আরেক জীবে ছড়িয়ে পরে। দূষিত জল পান করাখাদ্যে জীবাণুর সংক্রমণ ইত্যাদির ফলে এইসব রোগ হয়। খ) অসংক্রমিত – মধুমেহহৃদরোগমানসিক চাপভিটামিন ও খনিজ লবণের অভাবঅপুষ্টিজিনগত পূর্ব পুরুষদের থেকে আসা রোগ। শরীর অসুস্থ হলে ডাক্তার দেখিয়ে রোগের পরিচর্যা করবেন।

১০) বিনোদন – সবশেষে বলি জীবনে কাজের চাপ থাকবেতাঁর মধ্যে থেকে একটু আনন্দ খুঁজে নিতে হবে। গান শোনাজোকস পড়ামাসে একবার বেড়াতে যেতে পারেন। মুখে যেন সব সময় একটা হাসি থাকে। প্রতিদিন নতুন নতুন কিছু শিখুন। আজ থেকে নিজে নতুন ভাবে চলতে শুরু করুন।

  আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । স্বাস্থ্য বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে স্বাস্থ্য লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ 

অর্ডার করতে নীচের লিঙ্কে প্লিজ ক্লিক করুন।
আমাদের আরও পোস্ট পড়ুন - 

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০১৯

ক্রিকেট খেলার বিভিন্ন প্রশ্ন ও উত্তর গুলি কি কি ?


১) আধুনিক ক্রিকেট খেলা আবিষ্কার কোন দেশে হয় ?
উঃ - ইংল্যান্ডে ।
২) ক্রিকেট খেলার জনক কাকে বলে  ?
উঃ ডব্লিউ. গি. গ্রেস ।
৩) পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ক্রিকেট খেলোয়াড়ের নাম কি ?
উঃ অস্ট্রেলিয়ার স্যর ডন ব্রাডমান ।
৪) ক্রিকেট খেলার পিচের আয়তন কত ?
উঃ ৬৬ ফুট লম্বা ও ১০ ফুট চওড়া ।
৫) কোন ভারতীয় টেস্টে  প্রথম সেঞ্চুরি করেন ?
উঃ লালা অমরনাথ ।
 ৬) প্রথম টেস্ট ক্রিকেট কোন কোন দলের মধ্যে হয় ?
উঃ ১৮৭৭ সালে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া ।


৭) ক্রিকেট খেলাতে ৬ বলে কবে থেকে ওভার শুরু হয় ?
উঃ ১৯০০ সাল থেকে ।
৮) প্রথম একদিনের ক্রিকেট ম্যাচ কোন কোন দলের মধ্যে হয় ?
উঃ ১৯৭১ সালে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া ।
৯) স্কোর বোর্ড ব্যবহার প্রথম কবে শুরু হয় ?
উঃ ১৯৬৪ সালেলর্ডসে ।
১০) ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রথম কবে শুরু হয় ?
উঃ ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে ।
১১) প্রথম বিশ্বকাপ কোন দেশ বিজয়ী হয় ?
উঃ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ।
১২) ভারত প্রথম একদিনের ক্রিকেট ম্যাচ কবে খেলেছিল ?
উঃ ১৯৭৪ সালেবিপক্ষ ইংল্যান্ড ।
১৩) টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম ভারতীয় অধিনায়ক কে ছিলেন ?
উঃ সিকে নাইডু ।
১৪) রেডিওতে প্রথম কবে ধারা বিবরণী প্রচার হয় ?
উঃ ১৯৩০ সালেনটিংহাম ।
১৫) কম টেস্ট খেলে ১০ হাজার রান কে করেন ?
উঃ ব্রায়ান লারা ।
১৬) ভারত কবে বিশ্বকাপ ক্রিকেট জয় করে ?
উঃ ১৯৮৩ সালে২০১১ সালে ।
১৭) কোন খেলোয়াড় প্রথম ভারত রত্ন পুরস্কার পান ?
উঃ শচীন রমেশ টেণ্ডুলকার ।
১৮) টেস্টে সবচেয়ে বেশি উইকেট কে পেয়েছেন ?
উঃ মুথাইয়া মুরলিধরন ।
১৯) ১৯৮৩-র বিশ্বকাপে ম্যান অব দ্য ম্যাচ কে হয়েছিল ?
উঃ মাহিন্দর অমরনাথ ।
২০)  অ্যাসেজ প্রতিযোগিতা কোন কোন দেশের মধ্যে হয় ?
উঃ ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া ।
২১) টেস্ট ক্রিকেটে সর্বাধিক সেঞ্চুরি কে করেন ?
উঃ শচীন টেণ্ডুলকার ।
২২) ভারত প্রথম কবে টেস্ট ম্যাচ খেলে ?
উঃ ১৯৩২ সালেইংল্যান্ড ।
২৩) ভারতীয় কোন বোলার টেস্টে বেশি উইকেট পেয়েছেন ?
উঃ অনিল কুম্বলে ।
২৪) টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম উইকেট জুটিতে সব থেকে বেশি রান কত ?
উঃ ৪১৫মাকেঞ্জি ও স্মিথদঃ আফ্রিকা ।
২৫) ২০১১ বিশ্বকাপ ক্রিকেট কোথায় হয়েছিল ?
উঃ ভারতবাংলাদেশশ্রীলঙ্কায় ।
২৬) ২০১৫ বিশ্বকাপ ক্রিকেট কোথায় হয়েছিল ?
উঃ অস্ট্রেলিয়া ও নিওজিলান্ডে ।
২৭) ইনসার্ট কথার অর্থ কি ?
উঃ টসে জিতে বিপক্ষ দলকে ব্যাট করতে দেওয়াকে ।
২৮) ভারতীয় ক্রিকেটের জনক কাকে বলে ?
উঃ রঞ্জিত সিংজিকে ।
২৯) I .C. C এর পুরো নাম কি ?
উঃ ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল ।
৩০) ক্রিকেট বল কি দিয়ে তৈরি হয় ?
উঃ কর্কচামড়াটোন সুতো দিয়ে ।
৩১) বাংলার ক্রিকেটের জনক কাকে বলে ?
উঃ সারদা রঞ্জন রায়কে ।
৩২) ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড কবে গঠিত হয় ?
উঃ ১৯২৮ সালে ।
৩৩) গুগলি বলের অপর নাম কি ?
উঃ বসিরং ওয়ান ।
৩৪) কত বছর পর্যন্ত আই.সি.সি আম্পায়াররা আম্পায়ারিং করতে পারে ?
উঃ ৬০ বছর পর্যন্ত ।
৩৫) ভারতের একদিনের ম্যাচে প্রথম অধিনায়ক কে ?
উঃ অজিত ওয়াডেকার ।
৩৬) কোন ক্রিকেটার তাঁর প্রথম টেস্টে উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন ?
উঃ ওয়েস্ট ইন্ডিজের লরেন্স রো ।
৩৭) কনিষ্ঠতম টেস্ট ক্রিকেট খেলোয়াড় কে ?
উঃ পাকিস্তানের হাসান রাজা১৪ বছর ২২৭ দিন ।
৩৮) প্রথম এক দিনের মাচে ম্যান অফ দি ম্যাচ কে হয়েছিলেন ?
উঃ ইংল্যান্ডের জন এডরিচ ।
৩৯) ভারতের জাতীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতার নাম কি ?
উঃ রঞ্জি ট্রফি১৯৩৪ সালে শুরু হয় ।
৪০) 'নোবলে কি স্ট্যাম্প আউট হয় ?
উঃ নাহয় না ।
৪১) ২০১১ বিশ্বকাপে সবথেকে বেশি রান কে করেন ?
উঃ তিলকরত্নে দিলশান৫০০ রান ।
৪২) ওভারের কোন বল গুলি ধরা হয় না ?
উঃ নোঅয়াইড বল গুলি ।
৪৩) ক্রিকেট বলের পরিধি কত হয় ?
উঃ ২২.৪ সেমি থেকে ২২.৯ সেমি পর্যন্ত ।
৪৪) এক ব্যাটসম্যান আউট হলে আরেক জনকে কত সময়ের মধ্যে মাঠে নামতে হবে ?
উঃ ৩ মিনিটের মধ্যে ।
৪৫) চায়না ম্যান বল কাকে বলে ?
উঃ বাঁ হাতি স্পিনারদের লেগব্রেক বলকে চায়না ম্যান বল বলে ।
৪৬) লেগ আম্পারের অপর নাম কি ?
উঃ স্ট্রাইকার আম্পায়ার ।
৪৭) ভারতের কয়েকটি ক্রিকেট মাঠের নাম কি ?
উঃ ইডেন গার্ডেনসগ্রিন পার্কওয়াংখেড়েফিরোজ শা  কোটলা ।
৪৮) কোন ক্রিকেটার একটানা বেশি টেস্ট খেলেছেন ?
উঃ সুনীল মনোহর গাভাস্কার১০৬ টি ।
৪৯) প্রথম ফ্লাড লাইটে কোথায় এক দিনের ম্যাচ হয় ?
উঃ সিডনিতে ।
৫০) প্রথম টেস্ট ক্রিকেটে ট্রিপল সেঞ্চুরি কে করেন ?
উঃ অ্যান্ডি স্যান্ডহামইংল্যান্ড ।

 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনও প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । খেলা বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে খেলা লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।
আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।