সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৯

Google সম্পর্কে বিভিন্ন জানা অজানা কথা গুলি কি কি ?.


 আপনি কি এমন কোন মানুষ খুঁজে বের করতে পরবেন  যে ইন্টারনেট ব্যবহার  করে কিন্তু Google এর নাম শোনেনি বা Google ব্যবহার করেনি এমন মানুষ বর্তমান সময়ে খুঁজে পাওয়া যাবেনা । ইন্টারনেট থেকে যেকোনো বিষয়ে সঠিক তথ্য সহজে বের করে নেয়ার জন্য এই গুগল আজ বিশ্বে সব থেকে বেশি ব্যবহার করা হয়  কিন্তু, সবার মনে Google সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন চলে আসে, সেটি হল Google কি, Google কে বানিয়েছে, Google কি কাজ করে, কবে থেকে Google আমরা ব্যবহার শুরু করি ইত্যাদি । আজ আমি আপনাদের Google সম্পর্কে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর এই লেখাটির মধ্যে দেবো । Google সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আপনি এই লেখাটি  অবশ্যই শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে পড়বেন ।


 Google এর জনক হলেন - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দুজন ছাত্র ল্যারি পেজ ও সার্গেই ব্রিন যখন তারা, California Stanford University তে Ph.D. করছিলেন, তখন একটি  Research Project হিসেবে গুগলের ওপরে কাজ শুরু করেছিলেন ১৯৯ এ গুগল কেবল একটি research project হিসেবে চালু করা হয়েছিল, এই Research Project টির নাম ছিল BackRub ১৯৯৮ সালে ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন গুগল প্রতিষ্ঠা হয় ।  তাদের সফলতার ফল স্বরূপ আজকে আমরা এই Google কে পেয়েছি ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন হল- একটি Web Search Engine যার উদ্দেশ্য ইন্টারনেটে থাকা বিভিন্ন লক্ষ লক্ষ তথ্য আমাদের প্রয়োজন হিসেবে সহজে এবং সঠিক ভাবে প্রদান করাঅফিসিয়ালি গুগল শব্দটির কোনও ফুল ফর্ম বা সম্পূর্ণ নাম নেই সাধারণভাবে , গুগলের পুরো নাম বা ফুল ফর্ম- Global Organization of Oriented Group Language of Earth বলে মনে করা হয় ।


 গুগল তার জন্মদিন প্রত্যেক বছর ২৭ সেপ্টেম্বর তারিখে উদযাপন করে থাকে । গুগলের আসলে ৬টি জন্মদিন আছে বর্তমানে গুগল কেবল একটি সার্চ ইঞ্জিন নয়, সে হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি ‘মাল্টি-ন্যাশনাল’ কোম্পানি । সার্চ ইঞ্জিনের বাইরে এর আরও অনেক ধরণের পণ্য বা প্রোডাক্ট মার্কেটে অনেক প্রচলিত রয়েছে গুগলের প্রধান কাজ হল - সার্চ ইঞ্জিন দ্বারা সঠিক তথ্য সহজ ভাবে প্রদান করা, তাছাড়াও গুগলের আরও অনেক উদ্দেশ্য রয়েছে গুগলের উদ্দেশ্য হল, সাধারণ মানুষের জীবনধারা বিভিন্ন  ডিজিটাল প্রোডাকস, সার্ভিস, অ্যাপ, সফটওয়ার দ্বারা আরও অনেক সহজ, সরল এবং উন্নত মানের করে তোলা এখানে কোনও কিছু সার্চ করলে ফলাফল বের করতে গুগলের সময় লাগে ১ সেকেন্ডের কম জনপ্রিয়তার দিক থেকে বর্তমানে গুগলের আশেপাশেও  অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিন নেই গোটা বিশ্বে সব থেকে বেশি ভিজিট করা গুগল ওয়েবসাইট
 গুগল হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রযুক্তি কোম্পানি এবং তাদের গুগল সার্চ ইঞ্জিনের এবং অনলাইন বিজ্ঞাপন সেবার জন্য সারা পৃথিবী বিখ্যাত গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ এবং সের্গেই ব্রিন এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম নাম দিয়েছিলেন ব্যাকরাব ২০০৪ সালের ১৯ আগস্ট গুগল পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে পরিণত হয় Google এর প্রধান কার্যালয় ক্যালিফোর্নিয়ার মাউন্টেইন ভিউ শহরে অবস্থিত গুগলের হেডকোয়ার্টার 'গুগলপ্লেক্স' নামে পরিচিত গুগলের এক দিনের ইনকাম প্রায় ৬ কোটি টাকা আর সেই হিসাবে, প্রত্যেক সেকেন্ডে প্রায় ৪2,০০০ টাকা আয় করছে গুগল
গুগল হচ্ছে প্রথম বড় প্রযুক্তি কোম্পানি যারা তাদের কর্মচারীদের বিনামূল্যে খাবার পরিবেশন করে থাকে  তাছাড়াও কর্মচারীদেরকে তাদের পোষা কুকুর অফিসে নিয়ে আসতে দেয়া হয়  গুগলের সদর দপ্তরের ঘাস কাটার জন্য মেশিন ব্যবহার না করে ছাগল ব্যবহার করা হয় । ২০০১ সালে চালু করা হয় গুগল ইমেজ সার্চ । গুগল সার্চ ছারাও আর যে সমস্ত পরিষেবা প্রদান করে সেগুলি হল – গুগল ড্রাইভ, গুগল ম্যাপ, গুগল প্লে স্টোর, গুগল ট্রান্সলেট, ইউ টিউব, গুগল এডসেন্স, গি-মেল, Android অপারেটিং সিস্টেম ইত্যাদি ।
মাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । ইন্টারনেট ও বিজ্ঞান বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে ইন্টারনেট ও বিজ্ঞান লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ 

আমাদের আরও পোস্ট পড়ুন - 
আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

বিয়ে করার জন্য মেয়ে দেখতে গিয়ে মেয়েকে কি প্রশ্ন করবেন ?.


 মানুষের জীবনে বিয়ে সাধারণত একবার হয় । আগে বিয়ে করার সময় মেয়ে দেখতে গেলে সাথে বাড়ির বয়স্ক মানুষ থাকতেন । এখন ছেলেরা বন্ধুদের সাথে নিয়ে মেয়ে দেখতে যায় । আপনি তখন মেয়েকে কি প্রশ্ন করবেন সে সম্পর্কে আপনার কোন ধারনা থাকেনা । আর যদি আপনি প্রথম বার মেয়ে দেখতে যান তাহলে আপনার সমস্যা হতে পারে । এখন আমি আপনাদের জানাবো যে সেই সময় আপনি মেয়েটিকে কি কি প্রশ্ন করবেন । এই সব প্রশ্নের উত্তর জানা আপনার একান্ত দরকার । এরফলে আপনার ভবিষ্যৎ বিবাহিত জীবন হবে সুন্দর ও সুখময়প্রশ্ন ও তাঁর উত্তর গুলি জানতে আমাদের লেখাটি শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে পড়ুন ।


১) অবস্থা – আপনি যখন প্রথমে কোন মেয়ের বাড়িতে যাবেন তখন সেখানের পরিবেশ বোঝার চেষ্টা করুন । তার পর মেয়েকে সাধারণ কিছু প্রশ্ন করুন যেমন – তার নাম কি, বাবার নাম কি, তার কি করতে ভালো লাগে ইত্যাদি । প্রথম অবস্থায় এমন কিছু প্রশ্ন করবেন না যে সে উত্তর দিতে অপ্রস্তুত হয়ে বা চিন্তায় না পড়ে । আপনি নিজে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক থাকবেন । এরপর আপনি যে প্রশ্ন গুলি করবেন সেগুলি যখন শুধুমাত্র দুজনে কথা বলবেন তখন জানতে চাইবেন, সকলের সামনে এগুলি বলবেন না । 


২) পছন্দ – এরপর আপনি তাকে বলবেন যে – আপনাকে তার পছন্দ হয়েছে কিনা । আপনি তাকে জানাবেন যে আপনার তাকে পছন্দ হয়েছে কিনা । যদি সে আপনাকে পছন্দ করে তাহলে কেন পছন্দ করে ? অনেক ছেলে ও মেয়ে শুধু দেখতে সুন্দর হয় বলে বা টাকা পয়সা থাকে বলে তাদের পছন্দ করে নেয় । আসল জিনিস হল শুধু দেখতে সুন্দর বা টাকা পয়সা নয়, মানুষের স্বভাব, আচার, ব্যবহার সেগুলিকে পছন্দ করুন । তার এই গুন গুলি আছে কিনা তা ভালো করে জেনে নিন । যদি দেখেন আপনার টাকা পয়সা দেখে বা দেখতে ভাল বলে পছন্দ করেছে তাহলে তাদের থেকে দূরে থাকুন ।


৩) বিয়েতে রাজি – পছন্দ হল, এবার কথা হল যে আপনাকে বিয়ে করতে রাজি ? যদি রাজি হয় তাহলে কেন রাজি । সে বিয়ে করবে তাতে তাঁর নিজের ইচ্ছায় নাকি বাড়ির লোকজদের চাপে পড়ে সে রাজি হয়েছে, সেটা জেনে নিন । আমরা অনেক সময় দেখতে পাই যে জোর করে মেয়েকে তাঁর ইচ্ছায় বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়া হয়, সে রকম কোন সন্দেহ হলে পরিষ্কার করে কথা বলে নিন ।

৪) কখন বিয়ে করবে – অনেক সময় দেখা যায় যে সব কথাবার্তা ঠিক হয়ে যাওয়ার পর বিয়ে করতে সময় চাওয়া হয় । বিভিন্ন মানুষের বিভিন্ন সমস্যা থাকতে পারে । আপনি জেনে নিন সে ঠিক কখন বিয়ে করতে চায় । এক বছর না দু বছর, কত সময় লাগবে । যদি আপনার সেই সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করার সময় না থাকে তাহলে আপনি অন্য জায়গায় মেয়ে দেখুন ।


৫) এক সংসার – সবাই চায় তাঁর নিজের পরিবারের সকলের সাথে থাকতে । কিন্তু, বাড়ির ছেলের বিয়ের পর বিভিন্ন কারণে সংসার আলাদা আলাদা হয়ে যায় । আপনি যাকে বিয়ে করতে চলেছেন তাঁর কাছ থেকে একটু কায়দা করে আপনাকে জেনে নিতে হবে যে – সে বিয়ের পরে এক সংসারে থাকতে চায় না আলাদা থাকতে চায় । আপনি নিশ্চয় চাইবেন না আপনার পরিবারের লোকজদের থেকে আলাদা থাকতে ।

৬) বাচ্চা - বিয়ের পর স্বাভাবিক ভাবে মানুষের সন্তান জন্ম হয় । আপনি যাকে বিয়ে করতে যাবেন এটা আপনারা অবশ্যই আলোচনা করে নেবেন যে – বিয়ের কত দিন পরে বাচ্চা নেবে । অনেক মানুষ আছে বিয়ের পর সাথে সাথে বাচ্চা নিতে চায়না । কিন্তু, পরিবারের লোকেরা চায় বাচ্চার মুখ দেখতে । তাই আপনারা ঠিক করে নিতে পারেন যে বিয়ের কতদিন পরে আপনারা বাচ্চা নিতে চান ।

৭) কাজ – বিয়ের পর অনেকে চায় বাইরে কাজ করতে যেতে বা চাকরি থাকলে চাকরি করতে । কিন্তু, বাড়ির লোকজদের কাছে এটা অনেক সময় ঠিক বলে মনে হয় না । তারা ভাবে বাড়ির বৌ বাড়িতে থাকবে, তাঁর আবার চাকরি করতে যাওয়ার কি দরকার । এই নিয়ে বাড়িতে সমস্যা শুরু হয় । এই বিষয়ে আপনারা ঠিক করে নেবেন যে আপনারা কি করবেন । একজনের মত এক রকম, আবার অন্য জনের মত আলাদা হলে আপনাদের মধ্যে সমস্যা তৈরি হবে । সেটা যেন না হয় তাই বিষয়টি বুঝে নেবেন ।


৮) সম্পর্ক – সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কথা হল যে – তাঁর কোন মানুষের সাথে আগে থেকে কোন সম্পর্ক আছে কিনা ? এখনকার দিনে সিঙ্গেল ছেলে মেয়ে পাওয়া একটা সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে । প্রায় সবাই কোন না কোন একটা সম্পর্কে জড়িয়ে থাকে । আপনি যাকে বিয়ে করতে চলেছেন এই দিকটা খুব ভাল করে বূঝে নিন যে, সে অন্য কোন সম্পর্কে জড়িয়ে আছে কিনা । না থাকলে ঠিক আছে, আর যদি থাকে তাহলে আপনার তাকে বিয়ে না করাই সঠিক কাজ হবে । যদি করেন তাহলে আপনাকে ভবিষ্যতে বিভিন্ন সমস্যায়  পড়তে হবে । দেনা-পাওনার কথা বাদ দিলাম ।

 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । সম্পর্ক বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে সম্পর্ক লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ 

আমাদের আরও পোস্ট পড়ুন -
আপনি জীবনে যে ৫ টি কারনে সুখী হতে পারেন না ?
কোন মানুষকে প্রভাবিত করে তার মনে আপনার স্থান কিভাবে করবেন ?.
বিয়ে করার জন্য সঠিক ছেলে বা মেয়ে কিভাবে নির্বাচন করবেন ?.
আপনি জীবনে সাফল্য লাভ করবেন কিভাবে ?.
আপনি আপনার নিজের আত্মবিশ্বাস কিভাবে বাড়াবেন ?.


অর্ডার করতে নীচের লিঙ্কে প্লিজ ক্লিক করুন 

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৯

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বাংলা জীবনী .


  বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে ২৪ মে ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে কাজী নজরুল ইসলাম ব্রিটিশ শাসিত ভারতে এক দরিদ্র মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তাঁর বাবার নাম ফকির আহমেদ ও মায়ের নাম জাহেদা খাতুন । তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম অগ্রণী বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ ও দার্শনিক বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক, দেশপ্রেমী এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি চুরুলিয়া অবিভক্ত বাংলার বর্ধমান জেলার আসানসোলের নিকট অবস্থিত । কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল "দুখু মিয়া" পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ  – দুই বাংলাতেই তার কবিতা  গান সমানভাবে সমাদৃত বিংশ শতাব্দীর বাংলা মননে কাজী নজরুল ইসলামের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম

 নজরুলের যখন দশ বছর বয়স তখন তিনি গ্রামের মক্তব থেকে নিম্ন প্রাথমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন । তাঁর পিতার মৃত্যু হলে তাকে বাধ্য হয়ে উপার্জনের চেষ্টা করতে হয় । গ্রামের মৌলবিদের সাহায্যে মক্তবে ছোটদের পড়া মুখস্থ করানোর জন্য এক পীরের দরগায় কাজের ব্যবস্থা হয় । এখানে দুই বছর তাঁর অতিবাহিত হয় । শৈশব থেকে তিনি লোকনাট্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন । এরপর তিনি ভ্রাম্যমাণ ‘লেটো’ গানের দলে যোগ দেন । সেই দলের জন্য তিনি গান গাইতেন, গান ও পালা রচনা করতেন । তিনি পালা গান রচনা করতে গিয়ে হিন্দু দেব-দেবী সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে পারেন ।
 
এরপর তিনি বাসুদেবের শখের কবি গানে যোগ দেন । এখানে তিনি গান লিখেছেন, সুর দিয়েছেন ও নিজে গান গেয়েছেন । সেখান থেকে তাঁকে এক বাঙালি খ্রিস্টান গার্ড বাবুর্চি কাজের জন্য নিয়ে যান । সেখানে ভাল না লাগার জন্য তিনি আসানসোলে এক চা রুটির দোকানে কাজ করতে লাগলেন । দোকানে থাকার যায়না না থাকার জন্য তিনি পাশে এক তেতলা বাড়ির সিঁড়ির নীচে থাকতেন । সেই বাড়িটি ছিল এক পুলিশ ইন্সপেক্টর কাজী রফিউল্লাহ ও তাঁর স্ত্রী শ্যামসুন্নেসার । তাঁরা নজরুলকে ময়মনসিংহ এর দরিরাম পুর স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করে দেন । এরপর তিনি রানীগঞ্জের সিয়ারসোল রাজ স্কুলে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেন ।
 ১৯১০ সালে নজরুল বিপ্লবী নিবারণ চন্দ্র ঘটকের সাথে পরিচিত হন, যিনি তাঁর শিক্ষক ছিলেন । পরবর্তীকালে বিদ্যালয়য়ে যোগদানের সময় কবি কুমুদরঞ্জন মল্লিক ছিলেন তাঁর প্রধান শিক্ষক । তাঁর সান্নিধ্য নজরুলের অনুপ্রেরণার একটি উৎস১৯১৪ সালে পৃথিবীতে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ দেখা যায় । ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দের শেষদিকে মাধ্যমিকের প্রিটেস্ট পরীক্ষার না দিয়ে তিনি সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে যোগ দেন সেনাদলে যোগ দিয়ে তিনি প্রথমে লাহোর, পেশোয়ার, তারপরে যান করাচীতে তিনি সেনাবাহিনীতে ছিলেন ১৯১৭ খ্রিষ্টাব্দের শেষভাগ থেকে ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দের মার্চ-এপ্রিল পর্যন্ত তিনি ব্রিটিশ অধীনস্থ ৪৯তম বেঙ্গল রেজিমেন্টে সেনা বাহিনীতে যুক্ত ছিলেন । প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯২০ সালে এই রেজিমেন্ট নিষিদ্ধ করা হলে তিনি কলকাতায় ফিরে আসেন ।
 ১৯২১ সালে কুমিল্লায় গিয়ে নার্গিস আসার খানমের সাথে তাঁর বিবাহ হয় । কিন্তু, বিবাহে ঝামেলা হওয়ার জন্য তিনি তাঁর পরিচিত সেনগুপ্তের বাড়ি চলে আসেন । পরে প্রমীলা দেবী ও নজরুল তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন গোঁড়ামি, রক্ষণশীলতা, ধর্মান্ধতা, কুসংস্কারের বিরুদ্ধে নজরুলের অবস্থান ছিল কঠোর
 
কলকাতায় এসে নজরুল ৩২ নং কলেজ স্ট্রিটে বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমিতির অফিসে বসবাস শুরু করেন নজরুল রবীন্দ্রনাথ, পারস্য কবি হাফেজ ও খৈয়াম দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন । এখান থেকেই নজরুলের রাজনৈতিক চেতনার বিকাশ শুরু হয়এই সময় ভারতীয়রা ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে উঠে দাঁড়িয়েছিল । তিনি তাঁর লেখার মাধ্যমে ব্রিটিশদের নিষ্ঠুরতার প্রতিবাদ করেছিলেন । প্রতিবাদের ভাষা হিসাবে তিনি গান, কবিতা, প্রবন্ধ ইত্যাদি লিখতে শুরু করেন । নজরুল এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা-সমিতি ও অনুষ্ঠানে যোগ দিতেন এবং স্বরচিত স্বদেশী গান পরিবেশন করে পরাধীনতার বিরুদ্ধে সংগ্রামে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতেন  ১৩২৬ বঙ্গাব্দে বঙ্গীয় মুসলমান নামক সাহিত্য পত্রিকায় তাঁর প্রথম কবিতা ‘মুক্তি’ প্রকাশিত হয় । এসময় তিনি ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ সংগ্রামে অবতীর্ণ হন তিনি কুমিল্লা, মেদিনীপুর, হুগলিফরিদপুর, বাঁকুড়া এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক সভা-সমিতিতে অংশগ্রহণ করেন
 তিনি তাঁর লেখার মাধ্যমে ভারতীয় যুবকদের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করতে প্রেরণা যোগাতেন । ব্রিটিশ শাসকরা ভয় পেলেন যে – নজরুলের লেখা ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্ররোচিত করবে ।
 ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে তাঁর ‘বিদ্রোহী’ কবিতা প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথে সমগ্র বাংলায় আলোড়ন সৃষ্টি হয় । বিদ্রোহী কবিতার জন্য নজরুল সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তাঁর কবিতা শুধু ইংরেজ শাসকের বিরুদ্ধে প্রতীবাদ নয়, সমাজের সমস্ত রকম অসাম্য, অন্যায়, কুসংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে । তাঁর কবিতার আর একটি বিশেষত্ব হল হিন্দু ও মুসলমান উভয়ের ঐতিহ্যের সার্থক মেলবন্ধন ।
 ১৯২২ সালে নজরুল ‘ধূমকেতু’ পত্রিকা প্রকাশ করেন । ব্রিটিশরা ‘ধূমকেতু’ পত্রিকায় তল্লাশি চালায়, কবিকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় । এরপর তাঁকে হুগলী জেলে স্থানান্তরিত করা হয় । তিনি এখানে অনশন শুরু করেন । এক মাসের বেশি তিনি অনশন করেন । ১৯২৩ সালের ডিসেম্বরে নজরুলকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয় । ১৯২৫ সালে তিনি সাপ্তাহিক ‘লাঙ্গল’ পত্রিকা প্রকাশ করেন ।
 বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পর এত কবিতা, গল্প, নাটক, উপন্যাস, প্রবন্ধ আর গান কেউ লেখেন নি । ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক লিখলেও তিনি মূলত কবি হিসেবেই বেশি পরিচিতনজরুলের গানের সংখ্যা চার হাজারের বেশি তাঁর রচিত ও সুরারোপিত গান গুলিকে নজরুল সঙ্গীত বলা হয় । তাঁর রচিত বইগুলি হল – অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশি, সাম্যবাদী, সর্বহারা, ফণীমনসা, প্রলয় শিখা ইত্যাদি । নাটক – দাতা কর্ণ, কবি কালিদাস, রক্তকমল, মহুয়া, জাহাঙ্গীর, কারাগার, সাবিত্রী, আলেয়া, সর্বহারা, সতী ১৯৪৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বাংলা সাহিত্যের সর্বোচ্চ পুরস্কার জগত্তারিণী স্বর্ণপদক নজরুলকে প্রদান করা হয় ১৯৬০ সালে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মভূষণে  ভূষিত করা হয়
  
১৯৪০ সালে কবি স্ত্রী প্রমীলা কঠিন পক্ষাঘাত হয় । কবি মানসিক যন্ত্রণায় ভেঙে পড়েন, তাঁর মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটে । ১৯৪২ সালে তিনি একেবারে মূক হয়ে যান । দেশে বিভিন্ন ভাবে তাঁদের চিকিৎসা করা হয় । এখানে চিকিৎসায় সফল না হওয়ার জন্য বিদেশে লন্ডনে, ভিয়েনায় পাঠানো হয় ।  কবির স্ত্রীর মৃত্যু হয় ১৯৬২ সালে । ১৯৭১ সালে নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশ তৈরি হয় । ১৯৭২ সালে নজরুলকে বাংলাদেশের ঢাকাতে নিয়ে যাওয়া হয় । ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে নজরুলকে স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদানের সরকারী আদেশ জারী করা হয় ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ আগস্ট তারিখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন   কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করা হয় ।  বাংলাদেশে তার মৃত্যু উপলক্ষে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় শোক দিবস পালিত হয় এবং ভারতের আইনসভায় কবির সম্মানে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়
 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । জীবনী বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে জীবনী লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ 


আমাদের আরও পোস্ট পড়ুন -

আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।

বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯

তুরস্ক দেশের বিভিন্ন জানা অজানা কথা গুলি কি কি ?.


 তুরস্ক দেশের সরকারী নাম ‘প্রজাতন্ত্রী তুরস্ক’ । এই দেশটির বেশির ভাগ অংশ এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত হলেও কিছু অংশ ইউরোপের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত । ফলে ভৌগলিকভাবে দেশটি একই সাথে ইউরোপ ও এশিয়ার অন্তর্ভুক্ত । দেশটির মোট আয়তন ৭৮৩৫৬২ বর্গ কিমি । এর মধ্যে এশিয়ায় অবস্থান ৭৫৫৬৮৮ বর্গ কিমি আর ইউরোপে ২৩৭৬৪ বর্গ কিমি । আয়তন অনুসারে পৃথিবীর ৩৭ তম দেশ । জনসংখ্যার ৯০% তুরস্কের এশীয় অংশে বাস করে । বাকী ১০% ইউরোপীয় অংশে বাস করে । এশিয়া মাইনর ও দক্ষিণ পূর্ব ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তুরস্ক অবস্থিত ।

 এই দেশটি আকৃতি আয়তক্ষেত্রাকার চতুর্ভুজের মত । দৈর্ঘ্য প্রায় ১৬০০ কিমি ও প্রস্থ ৮০০ কিমি । দেশটির সীমা হল – উত্তর-পূর্বে জর্জিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান প্রজাতন্ত্র নাথচিভান । দক্ষিণে সিরিয়া, ইরাক, ভূমধ্যসাগর । পূর্বে ইরান, পশ্চিমে আছে গ্রীস ও অ্যাজিয়ান সাগর ।


 ভূমধ্যসাগর ও অ্যাজিয়ান সাগর থাকার জন্য এখানকার উপকূল এলাকাতে ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু দেখা যায় । দেশের অভ্যন্তরের জলবায়ু চরমভাবাপন্ন হলেও ভূমধ্যসাগরের উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু মৃদু প্রকৃতির । তুরস্কের রয়েছে বিস্তৃত উপকূল, যা দেশটির সীমান্তের তিন-চতুর্থাংশ গঠন করেছে । গ্রীষ্মকাল শুষ্ক প্রকৃতির হয় । শীতকাল হয় ঠাণ্ডা ও সিক্ত প্রকৃতির । উপকূল এলাকাতে নাতিশীতোষ্ণ সামুদ্রিক জলবায়ু দেখা যায় । এখানের মালভূমি অঞ্চলে শীতকালে তাপমাত্রা কম দেখা যায় । তুরস্কের বার্ষিক তাপমাত্রা থাকে প্রায় ২৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস । মে মাসে তুরস্কে সবথেকে বেশি বৃষ্টিপাত হয় । বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৬০ থেকে ১০০ সেন্টিমিটার । জুলাই ও আগস্ট মাস তুরস্কের শুষ্কতম মাস ।
 কৃষিজ সম্পদে তুরস্ক - চেরি, ডুমুর, হ্যাজেলনাট, ডালিম উৎপাদনে পৃথিবীতে প্রথম স্থান অধিকার করে । এছাড়াও ছোলা, শসা, মরিচ, টমেটো, বেগুণ, ডাল, জলপাই, চা, আপেল, তুলো, গম, কাজুবাদাম, লেবু ইত্যাদি উৎপাদিত হয় ।

প্রাকৃতিক সম্পদ হিসাবে পাওয়া যায় – তামা, কয়লা, সোনা, আকরিক লোহা, পারদ, অ্যান্টিমনি, মার্বেল, চুনাপাথর, ম্যাগনেটাইট ইত্যাদি পাওয়া যায় । এখানকার প্রধান প্রধান শিল্পগুলি হল – খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, বস্ত্র, খনিজ, কাগজ, পেট্রোলিয়াম, পর্যটন শিল্প ইত্যাদি । তুরস্কের পর্যটন শিল্প দেশটির অর্থনীতিতে বড় ধরনের অবদান রাখে । এখানের মানুষদের প্রধান পেশা হল – চাকরি, কৃষিকাজ ইত্যাদি ।

 


 তুরস্কের দীর্ঘতম নদী হল কিজিলিরমাক, দৈর্ঘ্য ১৩৫০ কিমি । এছাড়াও প্রধান নদনদী গুলি হল – টাইগ্রিস, আরাস, ইউফেটিস, কুরা, গোদিজ, গোকসু, সেইহান ইত্যাদি । এদেশের বৃহতম হ্রদ হল লেক ভান । উচ্চতম স্থান হল মাউন্ট আরারাত । নিম্নতম স্থান ভূমধ্য সাগর ।

তুরস্কের রাজধানীর নাম আঙ্কারা, অন্যান্য প্রধান শহর হল – ইস্তাম্বুল, আদানা, কায়সেরি, বুর্শা, কেন্যো, আদাপাজরি, গাজিয়ানটেপ ইত্যাদি । ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয় তুরস্কের প্রথম প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় । বর্তমানে তুরস্কের ৭৫% জনগণ শহরে বাস করে । এদেশের বিমান বন্দরের সংখ্যা ১১৭ টি । বৃহতম বিমান বন্দর আটাটার্ক আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, সেটি ইস্তাম্বুলে অবস্থিত । 

 তুরস্ক বর্তমানে একটি আধুনিকগণতান্ত্রিক রাষ্ট্র । তুরস্কের রাজনীতিতে একটি বহুদলীয় সংসদীয় প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কাঠামোয় সংঘটিত হয় । আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সরকার এবং আইনসভা উভয়ের উপর রয়েছে । তুরস্ক সরকারের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী । ৫ বছরের জন্য ভতে নির্বাচিত হয়ে সংসদে যান সংসদ সদস্যরা । ৫৫০ টি আসন নিয়ে একটি সংসদ অবস্থিত । বর্তমানকালে তুরস্ক একটি সাংবিধানিক ধর্মনিরপেক্ষ দেশ । গোটা দেশটিকে ৮১ টি প্রদেশে ভাগ করা হয়েছে । সব প্রদেশ আবার সাতটি অঞ্চলে বিভক্ত । আবার প্রতিটি প্রদেশ কতগুলি জেলা নিয়ে গঠিত । তুরস্কে মোট জেলা আছে ৯২৩টি ।  প্রদেশের রাজধানীর নাম অনুসারে প্রদেশের নাম করণ করা হয়েছে । প্রতিটি প্রদেশের কেন্দ্রীয় জেলা প্রদেশ গুলির রাজধানী । তুরস্কের জনসংখ্যা প্রায় সাত কোটি ১৫ লাখ ।  সেনানৌ ও বিমান বাহিনী নিয়ে তুরস্কের প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠিত ।  

 তুরস্ক দেশের সরকারী ভাষা হল তুর্কি । তাছাড়া অন্যান্য ভাষা হল – জাজাকি, আরবি, জর্জিয়ান ইত্যাদি । এখানে যেসব জাতীর মানুষ বসবাস করেন তাঁরা হলেন – কুরদ, লাজ, আলবেণীয়, জাজা, তাতার, আর্মেনীয়, আজারবাইজান ইত্যাদি । ধর্ম হল ইসলাম । মুদ্রার নাম লিরা । আইন সভার নাম – গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি । তুরস্কে সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা হচ্ছে ফুটবল । অন্যান্য খেলার মধ্যে বাস্কেটবল ও ভলিবল খেলা খুব জনপ্রিয় ।

 আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান । আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন । জানা অজানা ও ভূগোল বিষয়ে আরও পোস্ট পড়তে নিচে জানা অজানা ও ভূগোল লেখাটির উপর ক্লিক করুন । পুরো পোস্ট টি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ  

 আমাদের আরও পোস্ট পড়ুন - 


আপনারা দয়া করে এখানে থাকা বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের উপর ক্লিক করে জিনিস কিনুন, তাহলে আমি কিছু কমিশন পাব।