শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

আপনি চাকরি করার জন্য ইন্টারভিয় কিভাবে দেবেন ?.


 আমাদের প্রতিটি মানুষের জীবনে চাকরি করার আশা থাকে সবাই চায় জীবনে চাকরি করে প্রতিষ্ঠিত হতে চাকরি করার জন্য বেশির ভাগ মানুষ লিখিত পরীক্ষায় পাশ করে যান কিন্তু, ইন্টারভিয় দিতে গিয়ে পাশ করতে পারেনা সবারই একটা কৌতূহল আছে এটা জানার যে কি হয় ইন্টারভিয় রুমে আপনার চাকরি পাবার সম্ভাবনা অনেকখানি নির্ভর করে ইন্টারভিউতে আপনি কতটা ভালো করেন তার ওপর । অনেক সময় চাকরিটা হাতের কাছে এসেও হাত ছাড়া হয়ে যায় আপনার চাকরি যাতে হাত ছাড়া না হয়ে যায় তার জন্য এখন আমি আপনাদের জানাবো যে - আপনি চাকরি করার জন্য ইন্টারভিউ কিভাবে দেবেন ?.
 
১) লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ডাকা হয় মৌখিক পরীক্ষায় মৌখিক পরীক্ষা নানান ভাবে হতে পারে প্রথমে আপনি কাজ করার জন্য যেখানে ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছেন সেই অফিস বা সংস্থা বা কোম্পানি সম্পর্কে আপনাকে আগে থেকে কিছু তথ্য জেনে নিতে হবে যে প্রতিষ্ঠানে আপনি কাজ করতে চাইছেন সেটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন । সেখানে প্রধানত কি কাজ করা হয়, কতজন কাজ করে, কিভাবে কাজ হয়, মাসে কত টাকা মাইনে দেয় ইত্যাদি আপনার এই সব তথ্য জানা থাকলে সেখানে আপনার কাজ পেতে সুবিধা হবে সেজন্য আপনি সেই অফিস বা সংস্থা বা কোম্পানি কোন কর্মীর সাথে আগে কথা বলে নিতে পারেন বর্তমানে এসব জানার একটা ভালো উপায় হল ওই প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট ।
২) আগে দর্শনধারী, তারপর গুণ বিচারিপুরনো হলেও কথা এক্ষেত্রে বেশ প্রযোজ্য । ইন্টারভিউ দেওয়ার জন্য উপযুক্ত পোশাক পরুন যে পোশাকে আপনাকে দেখতে সুন্দর লাগবে তাই বলে আবার বেশি সাজগোজ করবেন না আপনি যতই ভালো ইন্টারভিউ দিন না কেন, আপনার পোশাক পরিচ্ছদ দেখে ইন্টারভিউয়াররা যদি বিরক্ত হন, তাহলে আদতে কোনও লাভ হবে না । ছেলেরা স্যুট ও টাই পরতে পারেন, মেয়েরা শাড়ি বা শালোয়ার ইত্যাদি নিয়োগ বিশেষজ্ঞরা ব্যাপারে সাদা রঙকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন । রঙিন, জবড়জং পোশাকের চেয়ে হালকা রঙের পোশাক পরাই ভালো । দরজায় প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই মুখে হাসি রাখুন, হাসিমুখে প্রতিটি প্রশ্নের জবাব দিন ।
৩) প্রথমবার আপনি যখন ইন্টারভিউ রুমে ঢুকবেন তখন সেখানে উপস্থিত ইন্টারভিউ নেওয়ার জন্য যারা আছেন তাদের সাথে হাত মেলান একজন ইতিবাচক, আত্মবিশ্বাসী এবং পেশাদার লোক কখনোই কাঁপা কাঁপা, নিস্তেজ হাতে করমর্দন করবে না । ঠিকভাবে হ্যান্ডশেক করা অনুশীলন করুন এটা হল এক ধরনের সৌজন্য দেখানো নিজেকে তখন নার্ভাস অনুভব করবেন না
৪) সঠিক ভাবে তাঁদের সামনে বসবেন । বডি ল্যাংগুয়েজের ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় মনে রাখবেন, ইন্টারভিউয়ের সময় কখনো কাত হয়ে বসবেন না । সবসময় সোজা হয়ে বসুন । আপনার বসার ধরন দেখে তাঁরা বুঝে নেবে যে – আপনি কেমন ধরনের মানুষ এমন ভাব দেখাবেন না যাতে আপনাকে অলস বা খুব কাজের মানুষ বলে মনে করে । আপনি আপনার সাধারণ ভাবে স্বাভাবিক থাকবেন । আপনি আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ঠিক রাখবেন ।
৫) আপনাকে এরপর তাঁরা বিভিন্ন প্রশ্ন করবেন । আপনাকে কি ধরনের প্রশ্ন করা হতে পারে তার একটি তালিকা তৈরি করুন এবং সম্ভাব্য উত্তরগুলোও ভেবে নিন । আপনি যে পদের জন্য আবেদন করেছেন ওই পদের কাজের সাথে সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন থাকবে এরপর প্রশ্ন থাকবে কিছু সাধারণ জ্ঞানউপস্থিত বুদ্ধি যাচাই প্রায় সকল বহুজাতিক কোম্পানিতেই করা হয় এক এক কোম্পানির প্রশ্ন ও নম্বর বণ্টনের ধরন এক এক রকম প্রশ্ন গুলির উত্তর ঠিকঠাক দেওয়ার চেষ্টা করুণ । সঠিক উত্তর না জানা থাকলে ভুল উত্তর দিয়ে বিভ্রান্ত করবেন না । কথা বলার সময় আপনি আত্মবিশ্বাসের সাথে কথা বলুন । এমন ভাবে কথা বলবেন না যাতে তাঁরা আপনার কথা বুঝতে না পারে বা শুনতে না পায় । কথার মাঝে কোন কথা বলবেন না । একি কথা বারবার বলবেন না । সোজা হয়ে বসে চোখের দিকে তাকিয়ে প্রশ্নের উত্তর দেবেন । ইন্টারভিউয়ের সময় যার সাথে কথা বলছেন অবশ্যই তার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলবেন । কথা বলার সময় কোন খারাপ শব্দ ব্যবহার করবেন না ।
৬) ইন্টারভিউ দেওয়ার সময় আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে । নিজের ওপর আপনার আত্মবিশ্বাস রাখতে হবে । বিশেষজ্ঞরা বিষয়ে বলেন যে, ইন্টারভিউয়ের সময় ঘাবড়ে না গিয়ে আপনার প্রস্তুত করা উত্তরগুলোর দিকে মনোযোগ দিলে ইন্টারভিউ ভালো হয় । আপনি যদি এগুলো মেনে চলেন তাহলে আপনার চাকরি পাওয়ার সুযোগের সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যাবে । কারণ তাঁরা আপনার বুদ্ধির পরীক্ষার পাশাপাশি মানসিক পরীক্ষা যাচাই করে দেখে । অবশেষে দেখবেন চাকরিটা পেয়ে গেছেন
 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে বা আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্ট টি পৌঁছেদিতে অনুগ্রহ করে শেয়ার করুণ । সম্পর্ক বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে সম্পর্ক লেখাটির উপর ক্লিক করুণ । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।
আরও পোস্ট -
আপনি আপনার নিজের আত্মবিশ্বাস কিভাবে বাড়াবেন ?.
দেহের গঠন অনুসারে মানুষ কেমন প্রকৃতির হয় ?.
সুলক্ষণা নারীদের দেহের লক্ষণ ও গঠন কেমন হয় ?
 

  আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

সম্রাট অশোকের শাসন ব্যবস্থা, ধর্ম, ইত্যাদি কেমন ছিল ?.


  সম্রাট অশোক ছিলেন মৌর্য বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট । অশোকের ইতিহাস জানার জন্য আমরা সাহিত্য ও প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদানের উপর নির্ভরশীল । সাহিত্য উপাদানের মধ্যে বিদ্যবদান, সিংহলী ইতিবৃত্ত প্রধান । ইতিহাসের উপাদান হিসাবে এগুলি দুর্বল কারণ- এগুলি সমসাময়িক নয় । সেই তুলনায় অশোকের লেখগুলি বেশি বিশ্বাসযোগ্য । যেসব ভারতীয় লেখ পাঠোদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে অশোকের লেখ এদের মধ্যে প্রাচীনতম । এশিয়াটিক সোসাইটির সদস্য জেমস প্রিন্সেপ সর্ব প্রথম অশোকের লেখ পাঠোদ্ধার করেন । এই লেখগুলি গিরি গাত্রে, স্তম্ভের উপর, গুহার অভ্যন্তরে পাওয়া গেছে । ভারতের ইতিহাসে অশোক প্রথম সম্রাট যে তার আদর্শ ও কৃতিত্ব এভাবে লিখে গিয়েছিলেন ।

 খ্রিষ্টপূর্ব ২৭২ সালে বিন্দু সারের মৃত্যুর পর পুত্রদের মধ্যে সিংহাসনের অধিকার নিয়ে বিবাদ শুরু হচ্ছিল । বিন্দু সারের জ্যেষ্ঠ পুত্রের নাম সুধীন, দ্বিতীয় পুত্র অশোক । সুধীন ছিলেন উদ্ধত বিলাসী । অশোক ছিলেন হৃদয়হীন নিষ্ঠুর প্রকৃতির । ভাইকে হত্যা করে সিংহাসন অধিকার করলেন । খ্রিস্টপূর্ব ২৬৯ অব্দে অশোকের রাজ্যাভিষেক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছিল । অশোক সিংহাসনে আরোহণ করে প্রথম কয়েক বছর নিজের অধিকারকে সুপ্রতিষ্ঠিত করলেন । যারা তার আনুগত্য স্বীকার করতে অস্বীকার করল, তিনি তাদের নির্মমভাবে হত্যা করলেন । 
 অশোক তাঁর রাজত্বের শুরুতে মৌর্যদের চিরাচরিত রীতি অনুসারে রাজ্য সম্প্রসারণে মন দেন । তিনি তাঁর রাজত্বের ৮ বছরে খ্রিস্টপূর্ব ২৬১ অব্দে কলিঙ্গ রাজ্য জয় করেন । সিংহলী ইতিবৃত্তে এই ঘটনার কোন উল্লেখ পাওয়া জায় না । অশোক কেন কলিঙ্গ রাজ্য জয় করেন তা নিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি বিভিন্ন মন্তব্য দিয়েছেন । তিব্বতীয় বিবরণ থেকে জানা যায় যে – অশোক দক্ষিণ ভারতের প্রবেশের স্থলপথ ও জলপথ নিয়ন্ত্রণ করতে উদ্যোগী হয়েছিলেন । কলিঙ্গ সেই পথে বাঁধা হয়েছিল । প্লিনির মতে – কলিঙ্গ নন্দ সাম্রাজ্যের অংশ ছিল । চন্দ্রগুপ্তের সময় সেটি স্বাধীন হয়ে যায়, তাই অশোক কলিঙ্গ জয় করতে বাধ্য হন ।
 দুই পক্ষের সৈন্যবাহিনী ছিল শক্তিশালী । কিন্তু মগধের সৈন্যরা অনেক বেশি যুদ্ধ পটু আর কৌশলী । কলিঙ্গের সৈন্যরা বীর বিক্রমে লড়াই করেও পরাজিত হল । আহত আর নিহত সৈন্যে ভরে উঠল যুদ্ধক্ষেত্র । এই যুদ্ধে প্রায় ১ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়, দেড় লক্ষ মানুষ বন্দি হন । আরও বিভিন্ন ভাবে অনেক মানুষের মৃত্যু হয় । এই যুদ্ধে পরাজিত হয়ে কলিঙ্গ মৌর্য সাম্রাজ্যের একটি প্রদেশে পরিণত হয়েছিল । যার রাজধানীর নাম ছিল তোসালী । এই যুদ্ধ ছিল মৌর্যদের ইতিহাসে শেষ বড় যুদ্ধ । মগধ ও ভারতের ইতিহাসে এক নতুন পথের নির্দেশক । যুদ্ধক্ষেত্রের এই বিভীষিকাময় দৃশ্য দেখে সম্রাট বিষণ্ণ হয়ে গেলেন। অনুভব করলেন তার সমস্ত অন্তর ভারাক্রান্ত হয়ে উঠছে । এই যুদ্ধের পর অশোক আর কোন যুদ্ধ করেননি । এই যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণাম অশোকের চরিত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটিয়েছিল । রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অন্য মানুষ হয়ে গিয়েছিলেন ।


  এত দিন যে রাজসুখ বিলাস ব্যসনের সাথে পরিচিত ছিলেন তা পরিত্যাগ করে সরল পবিত্র জীবনযাত্রা অবলম্বন করলেন । কলিঙ্গ যুদ্ধের অল্প কিছুদিন পরেই তিনি বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষা গ্রহণ করলেন । তিনি শপথ করলেন আর যুদ্ধ নয়, আর হিংসা নয়, ভগবান বুদ্ধের করুণায় আলোয় অহিংসা মন্ত্রে ভরিয়ে দিতে হবে সমগ্র পৃথিবী । বৌদ্ধ ধর্মের প্রেম করুণায় পূর্ণ হয়ে উঠল তার হৃদয় । এরপর অহিংসাকে তিনি তাঁর জীবনের ব্রত হিসাবে গ্রহণ করেন । তাঁর ধর্মমত পরিবর্তন হয়েছিল । তিনি বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন ।

 অশোক বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন । বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করার পর অশোকের ব্যক্তিগত জীবন ও অভ্যাস বিশেষভাবে পরিবর্তন হয়েছিল । প্রধানত তারই প্রচেষ্টায় পূর্ব ভারতে বৌদ্ধ ধর্ম প্রসার লাভ করে । শুধু সিংহল নয়, ভারতবর্ষের বাইরে আরও বহু দেশে বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারের জন্য তিনি লোক পাঠালেন । অশোক বৌদ্ধ হলেও অন্য কোনও ধর্মের প্রতি তার কোনও বিদ্বেষ ছিল না । শুধু মানুষ নয়, পশুদের প্রতিও ছিল তার গভীর মমতা । কোন প্রাণী হত্যা করে ‘বলি’ দেওয়ার প্রথা বন্ধ করেন । শিকার বা জমি পরিষ্কারের জন্য বন পোড়ানো নিষিদ্ধ করেন । তাঁর মতে – পশু শক্তি দ্বারা জয়লাভ প্রকৃষ্ট নয়, ধর্মের দ্বারা জয়লাভ প্রকৃষ্ট । তিনি কলিঙ্গ যুদ্ধকে তাঁর জীবনের শেষ যুদ্ধ হিসাবে দেখেছেন । তিনি একটি শিলা লেখতে ঘোষণা করেন – কেউ যদি ক্ষতি করে তবে তাকে যেন যথাসাধ্য সম্ভব ক্ষমা করে দেওয়া হয় । এই ধর্ম বিজয়ের নীতি মৌর্য সাম্রাজ্যের নীতির পরিপন্থী হয়ে দাঁড়ায় । এরফলে মৌর্য সাম্রাজ্য সামরিক দিক থেকে দুর্বল হয়ে পড়ে ।

 অশোকের শাসন ব্যবস্থা কয়েকটি মূল নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল । আইন ও রাজনৈতিক দিক থেকে অশোকের শাসন ব্যবস্থা নিরঙ্কুশ রাজতন্ত্র ছিল । এই নীতি গুলির অন্যতম কেন্দ্রী করন নীতি ।  অশোকের শাসন ব্যবস্থা নিঃসন্দেহে পিতৃত্ব বোধের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল । দ্বিতীয় কলিঙ্গ লেখতে তিনি বলেছেন – ‘সকল মানুষ আমার সন্তান’ । এই নৈতিক বোধ তিনি তাঁর সকল কর্মচারীর মধ্যে সঞ্চারিত করতে চেয়েছিলেন । রাজা তখন শুধু আইনের রক্ষক ছিলেন না, আইন প্রণেতা ছিলেন । অশোক রাষ্ট্রের আদর্শ সেবক ছিলেন । তিনি কঠোর পরিশ্রমের নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন । সব জায়গায় ও সব সময় তিনি নিজেকে রাষ্ট্রের কাজে ব্যাপৃত রাখতেন । জনপথ বাসীর অবস্থা প্রত্যক্ষ করাকে তিনি তাঁর কর্তব্য বলে ঘোষণা করেন ।
  অশোক তাঁর সাম্রাজ্যে বিভিন্ন জনকল্যাণ মূলক কাজ করেন । তিনি চিকিৎসালয় স্থাপন, ছায়াতরু বপন, বাণিজ্য পথ গুলিতে প্রতি যোজন অন্তর তিনি বিশ্রামাগার তৈরি করেন । এগুলি তিনি তাঁর সাম্রাজ্যের বাইরেও সম্প্রসারণ করেন । প্রমোদ করার জন্য রাজাদের বিহার যাত্রার পরিবর্তে তিনি ধম্ম যাত্রার প্রবর্তন করেন । তিনি তাঁর সাম্রাজ্য প্রদক্ষিণ করতেন । উচ্চপদস্থ রাজ কর্মচারীদের পাঁচ বা তিন বছর অন্তর রাজ্য প্রদক্ষিণের নির্দেশ দেন । কর্মচারীদের নিয়মিত রাজ্য প্রদক্ষিণের ফলে যাতায়াত ব্যবস্থা অনেক সহজ হয়ে যায় । অশোকের নির্দেশে বহু পথ নির্মাণ করা হল । 
  এই সমস্ত পথের দুপাশে প্রধানত বট এবং আম গাছ পোঁতা হতো । যাতে মানুষ ছায়ায় পথ চলতে পারে । বাণিজ্য পথ গুলির ধারে বিশ্রামাগার তৈরি করার ফলে বাণিজ্যে উন্নতি ঘটে । ভারতের ইতিহাসে তিনি প্রথম সম্রাট যিনি কল্যাণ রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন । মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত অপরাধীদের দণ্ডাদেশ কার্যকর করার আগে তিন দিন পূর্ণ বিশ্রামের সুযোগ তিনি দিয়েছিলেন । প্রতি রাজ্যাভিষেক বার্ষিকীতে তিনি বন্দীদের মুক্তি দিতেন ।
 তবুও এই শাসন ব্যবস্থা ছিল অতিমাত্রায় কেন্দ্রমুখী । এই ব্যবস্থায় কর্মচারীদের আনুগত্য ছিল একান্তভাবে শুধু রাজার প্রতি । রাজা পরিবর্তন হলে কর্মচারীদের পরিবর্তন হত । বিচার বিভাগ ও কার্যনির্বাহী বিভাগের মধ্যে কোন পার্থক্য ছিল না । সমগ্র নীতি নির্ধারণ করতেন শুধু কেন্দ্র । এই কেন্দ্রমুখী শাসন ব্যবস্থা অশোকের মৃত্যুর পর মৌর্য সাম্রাজ্যের অবনতির জন্য অনেকাংশে দায়ী ছিল ।
 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে বা আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্ট টি পৌঁছেদিতে অনুগ্রহ করে শেয়ার করুণ । ইতিহাস বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে ইতিহাস লেখাটির উপর ক্লিক করুণ । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।
আমাদের আরও পোস্ট পড়ুন

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

মুদ্রণযন্ত্র বা ছাপাখানা কবে, কিভাবে আবিষ্কার হয়েছিল ?.


 সাধারণ ভাবে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন শুধুমাত্র একজনের দ্বারা ঘটেনা । নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে অনেকের হাতে নতুন নতুন যন্ত্রপাতি গড়ে ওঠে । মুদ্রণযন্ত্র বা ছাপাখানা সম্পর্কে আমরা একই কথা বলতে পারি । জাইলোগ্রাফী (Block Printing) অষ্টম শতকের গোঁড়ার দিকে চীনদেশে প্রথম এসেছিল । মুদ্রাকররা যে ভাষ্য বা ছবি ছাপাতে চাইতেন তা প্রথমে একটা কাঠের ফলকের উপর উলটো করে খোদাই করে কালি মাখিয়ে কাগজের উপর ছেপে দিতেন । ইতিমধ্যে কাগজ তৈরির রীতিনীতি চিন দেশ থেকে আরবদের মাধ্যমে ইউরোপে চালু হয়ে যায় ।
 
 সচল ধাতুর হরফ ওয়ালা মুদ্রণযন্ত্র ১৪৫০ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ জার্মানির মেইনজ শহরে প্রথম আত্মপ্রকাশ করে । মুদ্রণযন্ত্র আত্মপ্রকাশ করেছিল এক ছোট প্রাদেশিক শহরে, যার জনসংখ্যা ছিল মাত্র তিন হাজার । এই যন্ত্র উদ্ভাবনের সাথে তিনজন মানুষের নাম জড়িয়ে আছে । তাঁরা হলেন যোহান গুটেনবার্গ, যোহান ফস্টে ও পিটার শোফার । 

গুটেনবার্গ, ফস্টে ও শোফার যে মুদ্রণযন্ত্র চালু করেছিলেন তাতে এক বিশেষ ধরণের কালি লাগত । ছবি আঁকার তেল রঙের তেল মিশিয়ে এই বিশেষ ধরণের কালি তৈরি হত । এরসাথে ব্যবহার করা হত কাগজে কালি ছাপ লাগাবার বিশেষ যন্ত্র ও ধাতুর হরফ । ধাতুর হরফ তৈরির কৌশল এসেছিল ধাতুর নানা রকম সূক্ষ্ম কাজ কর্মের বহুকালের পুরনো ঐতিহ্য থেকে ।
 ছাপাখানাতে প্রথম যে বইটি ছাপা হয়েছিল সেটি হল ল্যাটিন ভাষায় মুদ্রিত বাইবেল তার হরফের সৌন্দর্য, হরফ সাজাবার আর ছাপার মুনশিয়ানা প্রায় তাক লাগিয়ে দেবার মত নিখুঁত ছিল । এই বই ১৪৫৫ সালে প্রথম ছাপা হয়েছিল । এর দুবছর পর ফস্টে ও শোফার বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্টের স্তোত্র সার প্রকাশ করেন । এই বইটি ছিল ইউরোপে প্রথম স্বাক্ষরিত ও তারিখ দেওয়া বই । পরবর্তী তিনশো বছর এভাবেই চলতে থাকে ।
 প্রথম দিকের মুদ্রিত বই গুলি ছিল হুবহু হাতে লেখা পুঁথির মত । সে সময়ের মুদ্রাকররা কম দামে তাদের খদ্দেরের হাতে বই তুলে দেওয়ার কাজ করতেন । মেইনজ শহরের ব্যবসায়ী, আইনজীবী, শিক্ষক, চিকিৎসক, সরকারী কর্মচারী ইত্যাদি মানুষদের মধ্যে নতুন বইয়ের চাহিদা ছিল উল্লেখযোগ্য । ব্যবসা-বাণিজ্য চালানো, সরকারী দপ্তরের নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজ, সমাজে মেলামেশা, জীবিকা নির্বাহ করার জন্য এই সব মানুষদের লেখাপড়া করতে হত । এছাড়াও স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে বইয়ের চাহিদা ছিল অনেক । মানুষেরা নিজেদের দরকারে ল্যাটিন ও নানা ভাষায় বই কিনতেন ।

 মুদ্রণযন্ত্র বা ছাপাখানা আবিষ্কারের আগে লেখাপড়া হত প্রাচীন ও সমসাময়িক পণ্ডিতদের লেখা নকল করে এরফলে দুধরণের সমস্যা দেখা যেত । নকল করার কাজ হত খুব ধীর গতিতে, এবং তাতে প্রচুর ভুলভ্রান্তি দেখা যেত । কিন্তু, মুদ্রণযন্ত্র বা ছাপাখানা আবিষ্কারের ফলে এই দুই সমস্যার সমাধান সম্ভব হল । নির্ভুল রচনা জ্ঞান ও বিদ্যাচর্চার পরিধির বিস্তার ঘটাল । কোপারনিকাস, ইরাসমাসের লেখা ইউরোপের পণ্ডিত ও জ্ঞানী মানুষদের কাছে ছড়িয়ে পড়ল । দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়ে ধর্ম সংস্কারের ধ্যান ধারণা ।
 মুদ্রণযন্ত্র বা ছাপাখানা আবিষ্কারের গুরুত্ব সুপ্রাচীন কালে হাতে লেখা আর আধুনিক কম্পিউটার আবিষ্কারের সমতুল্য । এর পাশাপাশি নিষিদ্ধ বইয়ের সংখ্যা বাড়তে লাগল । ১৫৬০ সালের মধ্যে পশ্চিম ইউরোপে বইয়ের উপর সেন্সর প্রথা চালু হয় ।
 ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম মুদ্রণযন্ত্র স্থাপিত হয় ১৫৫৬ সালে, গোয়ায় ১৫৬৭ সালে গোয়ার ছাপাখানা থেকে এ অঞ্চলের প্রথম বইটি ছেপে বের হয় খ্রিস্টান মিশনারিরা তাঁদের ধর্মীয় ভাবনা বিভিন্ন প্রকাশনার মধ্য দিয়ে প্রকাশ করতেন বাংলায় প্রথম ছাপাখানা স্থাপিত হয় ১৭৭৭ সালে জেমস অগাস্টাস হিকি ১৭৭৭ সালে ‘Bengal Gazette’ নামের সাময়িকপত্র প্রকাশ করেন ১৭৭৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলী থেকে প্রকাশিত ‘A Grammar of the Bengal Language’ গ্রন্থে বাংলা হরফের প্রথম মুদ্রিত উপস্থিতি দেখা যায়


 প্রথম এই বই প্রকাশের কৃতিত্ব দেখান ইংরেজ ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হালেদ (১৭৫১-১৮৩০)। বাংলা হরফ নির্মাণকারী তথা বাংলা ছাপাখানা ও মুদ্রণশিল্পের জনক হিসেবে যাঁকে আমরা জানি তিনি হলেন ব্রিটিশ সিভিলিয়ান স্যার চার্লস উইলকিন্স (১৭৫০-১৮৩৬)। হরফ নির্মাণে উইলকিন্সের সহযোগী ছিলেন বাঙালি খোদাইশিল্পী পঞ্চানন কর্মকার উল্লেখ্য, উনিশ শতকের শেষ অর্ধ শতাব্দী ধরে বাংলাদেশের সর্বত্র ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা পেতে থাকে এসব ছাপাখানা প্রতিষ্ঠার পেছনে ছিলেন বিভিন্ন এলাকার রাজ-জমিদাররা ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর পূর্ব বাংলায় যে মুদ্রণযন্ত্র ছিল, তা নিতান্তই ক্ষুদ্রাকৃতির তখন বেশির ভাগ প্রকাশনা কলকাতা থেকে মুদ্রিত হতো দেশভাগের পর কলকাতা থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় পূর্ববঙ্গ তথা পূর্ব পাকিস্তান বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে দৈনিক পত্রিকা প্রকাশের প্রথম কৃতিত্ব দেখান মওলানা আকরাম খাঁ
 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে বা আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্ট টি পৌঁছেদিতে অনুগ্রহ করে শেয়ার করুণ । জানা অজানা ও ইতিহাস বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে জানা অজানা ও ইতিহাস লেখাটির উপর ক্লিক করুণ । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

আমাদের আরও পোস্ট পড়ুন -
আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০

পড়াশোনায় মন লাগাবেন কিভাবে, পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করবেন কিভাবে ?.


 বর্তমান সময়ে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীদের প্রধান সমস্যা হল পড়াশোনা কিভাবে করবো বা পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট কিভাবে করবো । যে কোন পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করা বর্তমান সময়ে খুব জরুরি । আপনি যদি কোন ছাত্র-ছাত্রী বা চাকরী পার্থী হন তাহলে আপনাকে অবশ্যই পড়াশোনা করে ভাল রেজাল্ট করতে হবে । ভাল রেজাল্ট তখন হবে যখন আপনি মন দিয়ে পড়াশোনা করবেন । এখন আমি আপনাদের কয়েকটি পদ্ধতির কথা বলবো আপনি যদি এগুলি অনুসরণ করেন তাহলে পরীক্ষায় অবশ্যই ভাল রেজাল্ট করবেন । তাই লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন ।

১) লক্ষ – আমাদের জীবনে কোন কিছু লক্ষ রেখে কাজ করা উচিত । আপনি কিসের জন্য পড়াশোনা করবেন সেটা স্থির করুন । ছাত্র-ছাত্রী হলে স্কুল বা কলেজের পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করার জন্য । চাকরিপার্থী, ব্যবসা-বাণিজ্য বা কোন কাজ আরও ভালভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের পড়াশোনা করতে হয় । আবার অনেক মানুষ আছেন যারা শুধু নিজেদের জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য পড়াশোনা করে আপনি এদের মধ্যে কোন পর্যায়ে আছেন দেখে নিন ।


 ২) মোবাইল, টিভি – বর্তমান সময়ে আমরা মোবাইল, টিভির পিছনে অনেক সময় খরচ করে নষ্ট করছি । পড়াশোনা করার সময় আপনাকে এই দুটো জিনিস থেকে দূরে থাকতে হবে । পড়ার সময় এগুলি চালাবেন না, যদি পারেন মোবাইল অফ বা সাইলেন্ট করে রাখুন । কারণ, পড়ার সময় ফোন বা মেসেজ এলে আপনাকে দেখার জন্য উঠতে হবে । সে কারণে আপনার পড়াশোনায় মন লাগবেনা ।
৩) পড়ার উপকরণ – আপনি যখন পড়তে বসবেন তখন পড়ার জন্য আপনার কাছে সমস্ত উপকরণ বা সরঞ্জাম নিয়ে বসবেন । ধরুন আপনি এখন অংক করবেন, তার জন্য পেন, পেন্সিল, রবার, খাতা, কাটার ইত্যাদি আগে থেকে নিয়ে নেবেন । পড়ার সময় আপনাকে এগুলি আনার জন্য বার বার উঠতে হবেনা ।
৪) নির্জন স্থান – ভালভাবে পড়াশোনা করার জন্য একটি নির্জন স্থান সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ । তাই পড়াশোনা করার জন্য এমন একটি নির্জন স্থান নির্বাচন করুন যেখানে আপনাকে কেউ বিরক্ত করবেনা । কোন যানবাহন, মাইক, বাজনা ইত্যাদির শব্দ হয়না এমন স্থান । কারণ কোন শব্দ হলে আপনি পড়াতে ঠিকমত মন বসাতে পারবেন না ।

৫) নির্দিষ্ট সময় – পড়ার জন্য প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করুন । আপনি বাকি সময় অন্য কাজ করবেন কিন্তু, আপনার পড়ার জন্য নির্ধারিত সময়ে আপনি শুধু পড়াশোনা করবেন । প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় ২-৩ ঘণ্টা সময় পড়লে আপনি আশা করি পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করতে পারবেন । একটা কথা মনে রাখবেন – ঘুমানোর আগে ও ঘুম থেকে উঠার পর আমাদের মাথা বেশি সক্রিয় থাকে, তাই সকাল ও সন্ধ্যায় পরলে আপনার ভাল পড়াশোনা হবে ।
) ঘুম ও জল – আমরা যে সমস্ত বিষয় পড়ি সেগুলি সমস্ত আমাদের মাথার ভিতরে এক জায়গায় জমা হয় । মাথা ঠিক রাখতে হলে আপনাকে প্রতিদিন কম করে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে । ভাল ঘুম না হলে আমাদের কোন কাজে মন লাগেনা, সে পড়াশোনা হোক বা অন্য কোন কাজ । পড়ার সময় আপনার সাথে একটি জলের বোতল রাখবেনপড়তে পড়তে ক্লান্ত লাগলে জল খাবেন ।
৭) বিরতি – একটানা ২-৩ ঘণ্টা পড়তে যে কোন মানুষের বিরক্তি লাগবেই । সে জন্য একটানা ২-৩ ঘণ্টা না পড়ে ৩০-৪৫ মিনিট পড়ার পর একটু বিরতি বা বিশ্রাম নেবেন । এরফলে আপনার বিরক্তি ভাব দূর হয়ে মাথা আবার সক্রিয় হয়ে উঠবে । ৫-১০ মিনিট বিরতি নিতে পারেন, তখন আপনি আপনার বাড়ির বাইরে ঘুরে আসতে পারেন বা জল খাবেন ।

৮) বুঝে পড়া – অনেক ছাত্র-ছাত্রীদের প্রধান সমস্যা হল তারা পড়াটা বুঝে পড়েনা, শুধু মুখস্থ করে । মুখস্থ বিদ্যা দিয়ে বেশি কিছু করা যায়না । আপনি যদি পড়াটা বুঝে নিয়ে পড়েন তাহলে আপনার মুখস্থের কোন দরকার নেই । নোটস পড়ার থেকে টেকস বই ভাল করে পড়ুন । কারণ- নোটসে টেকস বইয়ের তুলনায় অনেক কম ও সংক্ষিপ্ত লেখা থাকে । পরীক্ষক থাতা দেখার সময় আপনার নিজের কি প্রতিভা আছে তা তিনি খোঁজার চেষ্টা করেন । তাই মুখস্থ দিয়ে নয় বুঝে নিয়ে পড়া পড়ুন ।
৯) যোগ ব্যাম – পড়াশোনার সাথে যোগ ব্যামের একটা সম্পর্ক রয়েছে । যদি কোন ছাত্র-ছাত্রী বা ব্যক্তি সকালে উঠে যোগ ব্যাম অভ্যাস করেন তাহলে তার পড়া বা যেকোনো কাজের প্রতি মন সংযোগ বৃদ্ধি পায় । পড়া বা যেকোনো কাজের প্রতি একটা আগ্রহ মনে তৈরি হয় । আপনি আজ থেকে শুরু করতে পারেন । কারণ যেকোনো মানুষ এটি করতে পারে ।
১০) উপকার – ভাল করে পড়াশোনা করলে আপনার বাবা, মা খুশি হবে । পরীক্ষার জন্য কোন চিন্তা থাকবেনা । আপনার শিক্ষক বা শিক্ষিকার সাথে একটি সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হবে । পরীক্ষায় ভাল ফল করলে ভবিষ্যতে চাকরির জন্য আপনার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে আশাকরি আপনার আর পড়াশোনা করতে কোন সমস্যা হবেনা ।

 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে বা আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্ট টি পৌঁছেদিতে অনুগ্রহ করে শেয়ার করুণ । সম্পর্ক বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে সম্পর্ক লেখাটির উপর ক্লিক করুণ । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

আমাদের আরও পোস্ট -
আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে আপনার প্রয়োজন অনুসারে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।